ভারতের শিল্প – প্রশ্ন উত্তর | Bharater Shilpo – Question Answer

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুখবর ↓

WBP-CT-Banner_offer
bharater-shilpo
শ্রেণি – দশম | বিভাগ – ভূগোল | অধ্যায় – ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ | ভারতের শিল্প | bharater shilpo (Chapter 6)

এই পর্বে রইল দশম শ্রেণির ভূগোল বিভাগের ষষ্ট অধ্যায় – ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ – থেকে ভারতের শিল্প সংক্রান্ত সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন কর (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

1। একটি সংকর ধাতুর নাম –
ক) লোহা ভ খ) টিন গ) ইস্পাত ঘ) অ্যালুমিনিয়াম

উত্তর- একটি সংকর ধাতুর নাম গ) ইস্পাত।

2। দক্ষিণ ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার –
ক) মাদুরাই খ) কানপুর গ) কোয়েম্বাটোর ঘ) মুম্বাই

উত্তর- দক্ষিণ ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার গ) কোয়েম্বাটোর।

3। পেট্রোরসায়ন শিল্পের জন্য বিখ্যাত –
ক) কলকাতা খ) হলদিয়া গ) দূর্গাপুর ঘ) শিলিগুড়ি

উত্তর- পেট্রোরসায়ন শিল্পের জন্য বিখ্যাত খ) হলদিয়া।

4। টাটা স্টিল লিমিটেডের ইস্পাত কারখানাটি অবস্থিত –
ক) ভিলাইয়ে খ) রৌরকেলাতে গ) বার্নপুরে ঘ) জামশেদপুরে

উত্তর- টাটা স্টিল লিমিটেডের ইস্পাত কারখানাটি অবস্থিত ঘ) জামশেদপুরে।

5। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কাপড়ের কল গড়ে ওঠে –
ক) শ্রীরামপুরে খ) দমদমে গ) ঘুসুড়িতে ঘ) বর্ধমানে

উত্তর- পশ্চিমবঙ্গে প্রথম কাপড়ের কল গড়ে ওঠে গ) ঘুসুড়িতে।

6। ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার হল –
ক) মুম্বাই খ) ভাবন গর গ) আমেদাবাদ ঘ) পুণে

উত্তর- ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার হল গ) আমেদাবাদ।

7। SAIL হল একটি –
ক) কয়লা উত্তোলক সংস্থা খ) খনিজ তেল উত্তোলক সংস্থা গ) লোহা ও ইস্পাত সংস্থা ঘ) প্রাকৃতিক গ্যাস সংস্থা

উত্তর- SAIL হল একটি গ) লোহা ও ইস্পাত সংস্থা।

8। ভারতের খনিজ ভান্ডার বলা হয় –
ক) ছোটোনাগপুর মালভূমিকে খ) মালনাদ মালভূমিকে গ) তেলেঙ্গানা মালভূমিকে ঘ) মালব মালভূমিকে

উত্তর- ভারতের খনিজ ভান্ডার বলা হয় ক) ছোটোনাগপুর মালভূমিকে।

9। ভারতের সিলিকন ভ্যালি বলা হয় –
ক) চেন্নাইকে খ) বেঙ্গালুরুকে গ) কলকাতাকে ঘ) দিল্লিকে

উত্তর- ভারতের সিলিকন ভ্যালি বলা হয় খ) বেঙ্গালুরুকে।

10। তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের মূল কাঁচামাল হল –
ক) লোহা ও ইস্পাত খ) কয়লা গ) মানুষের মেধা ঘ) বিদ্যুৎ

উত্তর- তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের মূল কাঁচামাল হল গ) মানুষের মেধা।

আরো পড় → পরিবেশ এবং মানব জনসমষ্টি অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ২]

1। মৌলিক শিল্প বলতে কী বোঝ?
উত্তর- যে সব শিল্প আদি বা সমস্ত শিল্পের মূল বা প্রধান ভিত্তি, তাকে মৌলিক শিল্প বলে। অন্যভাবে বলা যায়, দৃঢ়তা সম্পন্ন ও প্রচন্ড স্থিতিস্থাপকতা বিশিষ্ট শিল্পই হল মৌলিক শিল্প। যেমন- লৌহ ইস্পাত শিল্প।

2। পেট্রো রসায়ন শিল্পকে আধুনিক শিল্পদানব বলা হয় কেন?
উত্তর- পেট্রোরসায়ন শিল্পকে ‘শিল্প দানব’ বলা হয়। এই শিল্পে উৎপাদিত দ্রব্যকে কাঁচামালরূপে ব্যবহার করে পাশাপাশি বহু অনুসারী শিল্প গড়ে ওঠে এবং এই সমস্ত শিল্প একত্রিত হয়ে বৃহদায়তন দানবের ন্যায় বিশাল শিল্পাঞ্চলে পরিণত হয়, তাই পেট্রোরসায়ন শিল্পকে ‘শিল্প দানব’ বলা হয়।

3। SAIL কী?
উত্তর- ভারতীয় লৌহইস্পাত শিল্পের উন্নতিকল্পে SAIL নামক সংস্থাটি 1973 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।এর পুরো নাম Steel authority of India limited।
উদ্দেশ্য
ক) লৌহইস্পাত কারখানাগুলির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা।
খ) লৌহ ইস্পাত শিল্পে উৎপাদিত দ্রব্যের সঠিক মূল্য নির্ধারন করা।
গ) উন্নয়নের গুণগতমান বাড়িয়ে তোলা।
উল্লেখযোগ্য কারখানাগুলি হল, বোকারো, সালেম, বার্নপুর- কুলটি প্রভৃতি।

4। পূর্ত শিল্প কী?
উত্তর- পূর্ত শিল্প বলতে বোঝায় ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পকে। উন্নত প্রযুক্তবিদ্যা কলাকৌশল দ্বারা লোহা ও ইস্পাত, তামা, দস্তা, প্রভৃতি ধাতব উপকরণ এবং রবার প্লাস্টিক প্রভৃতি অধাতব উপকরণ দিয়ে ভারী অথবা হালকা যন্ত্রাংশ তৈরি করাকে পূর্ত শিল্প বলা হয়।

5। আউটসোসিং বলতে কী বোঝ?
উত্তর- এক সংস্থা থেকে অন্য সংস্থা বা এক দেশ থেকে অন্য দেশে শ্রমিক নিয়োগের পদ্ধতিকে বলা হয় আউটসোর্সিং। বর্তমানে বিপুল জনবহুল পৃথিবীতে শিল্পের অবস্থান ও উন্নতির উপর সেই স্থানে সুদক্ষ শ্রমিক প্রাপ্তির প্রভাব কমছে। বর্তমানে বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা কম মজুরীর বিনিময়ে দক্ষ শ্রমিকের সহজলভ্যতার ভিত্তিতে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে শ্রমিক সংগ্রহ করে নিজেদের সংস্থায় তাদের নিয়োগ করছে। তাই আজকের বিশ্বায়নের যুগে আউটসোর্সিং একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়।

আরো পড় → উত্তর-ঔপনিবেশিক ভারতঃ বিশ শতকের দ্বিতীয় পর্ব অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর

বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৩]

1। বিশুদ্ধ কাঁচামালভিত্তিক শিল্পকে শিকড় আলগা শিল্প বলে কেন?
উত্তর- বিশুদ্ধ কাঁচামালভিত্তিক শিল্পকে শিকড় আলগা শিল্প বলা হয়। এই ধরনের শিল্পের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করা যায় যে পরিবহন ব্যয়ের গুরুত্ব খুব কম হওয়ায় শিল্পকেন্দ্রগুলি কাঁচামালের উৎস অঞ্চলে, বাজারের নিকট কিংবা এই দুই-এর মাঝের কোনো অঞ্চলে অথবা উক্তস্থানগুলির বাইরে কোনো স্থানে গড়ে উঠতে পারে। তাই এই ধরনের শিল্পকে শিকড় আলগা শিল্প বা Foot Loose Industry বলা হয়। উদাহরন: কার্পাস বয়নশিল্প, বৈদ্যুতিক শিল্প, ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প।

2। অনুসারি শিল্প কাকে বলে?
উত্তর- কোনো বৃহদায়তন শিল্প থেকে যেসব দ্রব্য উৎপাদিত হয়, সেইসব শিল্পজাত দ্রব্যকে কাঁচামালরূপে ব্যবহার করে গড়ে ওঠা ছোটোছোটো শিল্পই হল অনুসারী শিল্প বা Downstream Industry।
উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে যে পেট্রোরসায়ন শিল্প থেকে সিট ব্যবহার করে প্লাস্টিক চেয়ার, টুল, টেবিল এবং লৌহ ইস্পাত শিল্পের পাতলা সিট থেকে নানান প্লেট, হাতুরি, কাস্তে প্রভৃতি বানানো যায়।

আরো পড় → বিভিন্ন ঘনবস্তু সংক্রান্ত বাস্তব সমস্যার সমাধান

দীর্ঘ উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৫]

1। দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা গড়ে ওঠার কারণগুলি লেখো।
উত্তর- দুর্গাপুর হল পশ্চিমবঙ্গের প্রধান লৌহ ইস্পাত শিল্প কেন্দ্র। এখানে (DSP) দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট ও (DASP) দুর্গাপুর অ্যালয় স্টিল প্ল্যান্ট নামক দুটি SAIL এর অন্তর্গত কেন্দ্রের শাখা রয়েছে।
দুর্গাপুর ইস্পাত কারখানা গড়ে ওঠার পশ্চাতে যে সব কারন রয়েছে সেগুলি হল,

