গমন প্রশ্ন উত্তর | Pranir Gomon Question Answer|প্রাণীদের সাড়াপ্রদানের একটি প্রকার হিসেবে গমন

gomon question answer
শ্রেণি – দশম | বিভাগ – জীবনবিজ্ঞান| অধ্যায় – গমন (প্রাণীদের সাড়াপ্রদানের একটি প্রকার হিসেবে গমন) | Gomon

এই পর্বে রইল দশম শ্রেণির জীবন বিজ্ঞান বিভাগের পঞ্চম অধ্যায় – প্রাণীদের সাড়াপ্রদানের একটি প্রকার হিসেবে গমন থেকে কয়েকটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন – উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো। (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 1]

1। সূর্যালোক নিম্নলিখিত যে জীবের গমন ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তা হল–ক) অ্যামিবা খ) প্যারামেসিয়াম গ) ক) ও খ) উভয়ই ঘ) ইউগ্লিনা
উত্তর- সূর্যালোক নিম্নলিখিত যে জীবের গমন ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, তা হল– ঘ) ইউগ্লিনা।

2। সন্তরণ পদ্ধতিতে গমন সম্পন্ন করে– ক) হাইড্রা খ) ইউগ্লিনা গ) মাছ ঘ) অ্যামিবা
উত্তর- সন্তরণ পদ্ধতিতে গমন সম্পন্ন করে– গ) মাছ।

3।অস্থিযুক্ত মাছের দেহে পাখনার সংখ্যা– ক) একটি খ) পাঁচটি গ) সাতটি ঘ) নয়টি
উত্তর- অস্থিযুক্ত মাছের দেহে পাখনার সংখ্যা– গ) সাতটি।

4। মাছের দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে– ক) পুচ্ছপাখনা খ) পৃষ্ঠপাখনা গ) পায়ুপাখনা ঘ) শ্রোণিপাখনা
উত্তর- মাছের দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে–ক) পুচ্ছপাখনা।

5। মায়োটম পেশি দেখা যায়– ক) মাছে খ) বাদুড়ে গ) ফড়িং-এ ঘ) পায়রায়
উত্তর- উত্তর-মায়োটম পেশি দেখা যায়–ক) মাছে ।

6 । উড্ডয়ন পদ্ধতিতে গমন সম্পন্ন করে–ক) কেঁচো খ) শামুক গ) পাখি ঘ) টিকটিকি
উত্তর- উড্ডয়ন পদ্ধতিতে গমন সম্পন্ন করে–গ) পাখি।

7। বল ও সকেট সন্ধি দেখা যায়–ক) কাঁধে খ) হাঁটুতে গ) বুড়ো আঙুলে ঘ) কনুইতে
উত্তর- বল ও সকেট সন্ধি দেখা যায়–ক) কাঁধে ।

8 । দেহের সংশ্লিষ্ট দুটি অংশকে ভাঁজ হতে সাহায্য করে যে কঙ্কাল পেশি– ক) রোটেটর খ) ফ্লেক্সর গ) এক্সটেনসর ঘ) অ্যাবডাকটর
উত্তর- দেহের সংশ্লিষ্ট দুটি অংশকে ভাঁজ হতে সাহায্য করে খ) ফ্লেক্সর কঙ্কাল পেশি।

9 । গমনে অক্ষম জীবটি হল-ক) ক্ল্যামাইডোমোনাস খ) অ্যামিবা গ) প্যারামেসিয়াম ঘ) স্পঞ্জ
উত্তর-গমনে অক্ষম জীবটি হল-ঘ) স্পঞ্জ।

10 । মানুষের গমনে দেহের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে- ক) লঘুমস্তিস্ক খ) পনস গ) অন্তঃকর্ণ ঘ) ক ও গ
উত্তর- মানুষের গমনে দেহের ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে-ঘ) ক ও গ ।

আরো পড়ো → স্নায়ুতন্ত্র প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

একটি বাক্যে উত্তর দাও। (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 1]

1। অ্যামিবার গমনাঙ্গের নাম লেখো।
উত্তর- অ্যামিবার গমনাঙ্গের নাম হল ক্ষণপদ।।

2। মাছের বিজোড় পাখনাগুলি কি কি?
উত্তর- মাছের বিজোড় পাখনাগুলি হল পৃষ্ঠপাখনা, পায়ুপাখনা ও পুচ্ছপাখনা।

3। মাছের কোন্‌ কোন্‌ পাখনা জলে ভাসতে সাহায্য করে?
উত্তর – মাছের বক্ষপাখনা ও শ্রোণিপাখনা জলে ভাসতে সাহায্য করে।

4। পাখির ডানার পালককে কি বলা হয়?
উত্তর- পাখির ডানার পালককে রেমিজেস বলা হয়।

5। পাখির লেজের পালকের নাম কি?
উত্তর- পাখির লেজের পালকের নাম হল রেক্ট্রিসেস।

6। মানুষের গমনাঙ্গের নাম কি?
উত্তর- মানুষের গমনাঙ্গের নাম হল পা।

7। অচল সন্ধির উদাহরণ দাও।
উত্তর- অচল সন্ধির উদাহরণ হল মানব খুলির অস্থিসমূহের সন্ধি।

8। বল ও সকেট সন্ধি কোথায় দেখা যায়?
উত্তর- বল ও সকেট সন্ধি কাঁধ ও কোমরের সন্ধিতে দেখা যায়।

9। মানুষের দেহে দীর্ঘতম অস্থি কোন্‌টি?
উত্তর- মানুষের দেহে দীর্ঘতম অস্থি হল ফিমার।

10। পরস্পর বিপরীতধর্মী ক্রিয়া করে মানবদেহের এমন দুটি পেশির নাম লেখো।
উত্তর- পরস্পর বিপরীতধর্মী ক্রিয়া করে মানবদেহের এমন দুটি পেশির নাম হল বাইসেপস ও ট্রাইসেপস।

আরো পড়ো → পর্যায়সারণী প্রশ্ন – উত্তর আলোচনা

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 2/3]

1। গমনের সময় কিভাবে দেহের ভারসাম্য বজায় থাকে?
উত্তর- মানুষের দ্বিপদ গমনের সময় হাত দুটিও পর্যায়ক্রমে সামনে ও পিছনের দিকে সঞ্চালিত হতে থাকে। সাধারণভাবে বাঁ পা অগ্রসর হলে ডান হাত এবং ডান পা অগ্রসর হলে বাঁ হাত সামনের দিকে এগিয়ে আসে। এর ফলে দেহের ভারসাম্য বজায় থাকে।

এছাড়াও মানুষের দ্বিপদ গমনের সময় লঘুমস্তিষ্ক এবং অন্তঃকর্ণের অর্ধচন্দ্রাকার নালীও দেহের ভারসাম্য বজায় রাখে।

2। অ্যামিবার গমন পদ্ধতি উল্লেখ করো।
উত্তর- অ্যামিবার (Amoeba sp.) গমন পদ্ধতি
অ্যামিবা একটি এককোশী প্রাণী যার গমন অঙ্গ হল ক্ষণপদ বা সিউডোপোডিয়া। অ্যামিবা ক্ষণপদের সাহায্যে ধীরগতিতে স্থান পরিবর্তন করে। অ্যামিবার গমন পদ্ধতি সল-জেল মতবাদের দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়। এই মতবাদ অনুযায়ী অ্যামিবার দেহের মধ্যে থাকা সাইটোপ্লাজমের ঘনত্বের পরিবর্তনে মাধ্যমে (সাইটোপ্লাজমীয় তরল সল গাঢ় জেলে পরিবর্তিত হয়) তাদের দেহের পরিধি বরাবর অস্থায়ী পদ বা ক্ষণপদের সৃষ্টি হয়। এই ক্ষণপদ দ্বারা অ্যামিবা গমন করতে পারে। প্রথমে তারা ক্ষণপদটিকে সামনের দিকে বিস্তৃত করে কোনো কঠিন বস্তুকে আঁকড়ে ধরে। তারপরে তাদের দেহমধ্যস্থ সাইটোপ্লাজমকে ধীরে ধীরে ক্ষণপদের মধ্যে প্রবাহিত করে, এর ফলে অ্যামিবার দেহের পশ্চাৎ অংশ আস্তে আস্তে গুটিয়ে আসে এবং তারা সামনের দিকে কিছুটা এগিয়ে যায়। অ্যামিবার এই গমন পদ্ধতি অ্যামিবয়েড গমন নামে পরিচিত।

3। পায়রার উড্ডয়নে রেকট্রিসেস ও রেমিজেস পালকের ভূমিকা উল্লেখ করো।
উত্তর- পায়রার উড্ডায়নে রেমিজেস ও রেকট্রিসেস পালক ভূমিকা-

রেমিজেস- এটি দুটি ডানার কিনারায় দেখতে পাওয়া যায়। রেমিজেস সংখ্যায় 23 টি থাকে। রেমিজেস ডানার তল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং তার ফলে পাখিরা উড়তে সক্ষম হয়।

রেকট্রিসেস- ‌ এটি পাখিদের লেজের কিনারায় দেখা যায়। এর সংখ্যা 12 টি। এগুলি পাখিদের ওড়ার সময় দিক পরিবর্তন করতে সাহায্য করে অর্থাৎ হালের কাজ করে।

4। চলন ও গমনের দুটি পার্থক্য লেখ।
উত্তর-

চলন এবং গমনের পার্থক্য

5। চলন ছাড়া গমন সম্ভব নয় কেন, তা ব্যাখ্যা করো।
উত্তর- যে প্রক্রিয়ায় জীবেরা একটি নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ থেকে বাহ্যিক উদ্দীপকের প্রভাবে বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালন করে, তাকে চলন বলে। আর যে প্রক্রিয়ায় জীবেরা বাহ্যিক উদ্দীপকের প্রভাবে বা অন্য কোন কারণে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালনের মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে স্থান পরিবর্তন করে, তাকে গমন বলে।

গমন করতে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালনের প্রয়োজন হয় আর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালনই হল চলন। তাই চলন ছাড়া গমন সম্ভব নয়।

আরো পড়ো → বহুরূপী গল্পের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 5]

1। গমনের উদ্দেশ্য কি?
উত্তর- প্রাণীরা গমন করে নানা কারণে যেমন-

ক) খাদ্যের প্রয়োজনে- উদ্ভিদরা নিজেদের খাদ্য নিজেরা প্রস্তুত করতে সক্ষম হলেও, প্রাণীরা পরভোজী হওয়ায় খাদ্যের প্রয়োজনে তাদের অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। তাই খাদ্যের সন্ধানে প্রাণীদের (শাকাশী বা মাংসাশী) একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমন করতে হয়।তাই খাদ্য গমনের চালিকাশক্তি।

খ) বাসস্থান – প্রাণীরা তাদের জীবন ধারণের সুবিধার জন্য উপযুক্ত পরিবেশে নিজেদের বাসস্থান গড়ে তুলতে চায়। তাই বাসস্থান খোঁজা এবং নির্মাণের জন্য তাদের গমনের প্রয়োজন হয়। তাই বাসস্থান গমনের চালিকাশক্তি।

গ) অনুকূল পরিবেশের সন্ধান – সমস্ত প্রাণীরা বসবাসের জন্য নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করে থাকে। তাই পরিবেশের প্রতিকূলতার হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং অনুকূল পরিবেশের সন্ধানে জীবকে একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমন করতে হয়। যেমন- গ্রীষ্মকালে জলাশয়ের একাংশের জল শুকিয়ে গেলে, ওই জলাশয়ের মাছ এবং অন্যান্য জলচর প্রাণীরা জলাভূমির যেদিকে অপেক্ষাকৃত বেশি জল রয়েছে, সেদিকে গমন করে। তাই অনুকূল পরিবেশও গমনের চালিকাশক্তি।

ঘ) আত্মরক্ষা – শত্রুর আক্রমণের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে প্রাণীদের একস্থান থেকে অন্যস্থানে যেতে হয়। তাই আত্মরক্ষা হল গমনের চালিকাশক্তি।

ঙ) পরিযান বা মাইগ্ৰেশন‌ – ‌বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও নানা কারণে প্রাণীরা একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমন করে যাকে পরিযান বা মাইগ্রেশন বলে। যেমন- কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ (ক্ষরা, বন্যা, ভূমিকম্প ইত্যাদি), সংক্রামক রোগ, দুর্ভিক্ষ ইত্যাদির হাত থেকে রক্ষা পেতে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীদের মাইগ্রেশন ঘটে থাকে। এছাড়াও কোনো স্থানে প্রাণীর সংখ্যা অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পেলে সেই অঞ্চলে বাসস্থান, খাদ্য ও জলের চাহিদা বেড়ে যায় এবং তার ফলে প্রতিযোগিতার সৃষ্টি হয়।

চ) প্রজনন ও বংশবিস্তার‌ -‌ ‌প্রজননের প্রয়োজন সমস্ত প্রাণীরা একস্থান থেকে অন্যস্থানে গমন করে উপযুক্ত প্রজনন স্থান এবং সঙ্গী নির্বাচন করে। যেমন- স্যালমন নামক এক ধরনের মাছ এবং অলিভ রিডল টার্টেল তাদের উপযুক্ত প্রজনন স্থানের সন্ধানে সমুদ্রে দীর্ঘপথ সাঁতার কেটে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছায়। এছাড়াও ইলিশ মাছ ডিম পাড়ার জন্য সমুদ্র থেকে নদীতে প্রবেশ করে।

2। মানবদেহের গমনে বিভিন্ন পেশীর ভূমিকা বর্ণনা করো।
উত্তর- মানুষের দ্বিপদ গমনের সময় পা দুটি সঞ্চালনের জন্য কয়েকটি কঙ্কাল পেশি (Skeletal muscle) সাহায্য করে।

মানুষের দেহের কঙ্কাল বা অস্থির সাথে যে সমস্ত পেশি সংযুক্ত থাকে, তাদের কঙ্কাল পেশি বলে। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এই পেশি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই পেশির মাঝের অংশ স্থূল এবং দুই প্রান্ত অপেক্ষাকৃত সরু হয়। সরু প্রান্ত দুটির সঙ্গে দড়ির মতো কিছু অংশ যুক্ত থাকে, যাকে কন্ডরা বা Tendon বলে। এই কন্ডরার সাহায্যে পেশিগুলি অস্থির সাথে সংলগ্ন থাকতে পারে। কঙ্কাল পেশি বিভিন্ন প্রকারের পেশি সঞ্চালনে সাহায্য করে থাকে।

ক) ফ্লেক্সর পেশি – যে প্রক্রিয়ায় পেশি সংকুচিত হয়ে দুটি অস্থি কাছাকাছি আসে তাকে ফ্লেক্সন বলে। যে সমস্ত পেশী এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাদের ফ্লেক্সর পেশি বলে। যেমন- হাতের বাইসেপস, পায়ের বাইসেপস ফিমোরিস। এই পেশি দুটির সংকোচনের ফলে হাতের কনুই এবং পায়ের হাঁটু ভাঁজ হতে পারে।

খ) এক্সটেনসর পেশি – যে প্রক্রিয়ায় পেশি সংকুচিত হলে নিকটবর্তী অস্থিগুলি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় তাকে এক্সটেনশন বলে। এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পেশিগুলোকে এক্সটেনসর পেশি বলে। যেমন- হাতের ট্রাইসেপস, পায়ের এক্সটেনসর ডিজিটোরিয়াম। এই পেশি দুটির সংকোচনে হাত এবং পা ভাঁজ করা অবস্থা থেকে সোজা হয়।

গ) অ্যাবডাকটর পেশি – যে প্রক্রিয়ায় কোন অঙ্গ দেহের মধ্যরেখা থেকে অনেকটা দূরে সরে যায় তাকে অ্যাবডাকশন বলে। এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পেশীগুলিকে অ্যাবডাকটর পেশি বলে। যেমন- ডেলটয়েড পেশি। এই পেশির কার্যকারিতার ফলে মানুষের হাত দেহের মধ্যরেখা থেকে অনেকটা দূরে সরে যায়।

ঘ) অ্যাডাকটর পেশি – যে প্রক্রিয়ায় কোন অঙ্গ দেহের মধ্যরেখার কাছাকাছি সরে আসে তাকে অ্যাডাকশন বলে। এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পেশীগুলি অ্যাডাকটর পেশি নামে পরিচিত। যেমন- ল্যাটিসিমাস ডরসি, পেক্টোরালিস মেজর। এই পেশিগুলি হাতকে দেহের মধ্যরেখার কাছাকাছি নিয়ে আসতে সাহায্য করে।

ঙ) রোটেটর পেশি – যে প্রক্রিয়ার সাহায্যে দেহের কোন অংশ একটি অক্ষকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হতে সক্ষম হয়, তাকে রোটেশন বলে। রোটেশনে অংশগ্রহণকারী পেশীগুলি রোটেটর পেশি নামে পরিচিত। যেমন- পাইরিফরমিস পেশি। এই পেশির সাহায্যে ফিমার আবর্তিত হতে পারে। আমরা যে ঘাড় ও মাথা পিছন দিকে ঘোরাতে পারি তাও এক প্রকারের রোটেশন। আর এই ঘূর্ণন স্টারনোক্লিডোম্যাসটয়েড এবং স্প্লেনিয়াস নামক পেশি দুটির সাহায্যে ঘটে।

আরো পড়ো → অনুপাত ও সমানুপাত অধ্যায়ের গাণিতিক সমস্যার সমাধান

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner