পরিবেশ দূষণ প্রশ্ন উত্তর । Environment Pollution Question Answer

মাধ্যমিক পরীক্ষার ভীতি কাটাবার সেরা উপায়!↓

madhyamik-chapter-test
poribesh-dushon
শ্রেণি – দশম | বিভাগ – জীবনবিজ্ঞান | অধ্যায় – পরিবেশ দূষণ | Poribesh Dushon (Chapter 15)

এই পর্বে রইল দশম শ্রেণির জীবন বিজ্ঞান বিভাগের পঞ্চদশ অধ্যায় – পরিবেশ দূষণ থেকে কয়েকটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন – উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো। (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 1]

1। প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসটি হল –
ক) অক্সিজেন খ) ওজোন গ) কার্বন ডাইঅক্সাইড ঘ) ক্লোরোফ্লুরোকার্বন

উত্তর- প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাসটি হল – ঘ) ক্লোরোফ্লুরোকার্বন।

2। বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের স্বাভাবিক মাত্রা হল –
ক) 0.1% খ) 0.01% গ) 0.03% ঘ) 0.3%

উত্তর- বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের স্বাভাবিক মাত্রা হল – গ) 0.03%.

3। PAN-এর পুরো নাম হল –
ক) প্যারা অ্যাসিটাইল নাইট্রেট খ) পারঅক্সি–অ্যাসিটাইল নাইট্রেট
গ) পারঅক্সি–অ্যাসিড নাইট্রেট ঘ) প্যারা অ্যাসিডিক নাইট্রোজেন

উত্তর- PAN-এর পুরো নাম হল – খ) পারঅক্সি–অ্যাসিটাইল নাইট্রেট।

4। জীবাশ্ম–জ্বালানির অসম্পূর্ণ দহনে তৈরি হয় –
ক) নাইট্রিক অক্সাইড গ্যাস খ) হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস
গ) কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস ঘ) ক্লোরোফ্লুরোকার্বন গ্যাস

উত্তর- জীবাশ্ম–জ্বালানির অসম্পূর্ণ দহনে তৈরি হয় – গ) কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস।

5। অম্লবৃষ্টি বলা হয়, যখন বৃষ্টির জলের pH এর মান –
ক) 8.0 এর বেশি হয় খ) 4.0 এর কম হয় গ) 6.0 এর কম হয় ঘ) 5.0 এর কম হয়

উত্তর- অম্লবৃষ্টি বলা হয়, যখন বৃষ্টির জলের pH এর মান – ঘ) 5.0 এর কম হয়।

6। বায়ুদূষনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রোগগুলি হল –
ক) ডায়রিয়া, টাইফয়েড, হেপাগটাইটিস খ) হেপাটাইটিস, ব্রংকাইটিস, বধিরতা
গ) ব্রংকাইটিস, হাঁপানি, ফুসফুসের ক্যানসার ঘ) ফুসফুসের ক্যানসার, পোলিও, ম্যালেরিয়া

উত্তর- বায়ুদূষনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রোগগুলি হল – গ) ব্রংকাইটিস, হাঁপানি, ফুসফুসের ক্যানসার।

7। জলে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের দ্রুত প্রজনন ও বৃদ্ধির ফলে জলাশয়ে তার ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় এবং ইউট্রোফিকেশন ঘটে। এই ঘটনাকে বলে –
ক) ফাংগাল ব্লুম খ) ব্যাক্টেরিয়াল ব্লুম গ) অ্যালগাল ব্লুম ঘ) প্রোটোজোয়াল ব্লুম

উত্তর- জলে ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটনের দ্রুত প্রজনন ও বৃদ্ধির ফলে জলাশয়ে তার ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় এবং ইউট্রোফিকেশন ঘটে। এই ঘটনাকে বলে – গ) অ্যালগাল ব্লুম।

8। জলের BOD মাত্রা বৃদ্ধি যা নির্দেশ করে, তা হল –
ক) পরিশ্রুত জল খ) জল দূষণ গ) পানীয় জল ঘ) জলে অতিরিক্ত খনিজের উপস্থিতি

উত্তর- জলের BOD মাত্রা বৃদ্ধি খ) জল দূষণকে নির্দেশ করে।

9। অ্যামিবিয়াসিস ও জিয়ার্ডিয়াসিস হল –
ক) প্রোটোজোয়াঘটিত রোগ খ) ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ গ) ভাইরাসঘটিত রোগ ঘ) শৈবালঘটিত রোগ

উত্তর- অ্যামিবিয়াসিস ও জিয়ার্ডিয়াসিস হল – ক) প্রোটোজোয়াঘটিত রোগ।

10। খাদ্য শৃঙ্খল বরাবর দূষণ বৃদ্ধির ঘটনাকে বলে –
ক) বায়ো অ্যাকুমুলেশন খ) বায়োম্যাগনিফিকেশন গ) বায়োডাইভারসিটি ঘ) অম্লীকরণ

উত্তর- খাদ্য শৃঙ্খল বরাবর দূষণ বৃদ্ধির ঘটনাকে বলে খ) বায়োম্যাগনিফিকেশন।

আরো পড়ো → Sea Fever Question Answer

একটি বাক্যে উত্তর দাও। (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 1]

1। COPD কথাটির সম্পূর্ণ নাম কী?
উত্তর- COPD কথাটির সম্পূর্ণ নাম ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ।

2। ভারতে অবস্থিত দুটি সৌধের নাম লেখো যেখানে অম্লবৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব দেখা যায়।
উত্তর- অম্লবৃষ্টির ক্ষতিকর প্রভাব দেখা যায়, এমন ভারতে অবস্থিত দুটি সৌধের নাম হল তাজমহল এবং ভিক্টোরিয়া মেমরিয়াল।

3। DDT এর সম্পূর্ণ নাম লেখো।
উত্তর- DDT এর সম্পূর্ণ নাম ডাইক্লোরো ডাইফেনল ট্রাইক্লোরো ইথেন (Dichloro diphenyl trichloro ethane)।

4। সিসার দূষণের ফলে হয়, এমন একটি রোগের নাম লেখো।
উত্তর- সিসার দূষণের ফলে হয়, এমন একটি রোগ হল ডিসলেক্সিয়া।

5। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপন্ন কোন্‌ উপাদান মৃত্তিকা দূষণ ঘটায়?
উত্তর- তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্গত উড়ে আসা ছাই (Fly Ash) মৃত্তিকা দূষণ ঘটায়।

আরো পড়ো → সিরাজদ্দৌল্লা অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 2/3]

1। গ্রীন হাউস প্রভাব ও গ্লোবাল ওয়ারমিং এর সম্পর্ক কি? (2)
উত্তর- বায়ুমন্ডলে উপস্থিত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO), মিথেন (CH4), ওজোন (O3), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) ইত্যাদি গ্রীন হাউস গ্যাস নামে পরিচিত। সূর্য থেকে আগত রশ্মি ভূপৃষ্ঠে পতিত হওয়ার পর প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যাওয়ার সময় বেশি দৈর্ঘ্যযুক্ত ইনফ্রারেড রশ্মি হওয়ায় তা মহাশূন্যে ফিরে না গিয়ে পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে এবং তার ফলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। এই ঘটনাটি গ্রীন হাউস এফেক্ট নামে পরিচিত। শিল্পায়ন, জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও অরণ্য ধ্বংস করার ফলে এই গ্রীন হাউস গ্যাসগুলোর পরিমাণ অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং তার ফলে সূর্যরশ্মির বিকিরণের প্রভাবে পৃথিবীর উষ্ণতাও ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে যে ঘটনাটি গ্লোবাল ওয়ার্মিং নামে পরিচিত।

2। মানুষ কিভাবে মাটি দূষণ করে চলেছে তার স্বপক্ষে উপযুক্ত সাক্ষ্য দাও। (3)
উত্তর: ক) বর্তমানে অধিক ফলনের আশায় চাষের জমিতে বিভিন্ন প্রকার রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। যা মাটিতে মিশে দূষণ ঘটায়।
খ) শহরাঞ্চলের গৃহস্থলী বা অন্যত্র উৎপাদিত বর্জ্য, সিউয়েজ, কলকারখানা ও পৌর প্রতিষ্ঠানের আবর্জনা, মলমূত্র ইত্যাদি মাটিতে মিশলে মাটি দূষিত হয়।
গ) মাটিতে থাকা বিভিন্ন প্রকার রাসায়নিক পদার্থ মাটিকে দূষিত করতে পারে। যেমন- নাইট্রেট, সালফেট ইত্যাদি যৌগ যা, অজৈব সারে উপস্থিত থাকে। এছাড়াও অনেক সময় রাসায়নিক সারে বেশকিছু কৃত্রিম যৌগ উপস্থিত থাকে, যেগুলি মাটিতে মিশে দূষণ ঘটায়।
ঘ) বর্তমানে প্লাস্টিকের ব্যবহার অতিরিক্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। অধিকাংশ সময় প্লাস্টিক যত্রতত্র ফেলে দেওয়া হয়। প্লাস্টিক জৈব ধ্বংস প্রাপ্তিতে অক্ষম (non-biodegradable) পদার্থ। এগুলি মাটির সাথে মিশে যায় না। ফলে বহু বছর ধরে মাটির তলায় অপরিবর্তিতভাবে থাকে। ফলে এর থেকে অধিকমাত্রায় মাটি দূষণ হয়।

3। জীব বিবর্ধন একটি রেখাচিত্রের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করো। (2)
উত্তর: জীব বিবর্ধন: যে প্রক্রিয়ায় অপরিবর্তনীয় বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ যেমন DDT, HCG ইত্যাদি খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করে, প্রতিটি খাদ্যস্তরে তাদের ঘনত্ব বৃদ্ধি করতে থাকে তাকে জীব বিবর্ধন বা বায়ো-ম্যাগনিফিকেশন বলে।
ফসলের পেস্ট দমনের জন্য প্রচুর পরিমাণে DDT ব্যবহার করা হতো। সেই DDT বৃষ্টির জলে ধুয়ে নিকটবর্তী পুকুর খাল বিল ইত্যাদিতে পড়ে। জলে দ্রবীভূত DDT জলজ উদ্ভিদ অর্থাৎ ফাইটোপ্লাংটন এর দেহে প্রবেশ করে। সেই ফাইটোপ্লাংটন থেকে পর্যায়ক্রমে জুপ্লাংকটন, ছোট মাছ, বড় মাছ এবং পাখির মধ্যে প্রবেশ করে । সেখান থেকে মানুষের দেহেও প্রবেশ করে। খাদক থেকে খাদকে অপরিবর্তিতভাবে DDT প্রবেশের সময় এর ঘনত্ব অনেক বেড়ে যায়।
জৈব বিবর্ধনের রেখাচিত্র:
জলে দ্রবীভূত DDT (0.01ppm) → ফাইটোপ্লাংটন DDT (0.024ppm) → জুপ্লাংটন DDT (0.123ppm) → মাছের দেহে DDT (1.05-12ppm) →পাখির দেহে DDT (100ppm)

4। বিশ্ব উষ্ণায়ন বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং কি? (2)
উত্তর- শিল্পায়ন, জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও অরণ্য ধ্বংস করার ফলে গ্রীন হাউস গ্যাসগুলোর (কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোঅক্সাইড (CO), মিথেন (CH4), ওজোন (O3), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) ইত্যাদি) পরিমাণ অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলে সূর্য থেকে যে পরিমাণ রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার সবটুকু প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যেতে পারে না। সূর্যরশ্মির কিছুটা অংশ বিকিরণের মাধ্যমে পৃথিবীতে ফিরে আসে এবং যার প্রভাবে পৃথিবীর উষ্ণতাও ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে থাকে এই ঘটনাটি গ্লোবাল ওয়ার্মিং নামে পরিচিত। বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে হিমবাহ ও মেরু অঞ্চলে বরফ গলে যাচ্ছে এবং তার ফলে মহাসাগরের জলের উচ্চতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিজ্ঞানীদের মতে বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাবে ভবিষ্যতে পৃথিবীর বিভিন্ন দ্বীপরাষ্ট্রগুলি জলের তলায় ডুবে যাবে।

5। জীবজগতে অ্যাসিড বৃষ্টির দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব মূল্যায়ন করো। (3)
উত্তর: i) বিশ্ব উষ্ণায়ন অ্যাসিড বৃষ্টির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। এর ফলে মাটিতে pH প্রায় 5.0 এর নিচে চলে যায়। ফলে আম্লিকতা বৃদ্ধি পায়। এই অতিরিক্ত অম্লতা মাটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সেই জন্য মাটি চাষের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। গাছপালার ক্ষতি হয়।
ii) জলাশয়ও আম্লিক হয়ে যায়। যা মাছ ও অন্যান্য জলজ জীবের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে জীব বৈচিত্র্য হ্রাস পায়।
iii) অ্যাসিড বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি ঐতিহাসিক স্মৃতিসৌধ, বাড়ি ইত্যাদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ মার্বেলে ক্যালসিয়াম কার্বনেট এর মাত্রা বেশি থাকে। বৃষ্টির জলের সাথে মিশে থাকা অ্যাসিড ক্যালসিয়ামের সাথে বিক্রিয়া করে জিপসাম তৈরি করে। এর ফলে স্মৃতিসৌধের মধ্যে ফুটো ফুটো হয়ে ক্ষয়ের সৃষ্টি হয় ও উজ্জ্বলতা হ্রাস পায়। CaCo3 + \(H_2SO_4 \leftrightarrow CaSO_4 + CO_2 + H_2O\)

আরো পড়ুন → বিশ শতকের ভারতে নারী, ছাত্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আন্দোলন অধ্যায়ের প্রশ্ন ও উত্তর আলোচনা

দীর্ঘভিত্তিক প্রশ্নউত্তর (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৫]

1। বায়ু দূষণের দুটি কারণ লেখো। মানুষের উপর শব্দ দূষণের প্রভাব লেখো।
উত্তর: বায়ু দূষণের দুটি কারণ-
প্রাকৃতিক কারণ – বায়ুমন্ডলে উপস্থিত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), কার্বন মনোক্সাইড (CO), মিথেন (CH4), ওজোন (O3), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFCs), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O) প্রভৃতি গ্যাস তাপের বিকিরণে বাধা দেয়। তার ফলে সূর্য থেকে যে তাপ পৃথিবীতে আসে তার সবটুকু ফিরে যেতে পারে না, তাই জন্য পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। এই ঘটনাটিকে গ্রীনহাউস এফেক্ট বলে এবং এই গ্যাসগুলি গ্রীনহাউস গ্যাস নামে পরিচিত। বায়ুমন্ডলে এই সমস্ত গ্যাসগুলোর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে গ্রীন হাউস এফেক্টের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং তার ফলে বায়ুদূষণ ঘটে।
মনুষ্য সৃষ্ট বা অ্যানথ্রোপোজেনিক বায়ুদূষণ: কলকারখানা, রান্নার জন্য ব্যবহৃত উনুন, যানবাহন ইত্যাদি থেকে নির্গত ধোঁয়া, গ্যাস ইত্যাদি গ্যাসীয় দূষক এবং অতিরিক্ত তাপ বায়ু দূষিত করে। তাছাড়া পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র, পারমাণবিক বিস্ফোরণ ইত্যাদি থেকে নির্গত বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ বায়ুদূষক রূপে কাজ করে। যেমন কার্বন 14।

মানুষের উপর শব্দ দূষণের প্রভাব :
i. অতিরিক্ত জোরালো শব্দের ফলে কানের পর্দার সামরিক ক্ষতি ও বধিরতা দেখা দিতে পারে। অতি উচ্চমাত্রার শব্দ শুনলে অন্তঃকর্ণের ককলিয়ায় শ্রবণ ক্ষমতা স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। একে অ্যাকাউষ্টিক ট্রমা বলে।
ii. দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত শব্দ যুক্ত স্থানে বসবাস করলে তাদের অন্তঃকর্ণের অর্গান অফ কর্টি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তার ফলে শ্রবণ ক্ষমতা হ্রাস পায়, একে নয়েস ইনডিউস্ড হিয়ারিং লস (NIHL) বলে। (Noise induced hearing loss)
vi. অতিরিক্ত মাত্রার শব্দ আমাদের হৃদপিন্ডের ক্ষতি করে। এরফলে স্নায়ুর উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায় এবং হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। এছাড়াও শব্দদূষণের ফলে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।
vii. অনবরত 60dB উপরে শব্দ শুনলে মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন হয় । এরফলে হৃৎপেশিতে রক্তসঞ্চালন আংশিকভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং পেশীর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।

আরো পড়ুন → নাইট্রোজেন চক্র অধ্যায়ের প্রশ্ন ও উত্তর

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


WBP-YT-Banner