ধীবর বৃত্তান্ত প্রশ্ন উত্তর | Dhibar Brittanto Question Answer | WBBSE Class 9

নিয়মিত প্রশ্ন উত্তরের আপডেট পাও নিজের মোবাইলে 👇

wb porashona.com whatsapp channel
dhibar-brittanto-question-answer
শ্রেণি – নবম | বিভাগ – বাংলা | অধ্যায় – ধীবর বৃত্তান্ত (Dhibar Brittanto)

এই পর্বে রইল নবম শ্রেণির বাংলা বিভাগের ধীবর বৃত্তান্ত গল্প থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। ধীবর বৃত্তান্ত নামক নাট্যাংশটি নেওয়া হয়েছে মহাকবি কালিদাসের যে রচনা থেকে – (ক) রঘুবংশম (খ) কুমারসম্ভবম (গ) অভিজ্ঞান শকুন্তলম (ঘ) মেঘদূতম
উত্তর- ধীবর বৃত্তান্ত নামক নাট্যাংশটি নেওয়া হয়েছে মহাকবি কালিদাসের (গ) অভিজ্ঞান শকুন্তলম রচনা থেকে।

২। “প্রভু, অনুগৃহীত হলাম।” – ধীবরের অনুগৃহীত হওয়ার কারণ – (ক) রাজা তাকে মুক্তি দিয়েছেন (খ) তার চোর অপবাদ ঘুচছে (গ) রাজা খুশি হয়ে আংটির মূল্যের সমান পরিমাণ অর্থ তাকে উপহার পাঠিয়েছে। (ঘ) রাজা তার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছেন
উত্তর- “প্রভু, অনুগৃহীত হলাম।” – ধীবরের অনুগৃহীত হওয়ার কারণ- (গ) রাজা খুশি হয়ে আংটির মূল্যের সমান পরিমাণ অর্থ তাকে উপহার পাঠিয়েছে।

৩। “ঘটনাক্রমে সেই আংটি পেল এক ধীবর…” – আংটি ছিল – (ক) মহর্ষি কণ্বের (খ) রাজশ্যালকর (গ) শকুন্তলার (ঘ) প্রিয়ংবদার
উত্তর- “ঘটনাক্রমে সেই আংটি পেল এক ধীবর…” – আংটি ছিল – (গ) শকুন্তলার।

৪। “আমাদের প্রভুর দেখি খুব বিলম্ব হচ্ছে।” – ‘প্রভু’ বলতে বক্তা বুঝিয়েছেন – (ক) মহারাজকে (খ) রাজশ্যালককে (গ) মহাপাত্রকে (ঘ) প্রধান প্রহরীকে
উত্তর- “আমাদের প্রভুর দেখি খুব বিলম্ব হচ্ছে।” – ‘প্রভু’ বলতে বক্তা বুঝিয়েছেন –(খ) রাজশ্যালককে।

৫। শকুন্তলার হাতের আংটি খুলে পড়ে গিয়েছিল – (ক) শচীতীর্থে (খ) শচীতীর্থে স্নানের পর অঞ্জলি দেওয়ার সময় (গ) নদীতে নৌকা ভ্রমণের সময় (ঘ) নদীতে সখীদের সঙ্গে জলকেলি করার সময়
উত্তর- শকুন্তলার হাতের আংটি খুলে পড়ে গিয়েছিল – (খ) শচীতীর্থে স্নানের পর অঞ্জলি দেওয়ার সময়।

৬। “আমি একজন জেলে, _________ আমি থাকি।” –শূন্যস্থানে বসবে – (ক) পাটলিপুত্র (খ) শক্রাবতারে (গ) কলিঙ্গদেশে (ঘ) প্রয়াগে
উত্তর- “আমি একজন জেলে, খ) শক্রাবতারে আমি থাকি।”।

৭। শকুন্তলাকে অভিশাপ দিয়েছিলেন – (ক) দুর্বাসা (খ) বিশ্বামিত্র (গ) কণ্ব (ঘ) অত্রি
উত্তর- শকুন্তলাকে অভিশাপ দিয়েছিলেন- ক) দুর্বাসা।

৮। শকুন্তলাকে পতিগৃহে পাঠানোর আয়োজন করলেন- (ক) দুর্বাসা (খ) কণ্ব (গ) প্রিয়ংবদা (ঘ) দুষ্মন্ত
উত্তর – শকুন্তলাকে পতিগৃহে পাঠানোর আয়োজন করলেন – (খ) কণ্ব

৯। তা তোর জীবিকা বেশ পবিত্র বলতে হয় দেখছি- উদ্ধৃতাংশের বক্তা হলেন – (ক) জানুক (খ) সূচক (গ) রাজশ্যালক (ঘ) রাজা
উত্তর- তা তোর জীবিকা বেশ পবিত্র বলতে হয় দেখছি- উদ্ধৃতাংশের বক্তা হলেন- (গ) রাজশ্যালক

১০। “বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ স্বভাবে দয়াপরায়ণ হলেও যজ্ঞীয় পশুবধের সময় নির্দয় হয়ে থাকেন।” – এ কথা বলেছেন- (ক) শ্যালক (খ) সূচক (গ) পুরুষ (ঘ) প্রথম রক্ষী
উত্তর- “বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ স্বভাবে দয়াপরায়ণ হলেও যজ্ঞীয় পশুবধের সময় নির্দয় হয়ে থাকেন।” – এ কথা বলেছেন- (গ) পুরুষ।

১১। রাজশ্যালক ধীবরকে ছেড়ে দেওয়ার কথা কাকে নির্দেশ করে বলেছিল? (ক) জানুককে (খ) সূচককে (গ) দুই রক্ষীকে (ঘ)এদের কাউকেই নয়
উত্তর- রাজশ্যালক ধীবরকে ছেড়ে দেওয়ার কথা (খ) সূচককে নির্দেশ করে বলেছিল।

১২। আংটি দেখে মহারাজের মনে পড়েছিল- (ক) নিজের ছোটবেলার স্মৃতি (খ) প্রিয়জনের কথা (গ) রাজ্যাভিষেকের স্মৃতি (ঘ) যুদ্ধজয়ের স্মৃতি
উত্তর- আংটি দেখে মহারাজের মনে পড়েছিল- (খ) প্রিয়জনের কথা

১৩। জেলে পারিতোষিকের অর্ধেক অর্থ দিয়েছিল- (ক) আংটির দাম হিসেবে (খ) জালের দাম হিসেবে (গ) মাছের দাম হিসেবে (ঘ) ফুলের দাম হিসেবে
উত্তর- জেলে পারিতোষিকের অর্ধেক অর্থ দিয়েছিল- (ঘ) ফুলের দাম হিসেবে

১৪। ধীবরকে বন্ধু বলে মেনে নিলেন- (ক) জানুক (খ) রাজা (গ) রাজশ্যালক (ঘ) গ্রামরক্ষী
উত্তর- ধীবরকে বন্ধু বলে মেনে নিলেন- (গ) রাজশ্যালক

১৫। দুই রক্ষীর নাম ছিল – (ক) জানুক – সূচক (খ) জয় – বিজয় (গ) শুম্ভ – নিশুম্ভ (ঘ) অমল – বিমল
উত্তর- দুই রক্ষীর নাম ছিল – (ক) জানুক – সূচক


আরো পড়ো → ইতিহাস তৃতীয় অধ্যায় প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। প্রিয়ংবদার অনুরোধে ঋষি দুর্বাসা কী বলেছিলেন?
উত্তর- ঋষি দুর্বাসা বলেছিলেন যে, প্রিয়জন শকুন্তলাকে ভুলে গেলেও কোনো স্মৃতিচিহ্ন দেখালে এই অভিশাপ দূর হবে।

২। দুষ্মন্ত প্রদত্ত আংটিটি শকুন্তলা কীভাবে হারিয়ে ফেলেছিলেন?
উত্তর- শচীতীর্থে স্নানের পরে অঞ্জলি দেওয়ার সময়ে হাত থেকে খুলে জলে পড়ে গিয়ে শকুন্তলার আংটিটি হারিয়ে যায়।

৩। ‘এ অবশ্যই গোসাপ-খাওয়া জেলে হবে’। – শ্যালক এ সন্দেহ করেছিল কেন?
উত্তর- ধীবরের গা থেকে কাঁচা মাংসের গন্ধ আসছিল বলে রাজার শ্যালক এরকম সন্দেহ করেছিলেন।

৪। ‘আপনারা অনুগ্রহ করে শুনুন’। – কোন কথা বক্তা শোনাতে চেয়েছে?
উত্তর- ধীবর বৃত্তান্ত নাট্যাংশে আলোচ্য উক্তিটির বক্তা ধীবর নগররক্ষীদের কাছে নিজের পরিচয় এবং কীভাবে সে রাজার আংটিটি পেয়েছে সে কথা শোনাতে চেয়েছে।

৫। ধীবরের কথামতো বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ কখন নির্দয় হয়ে থাকেন?
উত্তর- ধীবরের কথামতো বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ যজ্ঞীয় পশুবধের সময় নির্দয় হয়ে থাকেন।

৬। জেলে তার পারিতোষিকের অর্ধেক অর্থ কী করতে চেয়েছিল?
উত্তর – রক্ষীরা ধীবরকে মারার আগে যে ফুলের মালা তার গলায় পরাতে চেয়েছিল, রাজার দেওয়া পারিতোষিকের অর্ধেক অর্থ সেই ফুলের দাম হিসেবে ধীবর দিতে চেয়েছিল।

৭। “প্রভু, অনুগৃহীত হলাম।” –কীভাবে বক্তা অনুগৃহীত হয়েছিল?
উত্তর- মহারাজ আংটি ফিরে পেয়ে তার মুল্যের সমপরিমাণ অর্থ ধীবরকে দেওয়ায় সে অনুগৃহীত হয়েছিল।

৮। “মহারাজ এ সংবাদ শুনে খুব খুশি হবেন।” – কোন সংবাদ শুনে মহারাজের খুশি হওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর- ধীবরের কাছ থেকে মহারাজের আংটি উদ্ধার করার কথা শুনে মহারাজা দুষ্মন্ত খুশি হবেন বলে রক্ষীরা এই মন্তব্য করেছে।

৯। ‘চলরে গাঁটকাটা’ – তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর – গাঁটকাটা অর্থাৎ ধীবরকে রাজবাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

১০। ধীবরকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ শুনে দ্বিতীয় রক্ষীর আচরণ কেমন ছিল?
উত্তর – ধীবরকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ শুনে দ্বিতীয় রক্ষী হিংসাভরা বক্রোক্তি করেছিল।


আরো পড়ো → পৃথিবীপৃষ্টে কোন স্থানের অবস্থান নির্ণয় প্রশ্ন উত্তর

সংক্ষিপ্ত উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৩]

১। “যার চিন্তায় সে মগ্ন, সেই ব্যক্তি শকুন্তলাকে ভুলে যাবেন”- বক্তা কে? তাঁর এমন উক্তির কারণ কী? (১+২)
উত্তর – আলোচ্য উক্তিটির বক্তা ঋষি দুর্বাসা।

আলোচ্য উক্তিটি ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। নাট্যাংশের পূর্বকথা থেকে আমরা জানতে পারি যে, রাজা দুষ্মন্ত কণ্ব ঋষির আশ্রমে, শকুন্তলাকে বিবাহ করেন এবং রাজধানীতে ফিরে যান। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও রাজা দুষ্মন্ত ফিরে আসেন না। একদিন শকুন্তলা স্বামীর দুশ্চিন্তায় মগ্ন ছিলেন, সেই সময় ঋষি দুর্বাসা, কণ্ব মুনির আশ্রমে উপস্থিত হন। যথাযথ আপ্যায়ন না পেয়ে অপমানিত ঋষি দুর্বাসা শকুন্তলাকে অভিশাপ দেন যে, শকুন্তলা যার চিন্তায় মগ্ন, সেই ব্যাক্তি শকুন্তলাকে ভুলে যাবেন।

২। “তবে কি তোকে সদ ব্রাহ্মন বিবেচনা করে রাজা এটা দান করেছেন?”- বক্তা কে? মন্তব্যটির কারণ ব্যাখ্যা করো। (১+২)
উত্তর – আলোচ্য মন্তব্যটি ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশের অন্তর্গত, মন্তব্যটির বক্তা দুই রক্ষীর মধ্যে একজনের।

নাট্যাংশে আমরা জানতে পারি যে, রাজার নাম খদাই করা, মণিখচিত একটি দুর্মূল্য আংটি, একজন গরীব – সাধারণ ব্যাক্তির কাছে দেখে নগর রক্ষায় নিযুক্ত রাজ-শ্যালক এবং দুই রক্ষী ঐ জনৈক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। ব্যাক্তিটি বারংবার বলে যে সে ঐ আংটি চুরি করেনি। ব্যাক্তির বক্তব্য শুনে, রাজ রক্ষীদের একজন ব্যাঙ্গার্থে ব্যাক্তিটিকে আলোচ্য মন্তব্যটি করেন।

৩। “… তা তোর জীবিকা বেশ পবিত্র বলতে হয় দেখেছি”- বক্তা কাকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছেন? ওই ব্যাক্তির প্রতিক্রিয়া কী ছিল? (১+২)
উত্তর – আলোচ্য মন্তব্যটি ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশের অন্তর্গত, মন্তব্যটি রাজ-শ্যালক ধীবর সম্পর্কে করেছেন।

রাজ – শ্যালক ধীবরের জীবিকা নিয়ে ব্যাঙ্গ করেছিলেন। সেই বক্ত্যব্যের বিরোধিতা করে ধীবর বলেছিলেন – “যে বৃত্তি নিয়ে যে মানুষ জন্মেছে, সেই বৃত্তি হলেও তা পরিত্যাগ করা উচিৎ নয়। বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ স্বভাবে দয়াপরায়ণ হলেও যজ্ঞীয় পশুবধের সময় নির্দয় হয়ে থাকেন।” ধীবর তার বক্ত্যব্যের মাধ্যমে বোঝেতে চেয়েছিলেন যে, তার জীবিকা নিম্নমানের হলেও তা দেখে ব্যাক্তি যাচাই করা উচিৎ নয়। কারণ, বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণের তাঁর স্বভাবে দয়ালু হলেও যজ্ঞের সময় তিনি নির্দয় ভাবে পশুবধ করেন।

৪। “সূচক এই জেলেকে ছেড়ে দাও।”- কে কথাটি বলেছেন? জেলেকে ছেড়ে দেওয়া হল কেন? (১+২)
উত্তর – ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশের চরিত্র ‘রাজ-শ্যালক’, দুই রক্ষীর অন্যতম এক রক্ষী সূচককে এই কথা বলেছেন।

ধীবরের কাছে মহামুল্যবান আংটি দেখে নগররক্ষক ‘রাজ-শ্যালক’ ধীবরকে গ্রেফতার করেন। ঐ আংটির বিষয়ে জানার জন্য তিনি রাজার কাছে যান। ঋষি দুর্বাসার অভিশাপ অনুযায়ী, ‘নিদর্শন’ দেখে রাজার পূর্বকথা মনে পড়ে যায় এবং তিনি রাজশ্যালককে ঐ আংটির বিষয়ে বলেন এবং ধীবরকে পুরস্কৃত করার আদেশ দেন। রাজসভা থেকে ফিরে এসে ‘রাজ-শ্যালক’ ধীবরের কোন অপরাধ নেই তা বুঝে তাকে ছেড়ে দেবার নির্দেশ দেয়।

৫। “স্বভাবত গম্ভীর প্রকৃতির হলেও মুহূর্তের জন্য রাজা বিহ্বলভাবে চেয়ে রইলেন।” – রাজা তার গম্ভীর প্রকৃতি ছেড়ে কখন, কেন মুহূর্তের জন্য বিহ্বল হয়েছিলেন? (১+২)
উত্তর – আলোচ্য মন্তব্যটি ‘ধীবর বৃত্তান্ত’ নাট্যাংশ থেকে নেওয়া হয়েছে, রাজ-শ্যালক যখন রাজা দুষ্মন্তকে তাঁর আংটি দেখিয়েছিলেন তখন গম্ভীর প্রকৃতির রাজা কিছু মুহূর্তের জন্য বিহ্বলভাবে চেয়েছিলেন।

নাট্যাংশের পূর্বকথা থেকে আমরা জানতে পারি যে ঋষি দুর্বাসার অভিশাপে রাজা দুষ্মন্ত তাঁর বিবাহিত স্ত্রী শকুন্তলাকে ভুলে গিয়েছিলেন। ঋষির কথামত রাজার পূর্ব স্মৃতি মনে পড়ার একমাত্র উপায় ছিল পূর্বের কোন নিদর্শন দেখা। রাজা শকুন্তলাকে একটি আংটি দিয়েছিলেন, যা দেখানোর জন্য শকুন্তলা রাজার কাছে যান। কিন্তু পথে সেই আংটি হারিয়ে যায় এবং কালক্রমে ঐ আংটি ধীবরের কাছে পৌঁছায়। ধীবরের কাছ থেকে নিয়ে ঐ আংটিটি রাজ-শ্যালক রাজাকে দেখান, এর ফলে রাজার সকল পূর্ব স্মৃতি মনে পড়ে যায়, যার ফলে তিনি কিছু সময়ের জন্য বিহ্বল হয়েছিলেন।


আরো পড়ো → ব্যোমযাত্রীর ডাইরি গল্পের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

পড়া মনে রাখার সেরা উপায় 👇

WBP-to-the-point-banner-v1