দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও তারপর প্রশ্ন উত্তর |6th Chapter Question Answer | Class 9 History WBBSE

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুখবর ↓

WBP-CT-Banner_offer
dbitio-biswajuddo-class-9-history-chapter-6
শ্রেণি – নবম | বিভাগ – ইতিহাস | অধ্যায় – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও তারপর (Ditio Biswa Judha)

নবম শ্রেণির ইতিহাস বিভাগ থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও তারপর বা ষষ্ঠ অধ্যায় থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে শুরু হয়-
(ক) গণতন্ত্রের মড়ক (খ) সমাজতন্ত্রের প্রসার (গ) ধনতন্ত্রের পতন (ঘ) একনায়কতন্ত্রের পতন

উত্তর- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে শুরু হয়- (ক) গণতন্ত্রের মড়ক।

২। মুসোলিনি ফ্রান্সের কাছ থেকে কোন স্থানটি দাবি করেছিল?
(ক) মেমেল (খ) ফিউম (গ) ট্যাঞ্জির (ঘ) ডানজিগ

উত্তর- মুসোলিনি ফ্রান্সের কাছ থেকে কোন স্থানটি দাবি করেছিল- (গ) ট্যাঞ্জির।

৩। ইটালিকে ‘আক্রমণকারী’ বলে ঘোষণ করে-
(ক) অ্যাবিসিনিয়া (খ) জাতিসংঘ (গ) জাতিপুঞ্জ (ঘ) ইংল্যান্ড

উত্তর- ইটালিকে ‘আক্রমণকারী’ বলে ঘোষণ করে- (খ) জাতিসংঘ।

৪। ইটালির জাতিসংঘের সদস্যপদ ত্যাগ করে-
(ক) ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে (খ) ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে (গ) ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে (ঘ) ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে

উত্তর- ইটালির জাতিসংঘের সদস্যপদ ত্যাগ করে- (গ) ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে।

৫। কোন দেশ আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়?
(ক) চেকোস্লোভাকিয়া (খ) পোল্যাণ্ড (গ) অস্ট্রিয়া (ঘ) রাইনল্যান্ড

উত্তর- কোন দেশ আক্রমণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়- (খ) পোল্যাণ্ড।

৬। ‘তোষণনীতির’ উদ্ভাবক ছিলেন –
(ক) ফ্রাঙ্কো (খ) নেভিল চম্বারলেন (গ) রিবেনট্রপ (ঘ) মলোটভ

উত্তর- ‘তোষণনীতির’ উদ্ভাবক ছিলেন- (খ) নেভিল চম্বারলেন।

৭। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ ছিল হিটলার কর্তৃক –
(ক) পোল্যান্ড আক্রমণ (খ) ইঙ্গ-ফরাসি তোষণ নীতি (গ) ভার্সাই সন্ধির অবিচার (ঘ) জাতিসংঘের ব্যর্থতা

উত্তর- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ ছিল হিটলার কর্তৃক- (ক) পোল্যান্ড আক্রমণ।

৮। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ‘ব্লিৎসক্রিগ’ যুদ্ধপদ্ধতি ব্যবহার করে-
(ক) ইংল্যান্ড (খ) ফ্রান্স (গ) ইটালি (ঘ) জার্মানি

উত্তর- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ‘ব্লিৎসক্রিগ’ যুদ্ধপদ্ধতি ব্যবহার করে- (ঘ) জার্মানি।

৯। নিজের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির দাবি গৃহীত না হওয়ায় জাতিসংঘ ত্যাগ করে –
(ক) জাপান (খ) জার্মানি (গ) ইটালি (ঘ) আমেরিকা

উত্তর- নিজের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির দাবি গৃহীত না হওয়ায় জাতিসংঘ ত্যাগ করে- (খ) জার্মানি।

১০। ‘দেখমাত্র গুলি’ করার নির্দেশ দেয় –
(ক) জার্মানি (খ) জাপান (গ) আমেরিকা (ঘ) ইংল্যান্ড

উত্তর- ‘দেখমাত্র গুলি’ করার নির্দেশ দেয়-(গ) আমেরিকা।

১১। ব্রিটিশ লেখক হোমার লি কোন জাতির শ্রেষ্ঠত্ব প্রচার করেন-
(ক) টিউটনিক (খ) অ্যাংলো- স্যাক্সন (গ) লাতিন (ঘ) আর্য

উত্তর- ব্রিটিশ লেখক হোমার লি কোন জাতির শ্রেষ্ঠত্ব প্রচার করেন- (খ) অ্যাংলো- স্যাক্সন।

১২। উগ্র জাতীয়তাবাদের উগ্র সমর্থক ছিলেন-
(ক) চার্চিল (খ) রুজভেল্ট (গ) হিটলার (ঘ) স্ট্যালিন

উত্তর- উগ্র জাতীয়তাবাদের উগ্র সমর্থক ছিলেন- (গ) হিটলার।

১৩। প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ হয় –
(ক) হিরোশিমায় (খ) নাগাসাকিতে (গ) পোখরানে (ঘ) ইসলামাবাদে

উত্তর- প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ হয়- (ক) হিরোশিমায়।

১৪। ট্রুম্যান নীতি ও মার্শাল পরিকল্পনা ঘোষণা করে –
(ক) রাশিয়া (খ) আমেরিকা (গ) ইংল্যান্ড (ঘ) ফ্রান্স

উত্তর- ট্রুম্যান নীতি ও মার্শাল পরিকল্পনা ঘোষণা করে- (খ) আমেরিকা।

১৫। ফুলটন বক্তৃতা করেন –
(ক) চার্চিল (খ) রুজভেল্ট (গ) ট্রুম্যান (ঘ) জর্জ সি মার্শাল

উত্তর- ফুলটন বক্তৃতা করেন- (ক) চার্চিল।


আরো পড়ো → নবম শ্রেণির ইতিহাস পঞ্চম অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর

একটি বাক্যে উত্তর দাও (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]


১। মুসোলিনি কবে কীভাবে ফিউম বন্দর ইটালির অন্তর্ভুক্ত করেন?

উত্তর – ইটালির একনায়ক শাসক মুসোলিনি নেটিউনো চুক্তির দ্বারা ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে ফিউম বন্দর ইটালির অন্তর্ভুক্ত করেন।

২। কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কে ইটালিকে ‘আক্রমণকারী’ বলে ঘোষণা করে?
উত্তর – ইটালি ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে অ্যাবিসিনিয়া আক্রমণ করলে জাতিসংঘ ইটালিকে ‘আক্রমণকারী’ হিসাবে আখ্যা দেয়।

৩। ‘মাজিনো লাইন’ কী?

উত্তর – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড থেকে বেলজিয়াম পর্যন্ত যে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছিল তাকে মাজিনো লাইন বলা হয়।

৪।জার্মানির শাসক হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে কোন কোন স্থান দখল করেন?
উত্তর – জার্মানির শাসক হিটলার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে রাইন ভূখণ্ড, অস্ট্রিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া ইত্যাদি স্থান দখল করে।

৫। হিটলার কবে পোল্যান্ড আক্রমণ করেন?
উত্তর – ১৩৩৯ খ্রিষ্টাব্দের ১লা সেপ্টেম্বর জার্মানির শাসক হিটলার পোল্যান্ড আক্রমণ করেন।

৬। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয় এবং কবে শেষ হয়?
উত্তর – ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ২ সেপ্টেম্বর এই যুদ্ধ শেষ হয়।

৭। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন কোন দুটি দেশ মিত্রপক্ষে যোগ দেয়?
উত্তর – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন আমেরিকা এবং সোভিয়েত ইউনিয়ান মিত্রপক্ষে যোগদান করে।

৮। কোন দিনটি ‘ডি-ডে’ বা ‘মুক্তি দিবস’ নামে পরিচিত?
উত্তর – ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দের ৬ই জুন দিনটিকে ‘মুক্তি দিবস’ বা ‘ডি ডে’ বলা হয়।

৯। কারা কবে প্রথম পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ করে?
উত্তর – ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দের ৬ই আগস্ট জাপানের হিরোসিমা শহরে, আমেরিকা প্রথম পারমাণবিক বিস্ফোরন করে।

১০। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পারমাণবিক বোমা তৈরির গবেষণার উদ্দেশ্যে আমেরিকা কী প্রকল্প গ্রহণ করে?
উত্তর – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পারমাণবিক বোমা তৈরির গবেষণার উদ্দেশ্যে আমেরিকা ‘ম্যানহাটন’ প্রকল্প গ্রহহ্ন করে।


আরো পড়ো →  রাধারানী গল্পের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

ব্যাখ্যা ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ২]

১। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের প্রধান একনায়কতান্ত্রিক শাসকদের নাম উল্লেখ করো।
উত্তর – প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপে একনায়কতান্ত্রিক শাসকদের আধিপত্য লক্ষ্য করা যায়। এদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন, জার্মানির শাসক হিটলার, ইটালির শাসক মুসোলিনি এবং স্পেনের শাসক জেনারেল ফ্রাঙ্কো।

২। ইটালির সঙ্গে ইউগোস্লাভিয়ার বিরোধের কয়েকটি কারণ উল্লেখ করো।
উত্তর – ইটালির সঙ্গে ইউগোস্লাভিয়ার বিরোধের প্রধান কারণগুলি হল –
ক) ইউগোস্লাভিয়ার ফিউম বন্দর ইটালি অন্যায়ভাবে দখল করে।
খ) আলবেনিয়ায় ইটালির আধিপত্য বৃদ্ধি পেলে তা ইউগোস্লাভিয়ার নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিণত হয়।
গ) ইউগোস্লাভিয়ার সঙ্গে বুলগেরিয়ার চুক্তিতে ইটালি বাঁধা হয়ে দাঁড়ায়।
ঘ) ইউগোস্লাভিয়ার রাজার মৃত্যুর কারণ হিসাবে ইটালির হস্তক্ষেপ সন্দেহ করা হয়।

৩। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে বিশ্ব কোন দুটি জোটে বিভক্ত হয়ে পড়ে?
উত্তর – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে বিশ্ব দুটি জোটে বিভক্ত হয়, যথা মিত্র শক্তি ও অক্ষশক্তি।

অক্ষশক্তির প্রধান রাষ্ট্রগুলি হল ইটালি, জার্মানি এবং জাপান অপরদিকে মিত্রশক্তির প্রধান দেশগুলি হল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়ান।

৪। রাশিয়া কেন জার্মানির সঙ্গে ‘রুশ- জার্মান অনাক্রম চুক্তি’ (১৯৩৯ খ্রি) স্বাক্ষরে আগ্রহী হয়?
উত্তর – রাশিয়ার তরফে ‘রুশ- জার্মান অনাক্রম চুক্তি’ স্বাক্ষরের অন্যতম কারণগুলি হল –
ক) ইউরোপের অন্যতম দুটি শক্তিশালী রাষ্ট্র ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের সঙ্গে রাশিয়ার মিত্রতা স্থাপনে ব্যর্থতা অপর একটি শক্তিশালী দেশ জার্মানির কাছাকাছি নিয়ে আসে।
খ) রাশিয়া, জার্মানির সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে চুক্তি করতে আগ্রহী হয়।

৫। জার্মানি কেন জাতিসংঘের সদস্যপদ ত্যাগ করে?
উত্তর – প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির মাধ্যমে জার্মানির শক্তি হ্রাস করা হয়। এর পরবর্তী সময়ে ১৯৩৩ খ্রিষ্টাব্দে জেনিভার নিরস্ত্রিকরণ সম্মেলনে জার্মানি অন্য সকল রাষ্ট্রের ন্যায় সামরিক শক্তি রাখার দাবী জানায়। কিন্তু এই দাবী মান্যতা না পেলে, জার্মানি জেনিভা সম্মেলন এবং জাতিসংঘের সদস্যপদ ত্যাগ করে।

৬। মুসোলিনি ও হিটলারের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি ও জোট গঠনের কয়েকটি কারণ উল্লেখ করো।
উত্তর – ইটালির শাসক মুসোলিনি এবং জার্মানির শাসক হিটলারের মধ্যে জোট গঠনের মূল দুটি কারণ হল –
ক) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই সন্ধির মাধ্যমে ইটালি এবং জার্মানি দুটি দেশের সামরিক শক্তি হ্রাস করা হয়। ফলে দুটি দেশেই এর ফল ভোগ করে।
খ) ফ্রান্স ছিল জার্মানি এবং ইটালি দুই দেশেরই শত্রু আবার ইটালি ও জার্মানি দুটি দেশই ছিল উগ্র সাম্রাজ্যবাদের সমর্থক।

৭। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করো।
উত্তর – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মূল কারণগুলি হল –
ক) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পড়ে ইটালি, জার্মানি, জাপান প্রভৃতি দেশে একনায়ক শাসকদের উত্থান।
খ) ঔপনিবেশিক এবং প্রতিযোগী রাষ্ট্রগুলির প্রতিদন্ধিতা।
গ) জাতিসংঘের ব্যর্থতা

৮। হিটলার কেন রাশিয়া আক্রমণ করেন?
উত্তর – হিটলারের রাশিয়া আক্রমণের মূল দুটি কারণ হল –
ক) রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনকে প্রতিহত করা এবং ভবিষ্যতে রাশিয়ার জার্মানি আক্রমণের সম্ভাবনা নির্মূল করা।
খ) রাশিয়ার অন্তর্গত ইউক্রেনের গম ভাণ্ডার এবং পেট্রোলিয়াম ভাণ্ডার দখল করা।

৯। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা কয়েকটি জোটের উল্লেখ করো।
উত্তর – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার নেতৃত্বে গড়ে ওটা দুটি অন্যতম জোট হল –
ক) ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে গড়ে ওঠা ন্যাটো (NATO) বা উত্তর অ্যাটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
খ) ১৯৫৮ খ্রিষ্টাব্দে গড়ে ওঠা সিয়াটো (SEATO) বা দক্ষিন পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা।

১০। ঠাণ্ডা লড়াই কী?
উত্তর – দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে দুই প্রধান শক্তিশালী দেশ রাশিয়া এবং আমেরিকার নেতৃত্বে দুটি শক্তি জোট গড়ে ওঠে। এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রকাশ্যে যুদ্ধ না হলেও, যুদ্ধের পরিবেশ বজায় ছিল। এই ঘটনা ঠাণ্ডা লড়াই নামে পরিচিত।


WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner