ইলিয়াস গল্পের প্রশ্ন – উত্তর | Iliyas Question – Answer WBBSE Class 9

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুখবর ↓

WBP-CT-Banner_offer
iliyas-question-answer
শ্রেণি – নবম | বিভাগ – বাংলা | অধ্যায় – ইলিয়াস (Iliyas)

এই পর্বে রইল নবম শ্রেণির বাংলা বিভাগের ইলিয়াস গল্প থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। “বন্ধুগণ হাসবেন না।” এ কথা বলেছে – ক) ইলিয়াস খ) শাম-শেমাগি গ) মহম্মদ শা ঘ) মহম্মদ শার জনৈক আত্মীয়
উত্তর – “বন্ধুগণ হাসবেন না।” এ কথা বলেছেন- ক) ইলিয়াস।

২। ইলিয়াসের বিয়ের এক বছর পরে যখন তার বাবা মারা গেল তখন সে ছিল – ক) খুব ধনী খ) না ধনী, না দরিদ্র গ) খুব গরিব ঘ) খুব ক্ষমতাসম্পন্ন
উত্তর – ইলিয়াসের বিয়ের এক বছর পরে যখন তার বাবা মারা গেল তখন সে ছিল-খ) না ধনী, না দরিদ্র।

৩। ইলিয়াসের সবচাইতে ভালো ঘোড়াগুলি চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল- ক) কিরবীজরা খ) কজারিকা গ) প্রতিবেশীরা ঘ) মহম্মদ শা
উত্তর – ইলিয়াসের সবচাইতে ভালো ঘোড়াগুলি চুরি করে নিয়ে গিয়েছিল-ক) কিরবীজরা।

৪। “ইলিয়াস তাকে একটা বাড়ি দিল, কিছু গোরু- ঘোড়াও দিল।” – ইলিয়াস এসব দিয়েছিল- ক) তার একমাত্র মেয়েকে খ) তার বড়ো ছেলেকে গ) তার ছোটো ছেলেকে ঘ) মহম্মদ শা নামে এক প্রতিবেশীকে
উত্তর – “ইলিয়াস তাকে একটা বাড়ি দিল, কিছু গোরু- ঘোড়াও দিল।” – ইলিয়াস এসব দিয়েছিল- গ) তার ছোটো ছেলেকে।

৫। কত বছরের পরিশ্রমে ইলিয়াস প্রচুর সম্পত্তি বানিয়েছিল? ক) ৩০ বছর খ) ৩২ বছর গ) ৩৪ বছর ঘ) ৩৫ বছর
উত্তর – ঘ) ৩৫ বছরের পরিশ্রমে ইলিয়াস প্রচুর সম্পত্তি বানিয়েছিল।

৬। মহম্মদ শা-র বাড়িতে আগত অতিথিদের মধ্যে একজন ছিলেন- ক) পুরোহিত খ) মোল্লাসাহেব গ) ইলিয়াস ঘ) ইলিয়াসের ছেলে
উত্তর – মহম্মদ শা-র বাড়িতে আগত অতিথিদের মধ্যে একজন ছিলেন- (খ) মোল্লাসাহেব।

৭। শীতের জন্য মজুত করে রাখা হত যথেষ্ট- ক) খাদ্যশস্য খ) খড় গ) ভেড়া ঘ) যব
উত্তর -শীতের জন্য মজুত করে রাখা হত যথেষ্ট-খ) খড়।

৮। ইলিয়াসের বড়ো ছেলেটি মারা গিয়েছিল- ক) প্রবল জ্বরে খ) কলেরা রোগে গ) ক্যানসারে ঘ) মারামারি করতে গিয়ে
উত্তর – ইলিয়াসের বড়ো ছেলেটি মারা গিয়েছিল- ঘ) মারামারি করতে গিয়ে।

৯। “সেও তো পাপ” – কোন কাজের প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? ক) মজুরদের ওপর কড়া নজরদারি খ) পশুপালনে তদারকি গ) পশুহত্যা ঘ) অতিথিদের সেবা না করা
উত্তর -ক) মজুরদের ওপর কড়া নজরদারি প্রসঙ্গে এই কথা বলা হয়েছে।

১০। “বন্ধুগণ হাসবেন না। এটা তামাশা নয়।” – এটি কার উক্তি? ক) ইলিয়াসের খ) মোল্লার গ) শাম-শেমাগির ঘ) মহম্মদ শা-র
উত্তর – “বন্ধুগণ হাসবেন না। এটা তামাশা নয়।” – এটি ক) ইলিয়াসের উক্তি।

আরো পড়ো → All about a Dog Question Answer

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। ইলিয়াস কোথায় বসবাস করত?
উত্তর – ইলিয়াস, উফা প্রদেশে বসবাস করতো।

২। ইলিয়াস কোন জনগোষ্ঠীর মানুষ ছিল?
উত্তর – ইলিয়াস একজন বাস্‌কির জনগোষ্ঠীর মানুষ ছিলেন।

৩। কত বছর পরিশ্রম করে ইলিয়াস প্রচুর সম্পত্তি বানিয়েছিল?
উত্তর – পঁয়ত্রিশ বছর পরিশ্রম করে ইলিয়াস প্রচুর সম্পত্তি বানিয়েছিলেন।

৪। “সকলেই তাকে ঈর্ষা করে”- কাকে কেন সকলেই ঈর্ষা করে?
উত্তর – ইলিয়াস একজন ধনী ব্যাক্তি ছিলেন, তাঁর প্রতিপত্তি দেখে সকলেই তাকে ঈর্ষা করতেন।

৫। ইলিয়াস অতিথিদের কী দিয়ে সেবা করত?
উত্তর – ইলিয়াস অতিথিদের কুমিস, চা, শরবত এবং মাংস দিয়ে সেবা করতো।

৬। কারা ইলিয়াসের সবচেয়ে ভালো ঘোড়াগুলি চুরি করেছিল?
উত্তর – ‘কিরবিজ’-রা ইলিয়াসের সবচেয়ে ভালো ঘোড়াগুলি চুরি করেছিল।

৭। “অতিথিরা বিস্মিত” – কেন?
উত্তর – ইলিয়াস এবং তাঁর স্ত্রী, ধনী অবস্থায় নয় বরং কপর্দকহীন অবস্থায় সুখের সন্ধান পেয়েছেন, একথা শুনে অতিথিরা বিস্মিত হয়েছিলেন।

৮। “কথা বলবার সময় নেই।” – কখন কথা বলবার সময় ছিল না?
উত্তর – ইলিয়াস এবং তাঁর স্ত্রী, যখন ধনী ছিলেন, নানাবিধ কাজের চাপে তাদের কথা বলবার সময় ছিলনা।

৯। “ফলে সারারাত ঘুমই ছিল না।” – সারারাত ঘুম না থাকার কারণ কী ছিল?
উত্তর – গৃহপালিত জন্তুদের অনিষ্টের আশঙ্কায় ইলিয়াস এবং তাঁর স্ত্রী-র সারারাত ঘুম হতো না।

১০। ইলিয়াস গল্পে কাকে ‘বাবাই’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে?
উত্তর – বৃদ্ধ ইলিয়াসকে ‘বাবাই’ বলে সম্বোধন করা হয়েছে।

আরো পড়ো → গ্রহরূপে পৃথিবী প্রশ্ন – উত্তর

সংক্ষিপ্ত উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৩]

১। “প্রতি বছরই তার অবস্থার উন্নতি হতে লাগল।” – কার অবস্থার, কীভাবে উন্নতি হতে লাগল? (১+২)
উত্তর – আলোচ্য উধৃতিতে ইলিয়াসের অবস্থার কথা বলা হয়েছে।
ইলিয়াসের বিবাহের একবছর পরে যখন তার বাবা মারা যান, তখন ইলিয়াস না ধনী, না দরিদ্র। এরপর গৃহপালিত পশুর সূপরিকল্পিত ব্যবহারের ফলে তার সম্পত্তি কিছু কিছু করে বাড়তে শুরু করে। ইলিয়াস এবং তাঁর স্ত্রী, ভোরবেলা সবার আগে ঘুম থেকে উঠতেন এবং সবার শেষে ঘুমাতে যেতেন, সারাদিন তাদের কাজ কর্মের মধ্যে দিয়ে অতিবাহিত হত। এইভাবে ধারাবাহিক কঠিন পরিশ্রমের ফলে ইলিয়াসের অবস্থার উন্নতি হতে শুরু করে।

২। “ইলিয়াসের তখন খুব বোলবোলাও” – ‘বোলবোলাও’ শব্দের অর্থ উল্লেখ করে উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। (১+২)
উত্তর – ‘বোলবোলাও’ শব্দের অর্থ প্রতিপত্তি।
পয়ত্রিশ বছরের কঠোর ধারাবাহিক পরিশ্রমের ফলে ইলিয়াসের অবস্থার উন্নতি ঘটে। সাতটি ঘোটকি, দুটি গরু এবং কুড়িটি ভেড়া থেকে শুরু করে তাঁর গৃহপালিত পশুর পরিমাণ দুশো ঘোড়া, দেড়শো গোরু – মোষ এবং বারোশো ভেড়ায় পৌছায়। ভাড়াটে মজুরেরা গরু-ঘোড়ার দেখা-শোনা করে এবং ভাড়াটে মজুরানীরা দুধ দোয়, কুমিস, মাখন ও পনীর তৈরি করে। তাঁর এই উন্নতি এবং প্রতিপত্তি দেখে পাশাপাশি সকলেই তাকে ঈর্ষা করে।

৩। “দূর দূরান্তর থেকে অথিতিরা তার সঙ্গে দেখা করতে আসে।” অতিথিরা কার সঙ্গে দেখা করতে আসত? সে অতিথিদের কীভাবে সেবা করত? (১+২)
উত্তর -আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবার পর, ইলিয়াসের ভালো ভালো লোকের সঙ্গে পরিচয় হতে শুরু করে। দূর- দুরান্ত থেকে অতিথিরা ইলিয়াসের সাথে দেখা করতে আসতো।
আগত অথিতিদের সকলকেই ইলিয়াস ভোজ্য – পানীয় দিয়ে আপ্যায়ন করতো। অতিথীদের জন্য সর্বদায় প্রস্তুত থাকতো, কুমিস, শরবত, চা এবং মাংস। অথিতিদের সেবার জন্য একটা – বা দুটো ভেড়া মারা হত, এমনকি অথিতি সংখ্যায় বেশি থাকলে ঘোটকীও মারা হত।

৪। “ইলিয়াসের অবস্থা খারাপ হয়ে পড়ল।”- ইলিয়াসের অবস্থা কীভাবে খারাপ হয়ে পড়ল? (৩)
উত্তর – ইলিয়াস যখন গরীব ছিল; সেই সময় তাঁর পুত্ররা ইলিয়াসের সাথে কাজ করতো। কিন্তু অবস্থার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তারা আয়েশি হয়ে ওঠে। ধীরে ধীরে পুত্রদের সাথে বিবাদ বাড়লে ইলিয়াস তাদের কিছু সম্পত্তি দিয়ে আলাদা হয়ে যায়, ফলে ইলিয়াসের সম্পত্তি হ্রাস হয়। এরপর মড়ক এবং দুর্ভিক্ষের ফলে বহু গৃহপালিত পশুর মৃত্যু হয়। ‘কিরবিজ’রা ইলিয়াসের সবচেয়ে ভালো ঘোড়াগুলি চুরি করে নিয়ে যায়। এইভাবে সময়ের সাথে ইলিয়াসের অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সত্তর বছর বয়সে ইলিয়াস একেবারে কপর্দক শূন্য হয়ে যায়।

৫।“তাকে দেখতে পেয়ে মহম্মদ শা অতিথিদের বলল”- ‘তাকে’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? তার সম্পর্কে মহম্মদ শা অতিথিদের কী বলল?
উত্তর -‘তাকে’ বলতে এখানে ইলিয়াসের কথা বলা হয়েছে।
মহম্মদ শা তাঁর গৃহে আগত অতিথিদের বলেছিলেন যে, ইলিয়াস একসময়ের ঐ তল্লাটের সবচেয়ে ধনী ব্যাক্তি ছিলেন, কিন্তু আজ অবস্থার ফেরে ইলিয়াস মহম্মদ শা-র গৃহে মজুরের মত থাকেন এবং তার স্ত্রী ঘোটকীর দুধ দোয়।

৬। “এ বিষয়ে তিনিই পুরো সত্য বলতে পারবেন।” – ‘তিনি’ বলতে কার কথা বলা হয়েছে? ‘তিনি’ সত্য বলতে পারবেন কেন? (১+২)
উত্তর -তিনি বলতে এখানে ইলিয়াসের স্ত্রী শাম – শেমাগির কথা বলা হয়েছে।
মহম্মদ শা-এর গৃহে আগত অতিথিরা ইলিয়াসে বর্তমান পরিস্থিতির কথা জানতে চাইলে, তিনি তাঁর স্ত্রীকে জিগ্যেস করতে বলেন। এর কারণ হিসাবে তিনি বলেন, তাঁর স্ত্রী মেয়ে মানুষ, তাঁর মনেও যা মুখেও তাই। এইকারণে শাম-শেমাগি তাদের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে সত্য কথাই বলবেন।

৭। ‘এটা খুবই জ্ঞানের কথা’ – কার, কোন কথাকে ‘জ্ঞানের কথা’ বলা হয়েছে?’ (১+২)
উত্তর – ইলিয়াস এবং তাঁর স্ত্রী জীবনে অভিজ্ঞতা, তাদের মনিবের অতিথিদের সাথে ভাগ করে নিচ্ছিলেন। ইলিয়াস দম্পতী বলেন, যখন তারা ধনী ছিলেন, সেইসময় তাদের জীবনে অর্থসুখ থাকলেও জীবনে কোনরূপ শান্তি ছিলনা, মন সর্বদাই দুশ্চিন্তায় আচ্ছন্ন থাকতো। তারা দরিদ্র হয়ে মনিবের বাড়ি কাজ করার সময় প্রকৃত সুখের সন্ধান পেয়েছেন, কারণ আজ তাদের কোনরূপ দুশ্চিন্তা নেই। এটাই প্রকৃত জীবন, তারা প্রথমে সব ধন-সম্পত্তি হারিয়ে দুঃখ পেয়েছিলেন, কিন্তু ঈশ্বরের আশীর্বাদে জীবনের প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধী করতে পেরেছেন। ইলিয়াসের এই কথাগুলিকেই মোল্লা সাহেব ‘জ্ঞানের কথা’ বলে উল্লেখ করেছেন।

আরো পড়ো → ফরাসী বিপ্লব অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

রচনাধর্মী প্রশ্ন (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৫]

১। ‘ইলিয়াস’ গল্প অনুসরণে ইলিয়াস চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।
উত্তর – ইলিয়াস গল্পের প্রধান চরিত্র ইলিয়াস। তিনি জীবনের দুটি দিকই দেখেছেন, স্বাচ্ছন্দ্য এবং অভাব। গল্পে তার চরিত্রের যে দিকগুলি দেখা যায় সেগুলি হল-

পরিশ্রমী ও কর্মঠঃ ইলিয়াস শুধুমাত্র তার কঠোর পরিশ্রমের ফলে তার বাবার রেখে যাওয়া সামান্য সম্পত্তি থেকে বিপুল সম্পত্তি লাভ করেছিলেন। তিনি ও তাঁর স্ত্রী সকাল থেকে রাত অবধি কাজ করতেন।

অতিথি বাৎসল্যঃ ইলিয়াস তার সকল অথিতিদের সেবায় কোনরকম ত্রুটি রাখতেন না। যেকোনো অতিথি এলেই তাকে কুমিস, চা, শরবৎ আর মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করা হত।

অদম্য মানসিকতা ও ঈশ্বর বিশ্বাসঃ প্রবল পারিবারিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা থাকলেও, ইলিয়াস কখনো জীবন ও ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস হারাননি।

২। “পঞ্চাশ বছর ধরে সুখ খুঁজে খুঁজে এতদিনে পেয়েছি।” এই সুখের পরিচয় দাও।
উত্তর – এই উক্তিটি ইলিয়াসের স্ত্রী – শাম – শেমাগির। ইলিয়াস এবং তাঁর স্ত্রী এককালে ধনী ছিলেন, ঐ অঞ্চলে তাদের প্রতিপত্তি ছিল চোখে পড়ার মতন। কিন্তু সেই সময় তাদের অর্থসুখ থাকলেও তাদের মনে শান্তি ছিল না। অতিথিরা এলে যাতে লোকনিন্দা না হয় তাই তটস্থ হয়ে তাদের সেবা করতে হত, মজুরেরা যাতে কাজে ফাঁকি না দিতে পারে তার জন্য কড়া নজর রাখতে হত, গৃহপালিত পশুর ক্ষতি হবে এই ভেবে সর্বদা মনে দুশ্চিন্তা লেগেই থাকতো। এইসবের মাঝে নিজেদের মধ্যে কথাবলা বা ঈশ্বরচিন্তা করার কোনরূপ সময় হতো না। আজ যখন তারা দরিদ্র, এখন তাদের অর্থসুখ না থাকলেও মনে শান্তি আছে। তারা সকালে উঠে নিজেদের মধ্যে কথা বলার সুযোগ পান, যথাসাধ্য মনিবের সেবা করেন এবং সেখান থেকে গ্রাসাচ্ছাদন করেন, তাদের খাদ্যাভাব নেই, রাতের শোবার জায়গার অভাব নেই, ঈশ্বরচিন্তার জন্য যথেষ্ট সময় আছে। তাই তারা বলেছেন যে পঞ্চাশ বছর ধরে খুঁজে খুঁজে তারা প্রকৃত সুখের সন্ধান পেয়েছেন।


WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner