পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় – প্রশ্ন উত্তর | Prithibi Pristthe Kono Sthaner Obosthan Nirnoy – Question Answer

মাধ্যমিক পরীক্ষার ভীতি কাটাবার সেরা উপায়!↓

madhyamik-chapter-test
prithibipristthe-kono-sthaner-obosthan-nirnoy
শ্রেণি – নবম | বিভাগ – ভূগোল | অধ্যায় – পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় | prithibi pristthe kono sthaner obosthan nirnoy (Chapter 3)

এই পর্বে রইল নবম শ্রেণির ভূগোল বিভাগের প্রথম অধ্যায় – প্রাকৃতিক ভূগোল – থেকে পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় সংক্রান্ত সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন কর (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

1। পৃথিবীর মাঝবরাবর পূর্ব – পশ্চিমে বিস্তৃত 0° কাল্পনিক রেখাটির নাম হল-
(a) মূলমধ্যরেখা (b) কর্কটক্রান্তি রেখা ( c) মকরক্রান্তি রেখা (d) নিরক্ষরেখা

উত্তর- পৃথিবীর মাঝবরাবর পূর্ব – পশ্চিমে বিস্তৃত 0° কাল্পনিক রেখাটির নাম হল- (d) নিরক্ষরেখা।

2। কোনো একটি স্থান এবং তার প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য –
(a) 6 ঘণ্টা (b) 12 ঘণ্টা ( c) 24 ঘণ্টা (d) 30 ঘণ্টা

উত্তর- কোনো একটি স্থান এবং তার প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য – (b) 12 ঘণ্টা।

3। দ্রাঘিমারেখাগুলির আকৃতি –
(a) বৃত্তাকার (b) অর্ধবৃত্তাকার ( c) আয়তাকার (d) সরলরৈখিক

উত্তর- দ্রাঘিমারেখাগুলির আকৃতি – (b) অর্ধবৃত্তাকার।

4। বিষুবরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ হল-
(a) 0° (b) 90° ( c) 60° (d) 45°

উত্তর- বিষুবরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ হল – (a) 0°.

5। ভূপৃষ্ঠের মাঝবরাবর উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত কাল্পনিক অক্ষরেখাটি হল-
(a) কর্কটক্রান্তি রেখা (b) মূলমধ্যরেখা ( c) নিরক্ষরেখা (d) মকরক্রান্তি রেখা

উত্তর- ভূপৃষ্ঠের মাঝবরাবর উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত কাল্পনিক অক্ষরেখাটি হল- (b) মূলমধ্যরেখা।

6। দিন ও রাত্রির মধ্যে উষ্ণতার প্রসর সর্বাপেক্ষা কম যে অক্ষরেখা বরাবর, তা হল-
(a) নিরক্ষরেখা (b) কর্কটক্রান্তি রেখা ( c) মকরক্রান্তি রেখা (d) মেরুবৃত্ত রেখা

উত্তর- দিন ও রাত্রির মধ্যে উষ্ণতার প্রসর সর্বাপেক্ষা কম যে অক্ষরেখা বরাবর, তা হল- (a) নিরক্ষরেখা।

7। কলকাতার অক্ষাংশ হল –
(a) 22°34´22´´ উত্তর (b) 23°30´30´´ উত্তর ( c) 22°34´22´´ দক্ষিণ (d) 23°30´30´´ দক্ষিণ

উত্তর- কলকাতার অক্ষাংশ হল – (a) 22°34´22´´ উত্তর।

8। অক্ষরেখার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল-
(a) সর্বোচ্চ অক্ষরেখার মান 0° (b) প্রতিটি অক্ষরেখা মহাবৃত্ত ( c) অক্ষরেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল (d) প্রতিটি অক্ষরেখার পরিধি সমান

উত্তর- অক্ষরেখার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল – ( c) অক্ষরেখাগুলি পরস্পরের সমান্তরাল।

9। 1° অন্তর পৃথিবীতে মোট অক্ষরেখার সংখ্যা –
(a) 178 (b) 179 ( c) 180 (d) 181 টি

উত্তর- 1° অন্তর পৃথিবীতে মোট অক্ষরেখার সংখ্যা – (a) 178.

10। পশ্চিম গোলার্ধ থেকে পূর্ব গোলার্ধে যেতে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা অতিক্রম করলে দিন-
(a) কমে (b) বাড়ে ( c) একই থাকে (d) দ্বিগুণ হয়

উত্তর- পশ্চিম গোলার্ধ থেকে পূর্ব গোলার্ধে যেতে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা অতিক্রম করলে দিন- (b) বাড়ে।

আরো পড় → চিঠি প্রবন্ধের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

1। দ্রাঘিমারেখাগুলি নিরক্ষরেখাকে কত ডিগ্রি কোণে ছেদ করে?
উত্তর- দ্রাঘিমারেখাগুলি নিরক্ষরেখাকে 90° কোণে ছেদ করেছে।

2। মূলমধ্যরেখার ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত দ্রাঘিমারেখার মান কত?
উত্তর- মূলমধ্যরেখার ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত দ্রাঘিমারেখার মান হল 180°।

3। মূলমধ্যরেখার ডানদিকের অংশটি কোন গোলার্ধে অবস্থিত?
উত্তর- মূলমধ্যরেখার ডানদিকের অংশটি পূর্ব গোলার্ধ।

4। বিষুবরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ কত?
উত্তর- বিষুবরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ হল 0°।

5। কলকাতার দ্রাঘিমা কত?
উত্তর- কলকাতার দ্রাঘিমা হল 88°30´ পূর্ব।

আরো পড় → জীবন ও তার বৈচিত্র্য প্রশ্ন ও উত্তর

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ২]

1। ভৌগলিক জালক কাকে বলে?
উত্তর- মানচিত্রে কোন স্থানের অবস্থান নির্ণয়ের জন্য জন্য অসংখ্য অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা দিয়ে ভূ-জালক তৈরি করা হয় ও ভূপৃষ্ঠে অবস্থিত যেকোন স্থানের অবস্থান নির্ণয় করা হয়। সমতল কাগজে অঙ্কিত মানচিত্রের অক্ষরেখাগুলো সমান্তরালভাবে পূর্বপশ্চিমে বিস্তৃত থাকে, দ্রাঘিমারেখাগুলো সুমেরু ও কুমেরু বিন্দুতে পরস্পর মিলিত না হয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত হয়।

2। অক্ষাংশ কাকে বলে?
উত্তর- পৃথিবীপৃষ্ঠে কোন স্থান, নিরক্ষরেখা থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত কল্পিত সরলরেখার সঙ্গে যে কোণ তৈরি করে, তাই হলই স্থানের অক্ষাংশ। নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোন স্থান এবং নিরক্ষীয় তলের কৌণিক দূরত্বকে সেই স্থানের অক্ষাংশ বলে।

3। সময় অঞ্চল কাকে বলে?
উত্তর- সময় অঞ্চল হল পৃথিবীর উপরের এক একটি নির্দিষ্ট এলাকা যেখানকার অন্তর্ভুক্ত অঞ্চলের স্থানীয় সময় একই। প্রতি 15° দ্রাঘিমার পার্থক্যে পাশাপাশি দুটো সময় অঞ্চলের সময় ব্যবধান 1 ঘণ্টা করে হয়ে থাকে।

4। অক্ষরেখার প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।
উত্তর- অক্ষরেখার প্রধান দুটি বৈশিষ্ট্য
ক) প্রত্যেকটি অক্ষরেখা পূর্ণবৃত্ত এবং পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত।
খ) অক্ষরেখাগুলি নিরক্ষরেখার সমান্তরালে অবস্থিত, এজন্য একই অক্ষরেখায় অবস্থিত যেকোনো স্থান থেকে নিরক্ষরেখার দূরত্ব সর্বদা সমান থাকে।

5। মহাবৃত্ত কাকে বলে?
উত্তর- যে পূর্ণবৃত্ত রেখা পৃথিবীকে সমান দুটি অংশে ভাগ করে তা হল মহাবৃত্ত। কোন গোলকের পৃষ্ঠে মহাবৃত্ত হল সেই বৃত্ত যার কেন্দ্র ও গোলকটির কেন্দ্র এক। এই হিসেবে নিরক্ষরেখা একটি মহাবৃত্ত এবং দুটি দ্রাঘিমারেখার মিলিত বৃত্তরেখাটি একটি মহাবৃত্ত।

6। প্রতিপাদ স্থান কাকে বলে?
উত্তর- ভূপৃষ্ঠের উপর অবস্থিত কোন স্থান বা বিন্দু থেকে একটি কাল্পনিক ব্যাস পৃথিবীর ভূকেন্দ্র ভেদ করে বিপরীত দিকে ভূপৃষ্ঠকে যে বিন্দুতে স্পর্শ করে, সেই বিন্দুকে প্রথম বিন্দুটির প্রতিপাদ স্থান বলে।

7। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কি?
উত্তর- পৃথিবীর মানচিত্রে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে মোটামুটিভাবে 180° দ্রাঘিমারেখাকে অনুসরণ করে উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে কাল্পনিক রেখার প্রবর্তন করা হয়েছে তাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। এই রেখাটি পৃথিবীর পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধের তারিখ বিভাজিকার কাজ করে।

8। টীকা – AM এবং PM
উত্তর- একদিনের মধ্যাহ্ন থেকে পরের দিনের মধ্যাহ্ন পর্যন্ত সময়ের ব্যবধানকে 24 ঘণ্টা ধরা হয়। মধ্যাহ্ন (অর্থাৎ বেলা 24টা) সময়ের পূর্ববর্তী সময়কে am এবং পরবর্তী সময়কে pm বলা হয়।

আরো পড় → Autumn – Question Answer

সংক্ষিপ্ত ব্যাখামূলক উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৩]

1। পৃথিবীর কোন দেশের ক্যালেন্ডারে 2011 সালের 30শে ডিসেম্বর তারিখটি নেই এবং কেন?
উত্তর- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত একটি ছোট দ্বীপরাষ্ট্র হল সামোয়া। 29 শে ডিসেম্বর রাত 12 টায় দেশটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করে একটি দিন এগিয়ে যায়, অর্থাৎ সরাসরি 31 শে ডিসেম্বর 2011 হয়। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার একই দিকে রয়েছে চীন, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড। এই দেশগুলির সাথে অর্থনৈতিকভাবে আমদানি-রপ্তানি সুষ্ঠুভাবে হওয়ার জন্যে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা অতিক্রমের এই সিদ্ধান্ত সামোয়া নিয়ে থাকে।

2। আবর্তন গতির ফলে কিভাবে সময়ের পরিবর্তন ঘটে?
উত্তর- নিজের আবর্তন গতিতে পৃথিবী 360° কোণে ঘুরে আসতে সময় লাগে 24 ঘণ্টা। সুতরাং 1 ঘণ্টায় পৃথিবী ঘোরে 15°, তাই প্রতি 15° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় 1 ঘণ্টা। এই হিসেবে প্রতি 1 মিনিটে দ্রাঘিমার পার্থক্য হয় 4 মিনিট। পৃথিবী যেহেতু প্রতি 24 ঘণ্টায় একবার পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে তাই প্রতি 24 ঘণ্টায় প্রতিটি দ্রাঘিমারেখাই একবার সূর্যের সামনে এসে পরলে প্রতি দ্রাঘিমারেখাতেই সূর্যোদয়, মধ্যাহ্ন ও সূর্যাস্ত হয়ে থাকে।

3। পৃথিবীতে প্রতিপাদ স্থান দুটি সর্বদা বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে কেন?
উত্তর- কোন স্থান ও তার প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে দ্রাঘিমার পার্থক্য সবসময় 180° হয়ে থাকে। কারণ কোন নির্দিষ্ট দ্রাঘিমায় অবস্থিত স্থানের প্রতিপাদ স্থান সেই স্থানের বিপরীত দ্রাঘিমা রেখায় অবস্থিত হয়। ভূপৃষ্ঠের উপর কোন স্থান থেকে একটি কাল্পনিক ব্যস ভূকেন্দ্র ভেদ করে বিপরীত দিকে ভূপৃষ্ঠকে একটি বিন্দুতে স্পর্শ করে ফলে প্রতিপাদ স্থান দুটি পরস্পর সর্বদা বিপরীত গোলার্ধে অবস্থিত হয়। এই অবস্থানের জন্য দুটি প্রতিপাদ স্থানের মধ্যে সময়ের পার্থক্য হয় ঠিক 12 ঘণ্টার।

4। 180° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা বলে কেন?
উত্তর- যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশের দিন বা তারিখ নির্ণয় করা হয়, সেটি হল আন্তর্জাতিক তারিখরেখা। 180° দ্রাঘিমারেহা বরাবর মোটামুটিভাবে অনুসরণ করে এই রেখার প্রবর্তন করা হয়। এই রেখাটি পৃথিবীর পশ্চিম ও পূর্ব গোলার্ধের তারিখ বিভাজনের কাজ করে। 180° দ্রাঘিমারেখাকে পূর্ব বা পশ্চিম দিক থেকে অতিক্রম করলে একদিন বেড়ে বা কমে যায় বলে এই রেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা হিসেবে গণ্য করা হয়।

আরো পড়ুন → বাস্তব সংখ্যার গাণিতিক সমস্যার সমাধান

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৫]

1। টোকিও (139°45´ পূর্ব) থেকে 2016 সালের 1 মার্চ মঙ্গলবার ভোর 3 টের সময় একটি ইমেল কলকাতা (88°24´ পূর্ব) পাঠানো হয়েছিল। সেটি কলকাতায় কোন দিন, কোন তারিখ ও কোন সময় এসে পৌঁছেছিল?
সমাধান, টোকিওর সঙ্গে কলকাতার দ্রাঘিমার পার্থক্য = 139°45´ – 88°24´ = 51°21´
1° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় 4 মিনিট
সুতরাং, 51°21´ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় (51°21´×4) = 205 মিনিট 24 সেকেন্ড = 3 ঘণ্টা 25 মিনিট 24 সেকেন্ড
অর্থাৎ টোকিও এবং কলকাতার মধ্যে সময়ের পার্থক্য 3 ঘণ্টা 25 মিনিট 24 সেকেন্ড।
টোকিওর তুলনায় কলকাতা পূর্বদিকে কম এগিয়ে বলে কলকাতার সময় টোকিওর চেয়ে 3 ঘণ্টা 25 মিনিট 24 সেকেন্ড কম হবে।
প্রশ্নানুসারে, 2016 সালের 1 মার্চ মঙ্গলবার টোকিও থেকে ভোর 3 টের সময় পাঠানো ইমেলটি কলকাতা যে স্থানীয় সময় পৌঁছোয় তা হল (ভোর 3 টে – 3 ঘণ্টা 25 মিনিট 24 সেকেন্ড) = রাত্রি 11টা 34 মিনিট 35 সেকেন্ডে ।
উত্তর- 2016 সালটি লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ তাই, ইমেলটি কলকাতায় এসে পৌঁছোয় 29 শে ফেব্রুয়ারি, সোমবার রাত্রি রাত্রি 11টা 34 মিনিট 35 সেকেন্ডে।

2। ওয়াশিংটন (77° পশ্চিম) থেকে 31 ডিসেম্বর 1998, রাত্রি 8 টা 30 মিনিটে একটি টেলিগ্রাম এলাহাবাদে (88° 30´ পূর্ব) পাঠানো হল। টেলিগ্রামটি আসতে 15 মিনিট সময় লাগলে কত তারিখে কোন সময় টেলিগ্রামটি এলাহাবাদ পৌছল?
সমাধান, এলাহাবাদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের দ্রাঘিমার তফাৎ = (88° 30´+77°) = 165° 30´
1° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় 4 মিনিট
সুতরাং, 165° 30´ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় (165° 30´×4) = 662 মিনিট = 11 ঘণ্টা 2 মিনিট
অর্থাৎ, এলাহাবাদ ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সময়ের পার্থক্য 11 ঘণ্টা 2 মিনিট।
এলাহাবাদ ওয়াশিংটনের চেয়ে পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় ওয়াশিংটনের সময়ের চেয়ে এলাহাবাদের সময় 11 ঘণ্টা 2 মিনিট এগিয়ে থাকবে।
প্রশ্নানুসারে, ওয়াশিংটনে যখন 31 ডিসেম্বর 1998, রাত্রি 8 টা 30 মিনিট তখন এলাহাবাদের স্থানীয় সময় (রাত্রি 8 টা 30 মিনিট + 11 ঘণ্টা 2 মিনিট) = সকাল 7 টা 32 মিনিট, 1লা জানুয়ারি 1999 ।
উত্তর- টেলিগ্রামটি আসতে সময় লাগে 15 মিনিট, তাই এলাহাবাদে টেলিগ্রামটি এসে পৌঁছোয় (সকাল 7 টা 32 মিনিট + 15 মিনিট) = সকাল 7 টা 47 মিনিট, 1লা জানুয়ারি 1999।

আরো পড় → গ্রহরূপে পৃথিবী অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner