কোনি প্রশ্ন উত্তর | Koni Question Answer | মাধ্যমিক বাংলা সহায়ক পাঠ

নিয়মিত প্রশ্ন উত্তরের আপডেট পাও নিজের মোবাইলে 👇

wb porashona.com whatsapp channel
Koni-question-answer
শ্রেণি – দশম | বিভাগ – বাংলা | অধ্যায় – কোনি (Koni Question Answer)

দশম শ্রেণির বাংলা বিভাগ থেকে মতি নন্দী রচিত কোনি উপন্যাস থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

রচনাধর্মী উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 5]

১। ‘আজ বারুণী’ – ‘বারুণী’ কী? বারুণীর দিনে গঙ্গার ঘাটের দৃশ্য কীরূপ ছিল বর্ণনা দাও। (১+৪)

উত্তর- মতি নন্দীর ‘কোনি’ উপন্যাসে কোনির সাঁতার ও শারীরিক দক্ষতার পরিচয় দিতে ‘বারুণী’ উৎসবের প্রসঙ্গ টেনেছেন। ‘বারুণী’ হল হিন্দুদের পালনীয় একটি পার্বন। চৈত্রমাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশীতে পুণ্য স্নান করে কাঁচা আম গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়ার রীতিই ‘বারুণী’ নামে পরিচিত।

পাঠ্য উপন্যাসের একদম প্রথমেই আমরা বারুণীর দিনে গঙ্গার ঘাটের দৃশ্যের বর্ণনা পাই। বারুণীর দিন বয়স্ক মানুষেরাই গঙ্গার ঘাটে বেশি ভিড় জমিয়েছিলেন। তাঁরা মাথার উপর কাঁচা আম ধরে ডুব দেন এবং উঠেই সেই আমাকে দূরে বিসর্জন দেন। আর সেই আম তোলার জন্য ছেলের দল সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে চলে কাড়াকাড়ি – মারামারি, কারণ সেই আম তারা বাজারে আরো কম দামে বিক্রি করে কিছু রোজগার করে। সেদিন ‘বারুণী’র সময় ভাঁটা থাকায় সকলকে কাদা মাড়িয়ে উঠতে হচ্ছিল, তাই তাদের চোখে-মুখে ছিল বিরক্তিকর ছাপ। ঘাটের উপরে ব্রাহ্মণেরা বসে ছিলেন যারা পয়সার বিনিময়ে পূণ্যার্থীদের জামা কাপড় জমা রাখছিলেন এবং স্নান শেষে কপালে চন্দনের নানা ছাপ এঁকে দিচ্ছিলেন। স্নান শেষে পূণ্যার্থীরা কেউ কেউ কাছে-দূরের ছোট দেবদেবীকে প্রণাম করে চলে যান, কেউ কেউ আবার ঘটিতে জল এনে শিবলিঙ্গের মাথায় জল ঢালছিলেন। ঘাটের পাশে বসে থাকা ভিখারিদের কেউ পয়সা দিচ্ছলেন কেউ আবার তাঁদের পাত্তা না দিয়ে চলেও যাচ্ছিলেন। অনেকে পথের দুধারের দোকানের জিনিসগুলো দেখতে দেখতে এবং অনেকে বাজার থেকে থোড়, ওল, কমলালেবু কিনে রোদে তেতে বেজার মুখে বাড়ির দিকে হাঁটা দিচ্ছিলেন।


মাধ্যমিকে নম্বর বাড়াবার সেরা উপায় ↓


২। ‘কম্পিটিশনে পড়লে মেয়েটা তো আমার পা ধোয়া জল খাবে।’ বক্তা কে? প্রসঙ্গ সহ বক্তার মানসিকতার পরিচয় দাও। (১+৪)

উত্তর- উদ্ধৃত উক্তির বক্তা বেঙ্গল চ্যাম্পিয়ন এবং অ্যাপোলো সাঁতার ক্লাবের নামী সাঁতারু অমিয়া। উক্ত ‘মেয়েটা’ হল কনকচাঁপা পাল ওরফে কোনি।

‘পা ধোয়া জল’ সাধারণত দক্ষ এবং অদক্ষ ব্যাক্তির তুলনা প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়, গুনি ব্যক্তির পা ধোয়া জল খেলে সেই ব্যক্তিও সমান দক্ষতা লাভ করতে পারবে – বক্রোক্তি করে এই রকম বলা হয়ে থাকে। সাঁতারের ময়দানে এর আরো একটি মর্মার্থ আছে; সাঁতারের ক্ষেত্রে বিজয়ী সাঁতারু যখন অন্য সব প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে এগিয়ে যায় তখন পিছনে পড়ে থাকা প্রতিযোগীরা রূপকঅর্থে সেই বিজয়ীর পায়ে লাগা জল খেতে বাধ্য হয়।

এখানে বক্তা অমিয়া একজন প্রশিক্ষিত চ্যাম্পিয়ন সাঁতারু। অপরদিকে ক্ষিতীশ সিংহ দ্বারা প্রশিক্ষিত কোনি একেবারেই একজন বস্তিবাসী সাধারণ সাঁতারু; তার কোন পূর্বপরিচিতি নেই। তাই ক্ষিতীশ সিং এবং কোনিকে বক্রোক্তি করার উদ্দেশ্যেই অমিয়া আলোচ্য উক্তিটি করেছিল। এই কথার মধ্যে দিয়ে বক্তার অহংকার এবং চরম ঔদ্ধত্য প্রকাশ পায়।


আরো পড়ো → সিরাজদ্দৌলা নাটকের প্রশ্ন উত্তর

৩। ‘তোর আসল লজ্জা জলে, আসল গর্বও জলে।’ – কে কার উদ্দেশ্যে, কোন প্রসঙ্গে এই কথাটি বলেছেন? কথাগুলোর তাৎপর্য লেখো। (২ + ৩)

উত্তর- এই উদ্ধৃতিটির বক্তা হলেন ক্ষিতীশ সিংহ। তিনি এটি কোনি অর্থাৎ কনকচাঁপা পালের উদ্দেশ্যে করেছিলেন।

কোনির দাদার মৃত্যুর পর ক্ষিতীশ তাকে তাদের দোকান ‘প্রজাপতি’-তে কাজে বহাল করেছিলেন। কোনির সাঁতারের ময়দানের প্রতিদ্বন্দ্বী অমিয়া প্রজাপতিতে ব্লাউজ করাতে আসে এবং সেখানে কোনিকে দেখে অপমান সূচক কথা বলে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লজ্জিত কোনি ক্ষিতীশের কাছে অনুরোধ করে যে তাকে যেন খাতা লেখার কাজ দেওয়া হয়। সেই সময় কোনির শিক্ষক ক্ষিতীশ কোনির উদ্দেশ্যে আলোচ্য উক্তিটি করেছিলেন।

সমাজে সে কি কাজ করছে তা আদৌ একজন সাতারুর পরিচয় হতে পারে না। সাঁতারুদের আসল লড়াই জলে। সেখানেই তাকে নিজের যোগ্যতার পরিচয় দিতে হয়। সকলকে পিছনে ফেলে আরো সঠিক নিয়ম মেনে সব থেকে কম সময়ে তাকে পৌঁছাতে হয় ফিনিসিং পয়েন্টে। যদি সে তা না পারে তবে সেটাই তার কাছে বিশাল পরাজয়। আর সেই পরাজয় তো লজ্জাই বটে। আর যদি সে পৌঁছতে পারে তাহলেই তো গর্ব। তাই একজন সাঁতারুর কাছে লজ্জা এবং গর্ব দুটোই জলের মধ্যে সাঁতারের ময়দানে। আলোচ্য অংশে ক্ষিতীশ এই ভাবনাই কোনির ভেতর সঞ্চালিত করতে চেয়েছেন।


আরো পড়ো → মাধ্যমিক ইতিহাস পঞ্চম অধ্যায়

৪। দারিদ্র্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে কোনির যে লড়াই তা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর – বাংলা কথা সাহিত্যের অন্যতম লেখক ও ক্রীড়া সাংবাদিক মতি নন্দী। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস কোনি। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হল কনকচাঁপা পাল ওরফে কোনি।

কোনির জীবনে দারিদ্র
কোনি অত্যন্ত এক দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা একটি মেয়ে। তার বাড়ি শ্যামপুকুরের ধারের বস্তিতে। কোনোদিন সে দুবেলা পেটভরে খেতে পায় না। অন্যদিকে দারিদ্র্যের আরও প্রবল ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার দাদার কাছ থেকে। তার বাবা প্যাকিং কারখানায় কাজ করতেন এবং পরে টিবি রোগে মারা যান। বাবা মারা যাওয়ার জন্য সংসারের অনটন আরও চরম আকার ধারণ করে। তাই নিরুপায় দাদা কোনির সব আহ্লাদ মেটাতে অপারগ।

ক্ষিতীশ সিং যখন কোনির বাড়িতে যান, সে তখন স্বচক্ষে দেখেন তাঁদের দৈন্যদশা, – একটা ঘর, পাঁচটা প্রাণী। খাবারের মধ্যে – “কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা, কাঁচা পেয়াজ, ফ্যান এবং সম্ভবত তার মধ্যে কিছু ভাত আছে আর তেঁতুল।

কোনির দারিদ্র্যের যন্ত্রণা তখনই সম্যক উপলব্ধি করা যায়, যখন লীলাবতী বলে, ‘বেরিয়ে যাও, তোমার আর দরকার নেই।’ এসব কথা শোনার পরও কোনি দরজার পাশে চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকে। সে জানে, কাজ থেকে বঞ্চিত হলে চল্লিশ টাকা থেকে সে বঞ্চিত হবে এবং পুরো সংসারটাই অভাবের তাড়নায় শেষ হয়ে যাবে।

কোনির জীবনে বঞ্চনা
শুধুমাত্র দারিদ্র্যতা হলেও কোনি হয়তো কাটিয়ে উঠতে পারতো কিন্তু এসবের পাশাপাশি বঞ্চনার অভিঘাতে তার জীবন আন্দোলিত হয়।

প্রথমেই সাঁতার দলে তার জায়গা নিয়ে বা তার ট্রেনিং নিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট সমেত অন্যান্যরা তার প্রতি বঞ্চনা করে। যদিও পরবর্তীকালে ক্ষিতীশ এবং কয়েকজন শুভানুধ্যায়ীর প্রচেষ্টায় সাঁতার দলে জায়গা পায়।

অন্যদিকে, তুলনামূলক ধনী ঘরের সাঁতারুরা কোনিকে নানা ভাবে অপদস্ত করে, তার প্রতি অমানবিক অত্যাচার করে। তাকে চোর বদনাম দেয়। কিন্তুসব কিছুকে উপেক্ষা করে সে শুধু বলে, – ‘আমি গরিব, আমাকে দেখতে খারাপ, লেখাপড়া জানি না, কত কথা শুনলাম।’

বাংলায় একটা কথা প্রচলিত আছে, ‘জেদ এবং সংযমই মানুষকে সাফল্যের শীর্ষে পৌছে দেয়’। গল্পের কেন্দ্রিয় চরিত্র কোনির মধ্যে তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিদ্যমান। জেদ ছিল বলেই এত অপমান, দারিদ্র্যতা, বঞ্চনাকে প্রতিহত করে কোনি শেষ পর্যন্ত বাংলাকে সোনা উপহার দেয়। বাংলাকে সাঁতারে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে স্থান করে দেয়। এভাবেই কোনির জীবনটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কঠোর লড়াইয়ের অদম্য উদাহরণ হয়ে থেকে যায়।


আরো পড়ো → বায়ুমণ্ডল প্রশ্ন উত্তর

৫। কোনি উপন্যাসে ক্ষিতীশ সিং চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।

উত্তর- কথাসাহিত্যিক, ক্রীড়াবিদ মতি নন্দীর বিখ্যাত উপন্যাস ‘কোনি’, উপন্যাসের এক গুরুত্বপূর্ণ উজ্জ্বল চরিত্র হলেন ক্ষিতীশ সিং। তিনি শুধুমাত্র একজন প্রশিক্ষক মাত্র নন, তিনি friend, philosopher and guide ও বটে। তাঁর চরিত্রের যে বিশেষ দিকগুলি লক্ষ্য করা যায় তা নিম্নে আলোচিত হল –

দৃষ্টিশক্তি প্রখরতা – উপন্যাসের প্রথমেই দেখা যায়, গঙ্গার ঘাটে কোনির প্রথম দেখেই তিনি বুঝেছিলেন যে, মেয়েটি সাঁতারে যদি যোগ্য ট্রেনিং পায় তাহলে সে বেঙ্গলকে ভালো জায়গায় স্থান করে দিতে পারবে। অবশ্য পরবর্তীকালে তাঁর সেই দূরদৃষ্টি অক্ষরে অক্ষরে ফলে যায়।

রসবোধ – গল্পের অন্যতম চরিত্র বিষ্টুচরণ ধরকে নিয়ে তাঁর বিভিন্ন মন্তব্যই প্রমাণ করে তাঁর মধ্যে রসবোধ যথেষ্টই ছিল। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় – ‘আপনার হার্টটা বোধ হয় বেশিদিন এই গন্ধমাদন টানতে পারবে না।’

পরোপকারী – ক্ষিতীশ সিং পরোপকারী উদারচেতা মানুষ। কোনির দারিদ্র্যের অবস্থা দেখে শুনে তাকে নিজের দোকানে কাজের সুযোগ দেন। পাশাপাশি কোনির দাদার অকাল মৃত্যুতে তাদের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্যের জন্যও সে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সৎ ও স্বাধীনচেতা – তিনি সৎ ও স্বাধীনচেতা ব্যাক্তি। অন্যায়ের সঙ্গে কোনোদিন আপোষ করেননি। দলবাজি তার ভালো লাগে না বলে তিনি চিরদিনের জন্য তার প্রিয় ক্লাব ছেড়ে চলে যান।

প্রতিবাদী ক্ষিতীশ – তাঁর চরিত্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য প্রতিবাদী সত্তা। অন্যায়ভাবে সাঁতার প্রতিযোগিতায় দু’বার ডিসকোয়ালিফায়েড ঘোষণা করলেও প্রথম হয়ে দ্বিতীয় স্থান দিলে ক্ষিতীশ সিং রাগ সামলাতে না পেরে বীরেনকে লাথি মারে। সে জলে পড়ে যায়।

প্রশিক্ষক ক্ষিতীশ – প্রশিক্ষক হিসাবে ক্ষিতীশ সিং সফল। কোনিকে বিভিন্ন ভাবে উদ্দীপ্ত করে তার মধ্যে বিজয়ীসত্তা জাগিয়ে তোলে। আবার, হরিচরণের সুপ্ত বাসনা সম্পর্কে তাকে পষ্ট করে বলে, – ‘ট্রেনারকে মনস্তাত্ত্বিক হতে হবে। কমনসেন্স প্রয়োগ করতে হবে। শিক্ষার্থীর মনমেজাজ বুঝে চলতে হবে।

সুতরাং সবমিলিয়ে ক্ষিতীশ সিং আলোচ্য উপন্যাসের একজন সার্থক চরিত্র।


পড়া মনে রাখার সেরা উপায়! ↓

WBP-to-the-point-banner-v1


৬। ‘কোনি’ উপন্যাস অবলম্বনে কোনি চরিত্রটি আলোচনা করো।

উত্তর- বাংলা সাহিত্যে কোনি একটি প্রবাদপ্রতিম চরিত্রের মর্যাদা পেয়েছে তার ওজস্বিতা, ধৈর্য্য এবং হার-না- মান দৃঢ়তায়। পায়ে পায়ে পথের পাথর সরিয়ে কোনি পৌছে গেছে সাফল্যের সিংহদ্বারে। জেদ, অনমনীয় মনোভাব একজন সাধারণ নিম্নবিত্ত বাড়ির মেয়েকে কীভাবে দেশের মানুষের কাছে পরিচিত করে তোলে সেই সংগ্রামের ইতিবৃত্ত ধরা আছে কোনি চরিত্রটি মধ্যে।

চারিত্রিক দৃঢ়তা – কোনি হতদরিদ্র ঘরের সাধারণ মেয়ে হলেও তার চারিত্রিক দৃঢ়তা ছিল উল্লেখ করার মতো। গঙ্গার ঘাটে আম কুড়ানোর সময় ঝগড়া করা বা হিয়া মিত্রের খারাপ ব্যবহার পেয়ে তার জল ফেলে দেওয়ার মধ্যে লুকিয়ে ছিল তার সহজাত চারিত্রিক দৃঢ়তা।

জেদ – প্রতিভাকে সাফল্যে রূপান্তরিত করতে যে জেদের প্রয়োজন হয় তা কোনির ছিল। একটা ‘Do or Die’ এর মনোভাব সবসময় কোনির ভেতর জাগরূক ছিল। এই জেদের কারণেই উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়ে হিয়াকে চড় মারতে তার এতটুকু অসুবিধা হয়নি।

ক্ষিতীশের সঙ্গে দেখা – কোনির জীবনে ক্ষিতীশের আবির্ভাব নাটকীয়। ক্ষিতীশ তার জীবনের ধ্রুবতারা। সে না এলে কোনির ভেতরের প্রতিভা নিজেই পুড়ে ছাই হয়ে যেত। ক্ষিতীশ কোনির কাঁচা লোহাকে ইস্পাতে পরিণত করেছে। ভবানী পাঠক যেভাবে প্রফুল্লকে গড়েপিটে দিয়েছিল, ক্ষিতীশের ভূমিকাও কোনির জীবনে সেরকম। অনুরূপে কোনিকে পেয়ে ক্ষিতীশের আজন্মলালিত স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে। বিবেকানন্দের জীবনে যেমন রামকৃষ্ণ, কোনির জীবনে তেমন ক্ষিতীশ।

প্রতিভা, অধ্যাবসায়, ধৈর্য্য যে সমস্ত গুণ থাকলে একজন প্রতিষ্ঠা পেতে পারে সেরকম সমস্ত গুনের অধিকারিণী ছিল কোনি। আজ যখন বাঙালি মেয়েরা ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে পারদর্শিতার পরিচয় দিচ্ছে তখন কোনির জীবন সংগ্রাম তাদের অশেষ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। লেখক সেভাবেই তার নায়িকাকে রক্তমাংসের চিন্ময়ীরূপে প্রতিষ্ঠা করেছেন।


আরো পড়ো → বংশগতি অধ্যায়ের  প্রশ্ন উত্তর

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

পড়া মনে রাখার সেরা উপায় 👇

WBP-to-the-point-banner-v1