পৃথিবীর অন্দরমহল – প্রশ্ন উত্তর | Prithibir ondormohol – Question Answer

মাধ্যমিকে পড়া বুঝে নম্বর পাবার সেরা উপায় 👇

jump-magazine-banner-ad
prithibir-ondormohol
শ্রেণি – অষ্টম | বিভাগ – ভূগোল | অধ্যায় – পৃথিবীর অন্দরমহল | prithibir ondormohol (Chapter -1)

এই পর্বে রইল অষ্টম শ্রেণির ভূগোল বিভাগের প্রথম অধ্যায় – পৃথিবীর অন্দরমহল – থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন কর (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

1। গুরুমণ্ডল ক্রোমিয়াম (Cr), লোহা (Fe), সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত হয় এর নাম –
(ক) নিফে (খ) সিয়াল (গ) ক্রাভেসিমা (ঘ) কোনটিই নয়

উত্তর- গুরুমণ্ডল ক্রোমিয়াম (Cr), লোহা (Fe), সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা গঠিত হয় এর নাম হল (গ) ক্রাভেসিমা।

2। ভূগর্ভে গ্যাস ও বাষ্প মিশ্রিত তরল পদার্থ হল –
(ক) লাভা (খ) ম্যাগমা (গ) পাইরোক্লাস্ট (ঘ) কোনটিই নয়

উত্তর- ভূগর্ভে গ্যাস ও বাষ্প মিশ্রিত তরল পদার্থ হল – (খ) ম্যাগমা।

3। মহাসাগরীয় ভূত্বক –
(ক) গ্রানাইট (খ) ব্যাসাল্ট (গ) বেলেপাথর (ঘ) স্লেট জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত।

উত্তর- মহাসাগরীয় ভূত্বক (খ) ব্যাসাল্ট জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত।

4। উষ্ণ প্রস্রবণের জল গরম হয় –
(ক) ভূতাপশক্তির জন্য (খ) সূর্যের আলো থেকে তাপ গ্রহণ করে
(গ) সরাসরি লাভার সংস্পর্শে (ঘ) কোনটিই নয়

উত্তর- উষ্ণ প্রস্রবণের জল গরম হয় – (ক) ভূতাপশক্তির জন্য।

5। মহাদেশীয় ভূত্বক –
(ক) গ্রানাইট (খ) ব্যাসাল্ট (গ) বেলেপাথর (ঘ) স্লেট জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত।

উত্তর- মহাদেশীয় ভূত্বক (খ) ব্যাসাল্ট জাতীয় শিলা দ্বারা গঠিত।

6। ভূত্বক ও গুরুমণ্ডলের মাঝে রয়েছে
(ক) গুটেনবার্গ (খ) মোহবিযুক্তিরেখা (গ) কনরাড বিযুক্তি (ঘ) কোনটিই নয়।

উত্তর- ভূত্বক ও গুরুমণ্ডলের মাঝে রয়েছে (খ) মোহবিযুক্তিরেখা।

7। পৃথিবীর সৃষ্টি হয় আনুমানিক
(ক) ৪০০ কোটি (খ) ৫০০ কোটি (গ) ৬০০ কোটি (ঘ) কোনটিই নয় বছর পূর্বে।

উত্তর- পৃথিবীর সৃষ্টি হয় আনুমানিক (খ) ৫০০ কোটি বছর পূর্বে।

8। ভূত্বক ও গুরুমণ্ডলের মাঝে রয়েছে
(ক) গুটেনবার্গ (খ) মোহবিযুক্তিরেখা (গ) কনরাড বিযুক্তি (ঘ) কোনটিই নয়।

উত্তর- ভূত্বক ও গুরুমণ্ডলের মাঝে রয়েছে (খ) মোহবিযুক্তিরেখা।

9। শিলামণ্ডলের গভীরতা প্রায় –
(ক) 60 কিমি (খ) 80 কিমি (গ) 100 কিমি (ঘ) 120 কিমি

উত্তর- শিলামণ্ডলের গভীরতা প্রায় (গ) 100 কিমি।

10। ভূগর্ভে গ্যাস ও বাষ্প মিশ্রিত তরল পদার্থকে –
(ক) লাভা (খ) ম্যাগমা (গ) পাইরোক্লাস্ট (ঘ) গ্রানাইট বলে।

উত্তর- ভূগর্ভে গ্যাস ও বাষ্প মিশ্রিত তরল পদার্থকে – (খ) ম্যাগমা বলে।

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

1। পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ কত?
উত্তর- পৃথিবীর গড় ব্যাসার্ধ 6370 কিমি।

2। পৃথিবীর কোন্‌ স্তরটি সবচেয়ে বেশি অংশ জুড়ে অবস্থান করেছে?
উত্তর- পৃথিবীর গুরুমণ্ডল স্তরটি সবচেয়ে বেশি অংশ জুড়ে অবস্থান করেছে।

3। গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডলের মাঝে কোন্‌ বিযুক্তিরেখা আছে?
উত্তর- গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডলের মাঝে গুটেনবার্গ বিযুক্তিরেখা আছে।

4। ক্রোফেসিমা ও নিফেসিমার মাঝে কোন বিযুক্তিরেখা আছে?
উত্তর- ক্রোফেসিমা ও নিফেসিমার মাঝে রেপিত্তি বিযুক্তিরেখা আছে।

5। ভূগর্ভে কী হারে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়?
উত্তর- প্রতি 33 মিটার গভীরতায় 1° সেলসিয়াসে উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়।

বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৩]

1। সিয়াল ও সিমা কাকে বলে?
উত্তর- পৃথিবীর উপরিভাগে ভূত্বকে সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) সমৃদ্ধ যে স্তরের ওপর মহাদেশগুলি অবস্থিত তাকে সিয়াল (SiAl) বলা হয় এবং মহাসাগরগুলির নীচে ভূত্বকে সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেশিয়াম (Mg) সমৃদ্ধ যে ভূত্বকের উপস্তর দেখা যায় তাকে সিমা (SiMa) বলে।

2। বিযুক্তিরেখা কাকে বলে?
উত্তর- ভূপৃষ্ট থেকে পৃথিবীর অভ্যন্তরে কেন্দ্র পর্যন্ত ভূমিকম্পের তরঙ্গের গতিবেগ পরিবর্তিত হয় তাই বিযুক্তিরেখা নামে পরিচিত।

3। টীকা লেখঃ ভূতাপশক্তি
উত্তর- পৃথিবীপৃষ্ট শীতল হয়ে গেলেও অভ্যন্তরভাগ এখনও অত্যন্ত উত্তপ্ত। এই ভূ-অভ্যন্তরে নিহিত তাপশক্তিই ভূতাপশক্তি নামে পরিচিত। এই শক্তি অপ্রচলিত শক্তিগুলির মধ্যে অন্যতম। এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে দূষণহীনভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। ইতালির লারডেয়াললোতে 1904 সালে সর্বপ্রথম ভূতাপশক্তি কেন্দ্র গড়ে ওঠে।
ভারতবর্ষের হিমাচল প্রদেশের মনিকরণে ভূতাপশক্তি কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে।

4। ম্যাগমা কী?
উত্তর- পৃথিবীপৃষ্ট জীবকূলের প্রাণধারণের অনুকূল ভারসাম্য উষ্ণতায় পৌছলেও পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ এখনও অত্যন্ত উত্তপ্ত। এই বিপুল চাপ ও তাপে পৃথিবীর অভ্যন্তরের সকল পদার্থ গলিত বা বাষ্পমিশ্রিত হয়ে অবস্থান করে। একেই ম্যাগমা বলে।

দীর্ঘ উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৫]

1। কেন্দ্রমণ্ডল কাকে বলে? কেন্দ্রমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য লেখো।
উত্তর- পৃথিবীর অন্তরভাগে গুরুমন্ডলেরও নীচে যে পৃথিবী কেন্দ্রকে পরিবেষ্টন করে যে উত্তপ্ত স্তর রয়েছে তাই কেন্দ্রমণ্ডল। এই কেন্দ্রমণ্ডল গুটেনবার্গ বিযুক্তি রেখা দ্বারা গুরুমন্ডল থেকে পৃথক হয়েছে। এই কেন্দ্রমন্ডল আবার দুটি ভাগে বিভক্ত-
• বহিঃকেন্দ্রমন্ডল- যা মূলত 2900 কিমি থেকে 5100 কিমি গভীরতা পর্যন্ত বিস্তৃত।
• অন্তঃকেন্দ্রমন্ডল- এটি মূলত 5100 কিমি থেকে 6370 কিমি গভীরতা পর্যন্ত বিস্তৃত।

কেন্দ্রমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য

• কেন্দ্রমণ্ডল শুরু হয়েছে গুরুমন্ডলের ঠিক নীচ থেকে অর্থাৎ এর বিস্তার 2900 কিমি – 6370 কিমি পর্যন্ত। এই স্তরটি 3470 কিমি পুরু।
• এই স্তরের গড় উষ্ণতা 5000°C
• এই স্তরটিতে নিকেল (Ni) এবং লোহার (Fe) আধিক্য দেখা যায়, তাই এই স্তরটি নিফে (NiFe) নামেও পরিচিত।
• পৃথিবীতে উপস্থিত অন্যান্য সব স্তরের মধ্যে এই স্তরটির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।


WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner