প্রলয়োল্লাস প্রশ্ন উত্তর | Proloyollash Class 10 Question Answer | WBBSE Class 10 Bengali

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুখবর ↓

WBP-CT-Banner_offer
proloyollash-question-answer_Final
শ্রেণি – দশম | বিভাগ – বাংলা | অধ্যায় – প্রলয়োল্লাস (Proloyollash )

দশম শ্রেণির বাংলা বিভাগ থেকে প্রলয়োল্লাস কবিতা থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি মূল কোন্‌ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? (ক) সঞ্চিতা (খ) সাম্যবাদী (গ) অগ্নিবীণা (ঘ) ফণীমনসা
উত্তর- ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি (গ) অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

২। ‘প্রলয়োল্লাস’ শব্দের অর্থ – (ক) অট্টরোলের হট্টগোল (খ) ভয়ংকরের রূদ্ররূপ (গ) উদ্দাম আনন্দ (ঘ) ধ্বংসের আনন্দ
উত্তর- ‘প্রলয়োল্লাস’ শব্দের অর্থ হল (ঘ) ধ্বংসের আনন্দ ।

৩। ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর!’ – বাক্যটি কবিতায় ব্যবহৃত হয়েছে – (ক) ১৯ বার (খ) ২০ বার (গ) ১৭ বার (ঘ) ১৮ বার
উত্তর- ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর!’ – বাক্যটি কবিতায় (ক) ১৯ বার ব্যবহৃত হয়েছে।

৪। “সর্বনাশী জ্বালামুখী ধুমকেতু তার _______” – শূন্যস্থান পূরণ করো। (ক) পাখনা মেলে (খ) চামর ঢুলায় (গ) পুচ্ছ নাচায় (ঘ) চামর দোলায়
উত্তর- সর্বনাশী জ্বালামুখী ধুমকেতু তার (খ) চামর ঢুলায়।

৫। ‘দ্বাদশ রবির নয়নকটা বহ্নিজ্বালা’ – ‘দ্বাদশ রবি’ হল – (ক) শক্তিশালী নক্ষত্র (খ) বারোটি সুর্য (গ) দুপুরের সুর্য(ঘ) বিশেষ একটি নক্ষত্র
উত্তর- ‘দ্বাদশ রবির নয়নকটা বহ্নিজ্বালা’ – ‘দ্বাদশ রবি’ হল (খ) বারোটি সুর্য।


মাধ্যমিক পরীক্ষার ভীতি কাটাবার সেরা উপায় ↓


৬। ত্রস্ত জটায় দেখা যায় যে বর্ণ – (ক) পিঙ্গল (খ) হরিদ্রা (গ) লাল (ঘ) নীলাভ
উত্তর- ত্রস্ত জটায় দেখা যায় যে বর্ণ তা হল (ক) পিঙ্গল।

৭। ‘কপোল’ শব্দের অর্থ কী? (ক) গণ্ডদেশ (খ) কপাল (গ) চিবুক (ঘ) জগৎ
উত্তর- ‘কপোল’ শব্দের অর্থ হল (ক) গণ্ডদেশ।

৮। “তাহারি বিপুল বাহুর পর” – কী আছে? (ক) বিশ্বমায়ের আঁচল (খ) জ্বালামুখী ধূমকেতু (গ) বিশ্ব মায়ের আসন (ঘ) বজ্রশিখার মশাল
উত্তর- “তাহারি বিপুল বাহুর পর” – (গ) বিশ্ব মায়ের আসন আছে।

৯। ‘রক্ত – তড়িৎ চাবুক হানে’ – কে রক্ত- তড়িৎ চাবুক হানে? (ক) মহাকাল সারথি (খ) জ্বালামুখী ধূমকেতু (গ) দিগম্বরের জটা (ঘ) কালবৈশাখী ঝড়
উত্তর- ‘রক্ত – তড়িৎ চাবুক হানে’ – (ক) মহাকাল সারথি রক্ত- তড়িৎ চাবুক হানে।

১০। “দেবতা বাঁধা যজ্ঞ -যূপে” – এই দেবতা আসলে কে? (ক) পরমপিতা ব্রহ্মা (খ) দেশ নেতা (গ) দেবাদিদেব মহাদেব (ঘ) দেশ মাতৃকা
উত্তর- “দেবতা বাঁধা যজ্ঞ -যূপে” – এই দেবতা আসলে (ঘ) দেশ মাতৃকা।

প্রলয়োল্লাস কবিতার প্রশ্ন উত্তর আলোচনা দেখে নাও এই ভিডিও থেকে↓


১১। “এই তো রে তার আসার সময়” – কবি কীভাবে নিশ্চিত হয়েছেন? (ক) বজ্রধ্বনি শুনে (খ) অট্টহাস্য শুনে (গ) ঝড়ের শব্দ শুনে (ঘ) রথঘর্ঘর শুনে
উত্তর- “এই তো রে তার আসার সময়” – কবি (ঘ) রথঘর্ঘর শুনে নিশ্চিত হয়েছেন।

১২। “জগৎ জুড়ে _______ এবার ঘনিয়ে আসে” – শূন্যস্থান পূরণ করো। (ক) সর্বনাশ (খ) প্রলয় (গ) রাত্রি (ঘ) বিনাশ
উত্তর- “জগৎ জুড়ে (খ) প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে।”

১৩। “হাঁকে ওই…” – কী বলে হাঁকে? (ক) জয় নিরংকার (খ) জয় দিগম্বর (গ) জয় রুদ্রশংকর (ঘ) জয় প্রলয়ংকার
উত্তর- “হাঁকে ওই…” – (ঘ) জয় প্রলয়ংকার বলে হাঁকে।

১৪। “মাভৈঃ’ শব্দের অর্থ হল – (ক) রণে ভঙ্গ দেওয়া (খ) ভয় না পাওয়া (গ) উপেক্ষা করা (ঘ) ভীতসন্ত্রস্ত হওয়া
উত্তর- “মাভৈঃ’ শব্দের অর্থ হল – (খ) ভয় না পাওয়া।

১৫। ‘ঝামর তাহার কেশের দোলায়…’ – ‘ঝামর’ শব্দটির অর্থ কী? (ক) রুক্ষ (খ) ঝামার মতো বিবর্ণ (গ) ঝামাপাথর (ঘ) ঝাঁকড়া
উত্তর- ‘ঝামর তাহার কেশের দোলায়…’ – ‘ঝামর’ শব্দটির অর্থ (খ) ঝামার মতো বিবর্ণ।


আরো পড়ো → দশম শ্রেণির ইতিহাস চতুর্থ অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

একটি বাক্যে উত্তর দাও (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর!” – কবি কাদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন?
উত্তর – কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর প্রলোয়ল্লাস কবিতার পরাধীন ভারতের তরুণদের জয়ধ্বনি করতে বলেছেন।

২। কবি কালবৈশাখী ঝড়কে নূতনের কেতন বলেছেন কেন?
উত্তর – ‘কেতন’ শব্দের অর্থ ধ্বজা বা পতাকা, কালবৈশাখী ঝড় সমস্ত ধুলো – ময়লা দূর করে, জরা – জীর্ণ পাতা ঝড়ের দাপটে উড়িয়ে নতুনের আগমনের পথ প্রসস্থ করে। তাই কবি কালবৈশাখী ঝড়কে নূতনের কেতন বলেছেন।

৩। ‘সিন্ধুপারের সিংহদ্বার’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর – সিন্ধুপার অর্থে কবি মহাসাগরের অন্য প্রান্তের মহাদেশ ইউরোপের কথা এবং সিংহদ্বার বলতে বলতে বিশ্বের অন্যতম সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কেন্দ্র ইংল্যান্ডের রাজপ্রাসাদের কথা বলা হয়েছে।

৪। ‘মৃত্যুগহন অন্ধকূপে’ – ‘মৃত্যুগহন অন্ধকূপ’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর – মৃত্যুর পরের অবস্থা আমাদের অজানা, তাই কবি মৃত্যুকে কূপ বা কুয়োর অন্ধগহ্বরের সাথে তুলনা করেছেন।

৫। “হাঁকে ওই জয় প্রলয়ঙ্কর !” – এখানে কার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর – এখানে প্রলয়ের দেবতা মহাদেব বা তাঁর সত্ত্বার কথা বলা হয়েছে।

৬। “মাভৈঃ মাভৈঃ”- ‘মাভৈঃ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর – মাভৈঃ একটি অভয় সূচক বাণী, কবি ‘প্রলয়ল্লাস’ কবিতায় বলেছেন যে প্রলয় অবিস্মভাবি, কিন্তু প্রলয়ের রুদ্ররূপ দেখে আমরা যেন ভয় না পাই।

৭। “এবার মহানিশার শেষে” – মহানিশার শেষে কী ঘটবে বলে কবি আশা করেন?
উত্তর – মহানিশা বলতে রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর এবং তৃতীয় প্রহরের মাঝের সময় অর্থাৎ মধ্যরাত্রিকালকে বোঝানো হয়, কবি বিশ্বাস করেন যে মহানিশার শেষে ঊষা কালে সূর্যদয় হবে বা ভারত পরাধীনতা কালিমা ঘুচিয়ে স্বাধীন হবে।

৮। “ধ্বংস দেখে ভয় কেন তোর?” – কবি এ প্রশ্ন কাদের উদ্দেশে করেছেন? (মাধ্যমিক’২০)
উত্তর – কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘প্রলয়ল্লাস’ কবিতায় সরল ভারতবাসীর উদ্দেশ্যে আলোচ্য প্রশ্নটি করেছেন।

৯। “ওই আসে সুন্দর!” – সুন্দরের আগমন কীভাবে ঘটে?
উত্তর – কবি প্রলয়কে সুন্দরের সাথে তুলনা করেছেন, ধ্বংসরূপী প্রলয় পরাধীনতার গ্লানিকে পুড়িয়ে নতুনের আগমনের পথ প্রসস্থ করবে।


আরো পড়ো → ভারতের নদনদী প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

ব্যাখ্যা ভিত্তিক সংক্ষিপ্ত উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৩]

১। এবার মহানিশার শেষে/ আসবে ঊষা অরুন হেসে- মহানিশা কি? এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে কবি কিসের ইঙ্গিত দিয়েছেন? (পর্ষদ নির্বাচিত প্রশ্ন)
উত্তর -আলোচ্য মন্তব্যটি কবি নজরুল ইসলাম রচিত ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এই কবিতার ছত্রে ছত্রে কবি প্রাচীনত্বের ধ্বংসসাধন এবং নতুন সৃষ্টির কামনা করেছেন।

‘মহানিশা’ বলতে রাত্রি দ্বিতীয় প্রহর এবং তৃতীয় প্রহরের মাঝের সময় অর্থাৎ মধ্যরাত্রিকালকে বোঝানো হয়, এই সময় রাত্রি গভীরতম হয়। চারপাশ ডুবে যায় রাত্রির কালো অন্ধকারে। কবি এই নিকষ কালো অন্ধকার সময়টিকে ভারতের পরাধীনতার কালিমা হিসাবে ইঙ্গিত করেছেন। অন্ধকার যতই গাঢ় হোক না কেন, অন্ধকার কিন্তু চিরস্থায়ী হয়না। কালের নিয়ম মেনে আলোর উদয় হয়। সূর্য ওঠার আগের মুহূর্ত বা ভোরবেলাকে ঊষাকাল বলা হয়, এর কিছুপর অরুন অর্থাৎ সূর্যের উদয় হয়। সূর্যের তীব্র তেজে রাত্রির সকল অন্ধকার দূর হয়ে যায়। কবি স্বাধীনতাকে সকালের সাথে তুলনা করেছেন, কবি বিশ্বাস করেন যে ভারতের বুকেও সূর্যের উদয় হবে যার তীব্র তেজে পরাধীনতার সকল গ্লানি ধুয়ে যাবে।

২। ‘দিগম্বর জটায় হাসে শিশু-চাঁদের কর” – দিগম্বর বলতে কী বোঝায়? উদ্ধৃতাংশটির বক্তব্য বিষয় নিজের ভাষায় লেখো। (১+২)
উত্তর – দিগম্বর বলতে দেবাদিদেব মহাদেবকে বোঝানো হয়েছে। ‘দিগম্বর’ শব্দের অর্থ ‘দিক অম্বর’ যাহার, মহাদেব শিবের বস্ত্রসম্ভারের স্বল্পতার কারণে তাঁকে এই নামে সম্বোধন করা হয়েছে।

আমরা জানি শিবের জটায় পবিত্র চন্দ্রের অধিষ্ঠান। পুরাণ মতে তেজস্বিনী গঙ্গা যখন স্বর্গলোক থেকে পৃথিবী ধ্বংসের জন্য আসেন, তখন মহাদেব তা নিজ জটায় ধারণ করেন। এর অর্থ  মহাদেবের জটায় একাধারে ধ্বংস এবং চন্দ্রের আলোকোজ্জল পবিত্র স্নিগ্ধতা সহাবস্থান করে। আজ যখন নবযুগের বার্তায় পৃথিবী উল্লাসিত, প্রাচীন ধারণার অবসান আসন্ন, সেই সময় মানুষের মনের অবস্থা বোঝাতে কবি এই উপমা ব্যবহার করেছেন।


২০২৩ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আপডেট

 Buy Now – মাধ্যমিক ২০২৩ চ্যাপ্টার টেস্ট ই-বুক সিরিজ 

৩। “আসছে নবীন – জীবনহারা অ-সুন্দরে করতে করতে ছেদন!” – কোন্‌ কবিতার পঙ্‌ক্তি এটি? উদ্ধৃতিটির তাৎপর্য লেখো। (১+২)

উত্তর – আলোচ্য পঙ্‌ক্তিটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার অংশবিশেষ।

এই কবিতায় কবি প্রলয়ের ভয়ংকর অথচ সুন্দররূপ চিত্রিত করেছেন। এখানে ‘নবীন’ বলতে কবি দেশের তরুণদের কথা বলেছেন, সাম্যবাদী কবি নজরুল যে সময়ে এই কবিতাটি রচনা করেছেন, সেই সময়ে বিশ্বে রুশবিপ্লব সংগঠিত হয়েছে, সাম্যবাদী ভাবধারার ধাক্কায় একে একে প্রাচীন রাজতান্ত্রিক শক্তির পতন হচ্ছে। কবি চান পরাধীন ভারতে এই নবীনদের আগমন ঘটুক। যাহা সত্য তাহাই সুন্দর, তাই কবি চান পুরাতন, গতানুগতিক ভাবধারা যা কবির ভাষায় অসুন্দর তার বিনাশ ঘটুক নবীনের আগমনে।

৪। ‘ভাঙা-গড়া খেলা যে তার’ – কবি ‘ভাঙা- গড়া খেলা’ বলতে কী বুঝিয়েছেন? (৩)
উত্তর – আলোচ্য অংশটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার অংশবিশেষ।

কোনো কিছু সৃষ্টির জন্য ধ্বংসের প্রয়োজন, এটাই বিশ্বের নিয়ম। কবি যে সময়ে তাঁর এই প্রলয়োল্লাস কবিতাটি লিখেছেন, সেই সময় ভারতবর্ষ ছিল পরাধীন। সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজদের দ্বারা শাসিত হত আমাদের দেশ। সাম্যবাদী কবি স্বপ্ন দেখতেন যে একদিন এই পরাধীন দেশে স্বাধীনতা-সূর্য এর উদয় হবে। এই ভাবনা আরো বিস্তৃত হয় রুশ বিপ্লবের হাত ধরে। এই বিপ্লব বিশ্বের মূল সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মুলে কুঠারাঘাত করে, সকল পুরানো ধারণাকে জলাঞ্জলি দিয়ে বেঁচে থাকার শক্তি হিসাবে সাম্যবাদকে বেছে নেওয়া হয়। কবি বিশ্বাস করেন যে আমাদের দেশের তরুণদের হাত ধরে দেশে বিপ্লব আসবে, সেদিন সমস্ত প্রাচীন ধারণা ভেঙে দিয়ে নতুন ভাবে গড়ে উঠবে আমাদের দেশ।

৫। “ভয়াল তাহার নয়নকটায়” – এখানে তাহার বলতে কার কথা বোঝানো হয়েছে? ভয়াল শব্দের তাৎপর্য কি? (৩)
উত্তর -আলোচ্য অংশটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতার অংশবিশেষ। এখানে কবি প্রলয়রূপী নটরাজকে বুঝিয়েছেন।

কবি বলছেন – “দ্বাদশ রবির বহ্নিজ্বালা ভয়াল তাহার নয়নকটায়”। এই দ্বাদশ রবি আসলে পুরাণের অনুষঙ্গ। এই দ্বাদশ রবি হল – বিবস্বান, অর্যমান, পুষা, ত্বষ্টা, সবিদা, ভগ, ধাতা, বিধাতা, বরুণ, মিত্র, শত্রু, উরুক্রম। এই দ্বাদশ রবির তেজ মিশে আছে সেই ভয়ংকরের চোখে, হতাশাগ্রস্ত দেশের আকাশে সে তার উন্মত্ত জটায় ছড়িয়ে দিচ্ছে নতুনের তেজ। তার চোখের জলে সাতটি মহাসাগর দুলে উঠেছে। এই ভয়াল রূপ যেন বিশ্বপ্রকৃতিরই অনুরূপ। সর্বশক্তিমান প্রকৃতিও যেন এই পরাধীনতার বিরুদ্ধে জাগ্রত হয়েছে।


WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner