নাটোরের কথা – প্রশ্ন উত্তর | Natorer kotha – Question Answer | অষ্টম শ্রেণী | Bengali

নিয়মিত প্রশ্ন উত্তরের আপডেট পাও নিজের মোবাইলে 👇

wb porashona.com whatsapp channel
natorer-kotha-question-answer
শ্রেণি – অষ্টম | বিভাগ – বাংলা | অধ্যায় – নাটোরের কথা | Natorer kotha

এই পর্বে রইল অষ্টম শ্রেণির বাংলা গল্প – নাটোরের কথা – থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন কর (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

1। নাটোরে প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন গানটি পরিবেশন করেছিলেন?
উত্তর – নাটোরে প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সোনার বাংলা গানটি পরিবেশন করেছিলেন।

2। লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী, তখনকার নাটোরের মহারাজার নাম কি ছিল?
উত্তর – লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী, নাটোরের মহারাজার নাম ছিল জগদিন্দ্রনাথ।

3। সরাঘাট থেকে লেখক ও তাঁর সঙ্গীরা কোন নদীতে স্টিমার চড়েছিলেন?
উত্তর – সরাঘাট থেকে লেখক ও তাঁর সঙ্গীরা পদ্মা নদীতে স্টিমার চড়েছিলেন।


আরো পড়ো → ছন্নছাড়া কবিতার প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ২]

1। ‘নাটোর নেমন্তন্ন করলেন….’ – সেই নেমন্তন্নর তালিকায় কাদের নাম ছিল বলে লেখক স্মরণ করতে পেরেছেন?
উত্তর – আলোচ্য উক্তিটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটোরের কথা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।
লেখকের স্মরণে সেই নেমন্ততন্নর তালিকায় যারা ছিলেন তাঁরা হলেন, লেখকের পরিবারের দীপু দা, রবিকাকা, ন্যাশানাল কংগ্রেসের বড় বড় কর্তা যেমন ন পিসেমশাই জানকিনাথ ঘোষাল, ডব্লিউ. সি. বোনার্জি, মেজজ্যাঠামশাই লালমোহন ঘোষ, সুরেন্দ্র বাঁড়ুজ্জে প্রমুখ ব্যাক্তি।

2। ‘রওনা হলুম সবাই মিলে হৈ হৈ করতে করতে।’ – কোথায় রওনা হলেন? কিভাবেই বা রওনা হলেন?
উত্তর – আলোচ্য উক্তিটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটোরের কথা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। লেখকরা সকলে মিলে রওনা হলেন নাটোরের উদ্দেশ্যে।
মহারাজা নাটোর সকলের যাওয়ার জন্য দারুণ ব্যবস্থা করেছিলেন। স্পেশাল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই স্পেশাল ট্রেনে করে প্রথমে সবাই সরাঘাট পৌঁছলো, তারপর সেখান থেকে স্টিমারে করে পদ্মা পেড়িয়ে তাঁরা সকলে খুব আরামেই নাটোর পৌঁছলেন।

3। ‘নাটোরের খুব আগ্রহ’ – কোন প্রসঙ্গে তাঁর আগ্রহের কথা এখানে বলা হয়েছে?
উত্তর – আলোচ্য উক্তিটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটোরের কথা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। এখানে লেখক ছিলেন একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, নাটোরে গিয়ে তিনি গ্রামবাংলার বিভিন্ন ছবি এঁকেছিলেন। এই বিষয়টি দেখেই নাটোরের রাজারও আগ্রহ জন্মায়, তাই নাটোরের রাজা লেখককে সঙ্গে নিয়ে রাণী ভবানীর অন্দরমহলে নিয়ে গিয়েছিলেন, যাতে লেখক তাঁর ছবি আঁকার আরো রসদ পান।


আরো পড়ো → মেঘ বৃষ্টি অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৩]

1। ‘যেন ইন্দ্রপুরী।’ – কিসের সঙ্গে ‘ ইন্দ্রপুরী’র তুলনা করা হয়েছে? কেনই বা লেখক এমন তুলনা করেছেন?
উত্তর – আলোচ্য উক্তিটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটোরের কথা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। লেখক নাটোর রাজবাড়ির সাথে ইন্দ্রপুরীর তুলনা করেছেন।
নাটোর রাজার বাড়ি যখন লেখকেরা পৌঁছলেন তখন তাঁরা রীতিমত চমকে গেলেন সেখানকার সাজসজ্জা, ব্যবস্থা দেখে। দামি দামি ফুলদানি, ঝারলন্ঠন, তাকিয়া, কার্পেট দিয়ে সাজানো বিরাট বৈঠকখানা। এছাড়াও রয়েছে রাজ সমাদর, না চাইতেই হাতের কাছে সব কিছু তৈরি, দারুণ দারুণ খাবার থেকে প্রয়োজনীয় সবকিছু। এই কারণেই লেখক নাটোর রাজের অতিথি আপ্যায়ন থেকে গৃহসজ্জা সব কিছুর সাথে দেবরাজ ইন্দ্রের ইন্দ্রপুরীর তুলনা করেছেন।

2। স্টিমারে খাওয়া- দাওয়ার প্রসঙ্গ আলোচনায় লেখকের সরস মনের পরিচয় কিভাবে দেদীপ্যমান হয়ে উঠেছে তা বুঝিয়ে দাও।
উত্তর – অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটোরের কথা গল্পে লেখক সুন্দরভাবে তাদের নানা অভিজ্ঞতার কথা গল্পে তুলে ধরেছেন।
স্টিমারে করে পদ্মা পেরোনোর সময় লেখক ও তাঁর তরুণ সঙ্গীরা টেবিলের একদিকে বসেছিল এবং টেবিলের উল্টোদিকে বসেছিল বয়সে জ্যেষ্ঠরা। নানা রকম লোভনীয় খাবার তো আসতে লাগলো, কিন্তু ‘বয়রা’ প্রতিবারেই খাবার নিয়ে চলে যাচ্ছিল প্রথমে বড়দের দিকে। লেখক বড় বড় গুণী ব্যাক্তিত্বদের ‘চাঁই’ সম্বোধন করেছেন। আর সেই চাঁইদের মধ্যে ছিল একজন বড়সড় খাইয়ে লোক, সেই ব্যাক্তি যাই খাবার আসছিলো, সে সবই প্রায় একাই খেয়ে ফেলছিলেন। এই সমস্যার থেকে মুক্তি পেতে লেখকরা

3।’আগে থেকেই ঠিক ছিল’- আগে থেকে কি ঠিক থাকার কথা বলা হয়েছে? সেই উপলক্ষ্যে কোন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা পাঠ্যাংশে রয়েছে, তা আলোচনা কর।
উত্তর – আলোচ্য উক্তিটি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটোরের কথা গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। পাঠ্যাংশে আগে থেকেই ঠিক ছিল লেখকের রবিকাকা অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রস্তাব করবেন প্রভিন্সিয়াল কনফারেন্স বাংলায় করা হবে।
সেই মত প্রস্তাব পেশ হতই বড়রা সকলেই এই প্রস্তাব নাকচ করলেন এবং লেখকের মত তরুণরা এই প্রস্তাব সমর্থন করলেন। এমনকি রবি ঠাকুর ‘সোনার বাংলা’ গেয়ে কনফারেন্সের সূচনা করেন। এরপর জমে উঠল কনফারেন্স। যতই সবাই উঠে ইংরাজিতে বক্তৃতা দিতে যান ততই লেখক ও তরুণরা ‘বাংলা বাংলা’ করে রব তুলতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে সকলে বাংলায় বক্তৃতা দেন।
জয় হয় বাংলার।


আরো পড়ো → গাছের কথা গল্পের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

পড়া মনে রাখার সেরা উপায় 👇

WBP-to-the-point-banner-v1