• কাঁচামাল সহজলভ্যতা: আকরিক লোহা হল লৌহ ইস্পাত শিল্পের প্রধান কাঁচামাল। পশ্চিমবঙ্গের নিকটবর্তী ঝাড়খন্ড ওড়িষা রাজ্যে উন্নতমানের লোহা উত্তোলনের খনি আছে।আকরিক লোহা গলানোর জন্য প্রচুর তাপশক্তির প্রয়োজন হয়, পশ্চিমবঙ্গের রানিগঞ্জ ও ঝাড়খন্ডের ঝড়িয়া এই তাপশক্তির চাহিদা মেটায়।
• জলের যোগান: দামোদর ও বোকারো নদী থেকে প্রয়োজনীয় জল পাওয়া যায়।
• সুলভ শ্রমিক: পশ্চিমবঙ্গ একটি জনবহুল রাজ্য এছাড়া নিকটবর্তী রাজ্য ঝাড়খন্ড, বিহার থেকে সুলভ শ্রমিক পাওয়ার সুবিধা আছে।
• উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা: পূর্ব রেলপথ, 2 নং জাতীয় সড়ক এবং দুর্গাপুর খাল কাঁচামাল ও শিল্পজাত দ্রব্য পরিবহনের প্রধান মাধ্যম।
• বন্দরের নৈকট্য: কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরের অবস্থান শিল্পের আমদানি ও রপ্তানিতে ব্যপকভাবে সাহায্য করে।
• বাজার: দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল ও কলকাতা শিল্পাঞ্চলের বিপুল চাহিদা সম্পন্ন বাজার ওই রাজ্যের লৌহ-ইস্পাত শিল্প বিকাশে সহায়তা করেছে।

2। পেট্রোরসায়ন শিল্প গড়ে ওঠার কারণগুলি আলোচনা করো।
উত্তর- পেট্রোরসায়ন শিল্প গড়ে ওঠার কারণগুলি হল,
• কাঁচামাল: ন্যাপথা, মিথেন, ইথিলিন প্রভৃতি এই সমস্ত দ্রব্যগুলি পেট্রোরসায়ন শিল্পের প্রধান কাঁচামাল। যা ভাদোদরা, জামনগর কেন্দ্রগুলি কয়ালি শোধনাগার থেকে পাওয়া যায়।
• উন্নত প্রযুক্তি: উন্নত প্রযুক্তিবিদ্যা ও কলাকৌশলের প্রয়োগ এই শিল্পস্থাপনের অন্যতম শর্ত, যা বর্তমান।
• সুদক্ষ শ্রমিক: প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন শ্রমিক এই শিল্পের জন্য বিশেষ প্রয়োজন, যার প্রাচুর্য্য রয়েছে।
• জমির সহজলভ্যতা: এই শিল্পে বেশি মাত্রায় পরিবেশ দূষণ ঘটে। তাই এই শিল্প গড়ে ওঠার জন্য লোকালয় থেকে দূরে ও সস্তায় বিস্তীর্ন জমি পাওয়া প্রয়োজন।
• বিদ্যুৎ-এর সহজলভ্যতা: সকল শিল্পের ন্যায় পেট্রোরসায়ন শিল্প গড়ে ওঠার জন্যও বিদ্যুৎ-এর পর্যাপ্ত জোগান থাকা প্রয়োজন, যা বর্তমান।
• চাহিদা: জনবহুল দেশে বিপুল জনসংখ্যা অনুসারী শিল্প তথা জনজীবনে পেট্রোরসায়ন শিল্পজাত দ্রব্যের বিশাল চাহিদার সৃষ্টি করেছে, যা এই শিল্প গড়ে ওঠার ও বিকাশের অন্যতম কারণ।
• বন্দরের সুবিধা: পেট্রোরসায়ন শিল্প কেন্দ্রগুলি বন্দরের কাছে গড়ে ওঠার সুবিধা সবচেয়ে বেশি। এখান থেকে প্রয়োজনীয় খনিজতেল দ্রব্য ও যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানি রপ্তানির খুবই সুবিধা পাওয়া যায়।
• মূলধন: সরকারি বা বেসরকারি যে কোনো সংস্থা এই শিল্পের প্রতি বিনিয়োগ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে কারণ এই শিল্পের ভবিষ্যত খুবই উজ্জ্বল তাই এই শিল্পের বিকাশ সম্ভব হয়েছে।

3। ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের সমস্যা ও সমাধান আলোচনা করো।
উত্তর- ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের সমস্যাগুলি হল,
• কাঁচামালের অভাব: ভারতের চাহিদার তুলনায় কাঁচা তুলোর অভাব থাকায় এবং দীর্ঘ আঁশযুক্ত তুলো বিদেশ থেকে আমদানী করায় প্রচুর ব্যয়বহুল হয় যা এই শিল্পের সবথেকে বড় সমস্যা।
• প্রাচীন যন্ত্রপাতি: ভারতের কাপড়েরকলগুলি বেশিরভাগ অতি প্রাচীন যন্ত্রপাতি হওয়ায় উৎপাদনের পরিমান কম এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বেশি হওয়ার দরুন এই শিল্পকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
• পরিকাঠামোর অভাব: শক্তির যোগান, পরিবহনের সমস্যা, রাজ্য পণ্য প্রবেশে করের চাপ প্রভৃতি বিষয়গুলিতে পরিকাঠামোগত অভাব থাকায় সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।
• বৈদেশিক প্রতিযোগিতা: ভারতের তুলনায় জার্মান, হল্যান্ড, সিঙ্গাপুর প্রভৃতি দেশগুলি কম ব্যয়ে কাপড় বিক্রি করায় প্রতিযোগিতার বাজারে ভারত অনেক পিছিয়ে পড়ছে।
• শ্রমিক অসন্তোষ: শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ ধর্মঘট প্রভৃতির কারণে এই কার্পাস বয়ন শিল্প কেন্দ্রগুলি সমস্যার সম্মুখীন হয়।
ভারতে কার্পাস বয়ন শিল্পের সমাধানগুলি হল,
• শিল্পের আধুনিকীকরণ: বয়নকলগুলির পুরাতন যন্ত্রপাতি বাতিল করে নতুন উন্নত যন্ত্র বসানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
• গবেষনাকেন্দ্র স্থাপন: বর্তমানে উন্নত কার্পাস উৎপাদনের জন্য এবং নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য গবেষনার কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে।
• অন্তঃশুল্ক হ্রাস: অন্তঃশুল্ক হ্রাস ও রপ্তানি শুল্ক হ্রাস, কার্পাস বয়ন শিল্পকে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সাহায্য করেছে।

4। ভারতে লোহা ও ইস্পাত শিল্পের সমস্যা সমূহ আলোচনা করো।
উত্তর- ভারতে লোহা ও ইস্পাত শিল্পের সমস্যাগুলি হল,
• উন্নত মানের কয়লার অভাব:- ভারতে ইস্পাত শিল্পে বিটুমিনাস কয়লার পরিবর্তে লিগনাইট কয়লা বেশি পরিমাণে ব্যবহৃত হওয়ার ফলে তাপশক্তি খুব কম পরিমাণেে উৎপন্ন হয়।
• আকরিক লোহার অভাব: ভারতের আকরিক লোহাতে অপদ্রব্যের পরিমাণ বেশি থাকায় লৌহ ইস্পাত খুব উন্নতমানের হয়না।
• বিদ্যুৎ শক্তির সমস্যা: ভারতের লৌহ ইস্পাত শিল্পের কারখানা বিদ্যুৎ শক্তির সমস্যা খুব বেশী পরিমাণে হওয়ায় তা লৌহ ইস্পাত শিল্পে খারাপ প্রভাব ফেলেছে।
• শিল্পের রুগ্নতা: শ্রমিক অসন্তোষ, কম উৎপাদন ও ব্যয়বহুল উৎপাদনের জন্য বহু লৌহইস্পাত কারখানা বন্ধ হয়ে পড়ে আছে।
• অধিক উৎপাদন ব্যয়: লৌহ ইস্পাত শিল্পে উৎপাদন ব্যয় অধিক হওয়ার ফলে তা বর্তমানে বড় সমস্যার সৃষ্টি করেছে।
• পুরাতন যন্ত্রপাতি: পুরাতন যন্ত্রপাতি দিয়ে কাজ করায় উৎপাদনের পরিমাণ খুবই নিম্মমানের।
• অন্যান্য কাঁচামালের অনুন্নত মান: লৌহ ইস্পাত শিল্পে ব্যবহৃত চুনাপাথর ও ডলোমাইটের মধ্যে অপদ্রব্য বেশি পরিমাণে থাকে, ফলে আকরিক লৌহ পরিশ্রুতকরণের সময় ধাতুমলের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং উৎপাদিত ইস্পাতের মান হ্রাস পায়।
• ত্রুটিপূর্ণ সরকারি নীতি: সরকারের ত্রুটিপূর্ণ সরকারি নীতি ব্যবস্থার দরুণ লৌহইস্পাত শিল্পের অবনতি ঘটছে।

আরো পড় → ভারতের কৃষি অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner