অভিব্যক্তি – প্রশ্ন উত্তর | Obhibyakti – Question Answer

মাধ্যমিকে প্রতিটি অধ্যায়ের প্রস্তুতি নিশ্চিত করার সেরা উপায় ↓

WBP-CT-Banner_offer
obhibyakti
শ্রেণি – দশম | বিভাগ – জীবনবিজ্ঞান | অধ্যায় – অভিব্যক্তি | obhibyakti (Chapter 12)

এই পর্বে রইল দশম শ্রেণির জীবন বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ অধ্যায় – অভিব্যক্তি থেকে কয়েকটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন – উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো। (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 1]

1। আদি জীব থেকে জীবের ক্রমবিকাশকে বলে –
ক) প্রকরণ খ) অভিব্যক্তি গ) অভিযোজন ঘ) আচরণ

উত্তর- আদি জীব থেকে জীবের ক্রমবিকাশকে বলে –খ) অভিব্যক্তি

2। প্রথম কোশীয় সংগঠন দেখা যায় যেখানে, সেটি হল –
ক) নিউক্লিওপ্রোটিন খ) কোয়াসারভেট গ) বায়োন্ট ঘ) প্রোটোবায়োন্ট

উত্তর- প্রথম কোশীয় সংগঠন দেখা যায় যেখানে, সেটি হল –খ) কোয়াসারভেট

3। প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব প্রবর্তন করেন বিজ্ঞানী –
ক) ল্যামার্ক খ) ডারউইন গ) মেন্ডেল ঘ) ওয়াইসম্যান

উত্তর- প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব প্রবর্তন করেন বিজ্ঞানী –খ) ডারউইন

4। ‘অস্তিত্বের জন্য জীবন সংগ্রাম’ মতবাদের প্রবক্তা হলেন –
ক) বিজ্ঞানী ডারউইন খ) বিজ্ঞানী ল্যামার্ক গ) বিজ্ঞানী দ্য ভ্রিস ঘ) বিজ্ঞানী ফ্লুজার

উত্তর- ‘অস্তিত্বের জন্য জীবন সংগ্রাম’ মতবাদের প্রবক্তা হলেন – ক) বিজ্ঞানী ডারউইন

5। জীবন্ত জীবাশ্মের একটি উদাহরণ হল –
ক) কেঁচো খ) রুইমাছ গ) লিমিউলাস ঘ) গিরগিটি

উত্তর- জীবন্ত জীবাশ্মের একটি উদাহরণ হল –গ) লিমিউলাস

6। ‘আরকিওপ্‌টেরিক্স’ নামক জীবাশ্মভূত প্রাণীটি নীচের যে প্রাণীগোষ্ঠী জোড়ার হারানো সূত্র হিসেবে বিবেচিত হয় সেটি হল –
ক) সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী খ) পক্ষী ও স্তন্যপায়ী গ) উভচর ও সরীসৃপ ঘ) সরীসৃপ ও পক্ষী

উত্তর- ‘আরকিওপ্‌টেরিক্স’ নামক জীবাশ্মভূত প্রাণীটি নীচের যে প্রাণীগোষ্ঠী জোড়ার হারানো সূত্র হিসেবে বিবেচিত হয় সেটি হল –ঘ) সরীসৃপ ও পক্ষী

7। আধুনিক ঘোড়ার নাম হল –
ক) প্লিওহিপ্পাস খ) ইকুয়াস গ) মেরিচিপ্লাস ঘ) মেসোহিপ্পাস

উত্তর- আধুনিক ঘোড়ার নাম হল –খ) ইকুয়াস

8। মটর গাছ ও ঝুমকো লতার আকর্ষ হল –
ক) সমসংস্থ অঙ্গ খ) নিষ্ক্রিয় অঙ্গ গ) সমবৃত্তীয় অঙ্গ ঘ) বৃদ্ধিজ অঙ্গ

উত্তর- মটর গাছ ও ঝুমকো লতার আকর্ষ হল –গ) সমবৃত্তীয় অঙ্গ

9। উদ্ভিদের একটি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ হল –
ক) পুংকেশর খ) পত্র গ) স্ট্যামিনোড ঘ) কোনোটিই নয়

উত্তর- উদ্ভিদের একটি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ হল –গ) স্ট্যামিনোড

10। শুধুমাত্র কম অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পরিবহনকারী হৃৎপিণ্ড রয়েছে এমন প্রাণী হল – ক) কুনোব্যাং খ) মাছ গ) সাপ ঘ) কুমির
উত্তর- শুধুমাত্র কম অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পরিবহনকারী হৃৎপিণ্ড রয়েছে এমন প্রাণী হল –খ) মাছ

আরো পড়ো → My own true family – Question Answer

একটি বাক্যে উত্তর দাও। (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 1]

1। ‘Evolution’ শব্দটি কে প্রবর্তন করেন?
উত্তর- ‘Evolution’ শব্দটি বিজ্ঞানী হারবার্ট স্পেনসার প্রবর্তন করেন।

2। মিউটেশন থিয়োরি বা পরিব্যক্তিবাদের প্রবক্তা কে?
উত্তর- মিউটেশন থিয়োরি বা পরিব্যক্তিবাদের প্রবক্তা হলেন বিজ্ঞানী হুগো দ্য ভ্রিস।

3। প্রাচীন উত্তপ্ত সমুদ্রকে ‘হট ডাইলিউট স্যুপ’ বা ‘পরিবায়োটিক স্যুপ’ বলে কে অভিহিত করেন?
উত্তর- প্রাচীন উত্তপ্ত সমুদ্রকে ‘হট ডাইলিউট স্যুপ’ বা ‘পরিবায়োটিক স্যুপ’ বলে বিজ্ঞানী হ্যালডেন অভিহিত করেন।

4। ‘ব্যবহার ও অব্যবহার’ মতবাদটি কার?
উত্তর- ল্যমার্ক-এর মতবাদটি ‘ব্যবহার ও অব্যবহার’।

5। জার্মপ্লাজম মতবাদের প্রবক্তা কে?
উত্তর- জার্মপ্লাজম মতবাদের প্রবক্তা ওয়াইসম্যান।

আরো পড়ো → অভিষেক কবিতার প্রশ্ন উত্তর

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 2/3]

1। মাইক্রোস্ফিয়ার কী?
উত্তর- ফসফোলিপিড নির্মিত অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা বেষ্টিত প্রোটিন নির্মিত গোলাকার একপ্রকার গঠনকে মাইক্রোস্ফিয়ার বলে। বিজ্ঞানী ফক্সের মতে মাইক্রোস্ফিয়ার থেকে প্রথম কোশের সৃষ্টি হয়।

2। যোগ্যতমের উদবর্তন কাকে বলে?
উত্তর- ডারউইনের মতবাদ অনুসারে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত জীবেদের মধ্যে যারা পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের অভিযোজিত করতে পারে তারাই জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় এবং পৃথিবীতে নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হয়। যারা পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের অভিযোজিত করতে পারেনা তারা জীবন সংগ্রামে পরাজিত হয়ে ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে অবলুপ্ত হয়ে যায়। এই ঘটনাকে যোগ্যতমের উদবর্তন বলে।

3। সমসংস্থ ও সমবৃত্তীয় অঙ্গের পার্থক্য লেখ।
উত্তর-

4। নিষ্ক্রিয় অঙ্গ উৎপত্তির তাৎপর্য কী?
উত্তর- যে সমস্ত অঙ্গ পূর্বে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে অব্যবহারের কারণে প্রায় লুপ্তপায় হয়ে গেছে তাদের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলে। যেমন – একসময় মানুষ কাঁচা মাংস ভক্ষণ করতেন তার পরিপাকের জন্য অ্যাপেনডিক্সের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এখন মানুষ মাংস সিদ্ধ করে ভক্ষণ করে তাই অ্যাপেনডিক্সের প্রয়োজন হয় না, তাই এটি ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় অঙ্গ হয়ে গেছে।
আদিম মানুষ ঘর বাড়িতে বসবাস করতেন না বনজঙ্গলে বসবাস করতেন। এক গাছ থেকে অন্য গাছে লাফিয়ে যাতায়াত করতেন। লাফিয়ে যাওয়ার জন্য লেজ সাহায্য করত।
মানুষের বহিঃকর্ণের পেশি সহজে নাড়াতে পারত যার ফলে বহু দূরের শব্দ শুনতে পারতেন।
এইভাবে বর্তমানের নিষ্ক্রিয় অঙ্গ একসময় বহু ব্যবহৃত হলেও ধীরে ধীরে এসব অঙ্গ অব্যবহারের ফলে তা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে।

5। জৈবিক বিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজনের সম্পর্ক কী?
উত্তর- সবসময় পরিবর্তনশীল পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য জীবের গঠনগত, শারীরবৃত্তীয় এবং আচরণগত পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তন সমূহকেই জীবের অভিযোজন বলা হয়। যদি জীব পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে না পারে অর্থাৎ অভিযোজিত না হতে পারে। তাহলে কালক্রমে সেই প্রজাতির বিলুপ্তি ঘটে। প্রকৃতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য জীবদেহের কিছু পরিবর্তন হয় যাকে অনুকূল প্রকরণ বলা হয়। সেই অনুকূল প্রকরণে অভিযোজিত জীব প্রাকৃতিক নির্বাচন দ্বারা যোগ্য রূপে বিবেচিত হলে নতুন বৈশিষ্ট্যগুলি বংশপরম্পরায় সঞ্চারিত হয় যার ফলে নতুন বৈশিষ্ট্য যুক্ত প্রজাতি অর্থাৎ জীবের আবির্ভাব হয় তার ফলে জৈবিক বিবর্তন বা অভিব্যক্তি ঘটে। সুতরাং অভিযোজনকে কারণ এবং জৈবিক বিবর্তন বা অভিব্যক্তিকে তার ফল হিসাবে বলা যায়। এইভাবে অভিযোজন ও জৈবিক বিবর্তন সম্পর্কিত।

6। বায়োজেনেটিক সূত্রটি লেখ। এই সূত্রের প্রবক্তা কে?
উত্তর- বায়োজেনেটিক সূত্র – ব্যক্তিজনি জাতিজনিকে পুনরাবৃত্তি করে ( Ontogeny repeats phylogeny )। অর্থাৎ কোনো জীবের ভ্রূণের পরিস্ফুটনের সময় তার পূর্বপুরুষের ভ্রূণের পরিস্ফুটনের ঘটনাগুলি পুনরাবৃত্ত হয়।
এই সূত্রের প্রবক্তা হলেন বিজ্ঞানী আর্নেস্ট হেকেল।

7। উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে খাদ্যের জোগাড় ক্রমশ কমতে থাকায় ও বাসস্থানের সংকোচন ঘটায় চিতাবাঘকে কি কি ধরনের জীবন সংগ্রামে অবতরণ তা যুক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠা কর।
উত্তর- উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে খাদ্যের জোগাড় ক্রমশ কমতে থাকায় ও বাসস্থানের সংকোচন ঘটায় চিতাবাঘকে দুধরনের জীবন সংগ্রামে অবতরণ হতে হবে।
i) আন্তঃপ্রজাতি জীবন সংগ্রাম- খাদ্যের জোগাড় ক্রমশ কমতে থাকায় চিতাবাঘকে বিভিন্ন ধরনের মাংসাশী প্রাণী যেমন- হায়না, সিংহ ইত্যাদির সাথে লড়াই করতে হবে।
চিতাবাঘ সাধারণত কোনো গাছের তলা, ঝোপ, গুহা ইত্যাদি জায়গায় বসবাস করে। বাসস্থানের সংকোচন ঘটায় চিতাবাঘকে বিভিন্ন ধরনের পশুর সাথে লড়াই করতে হবে এবং যে জয়ী হবে সে সেখানে বসবাস শুরু করবে।
ii) অন্তঃপ্রজাতি জীবন সংগ্রাম- খাদ্যের জোগাড় ক্রমশ কমতে থাকায় ও বাসস্থানের সংকোচন ঘটায় চিতাবাঘকে নিজেদের মধ্যেই লড়াই করতে হবে এবং বিজয়ী সেই খাদ্য এবং বাসস্থান লাভ করবে।

8। ল্যামার্কের তত্ত্বের পক্ষে ও বিপক্ষে একটি (দুটি) উদাহরণ দাও।
উত্তর- ল্যামার্কের তত্ত্বের পক্ষে উদাহরণ – উট পাখির পূর্ব পুরুষের সক্রিয় ডানা ছিল ও তারা উড়তে পারত। কিন্তু দ্রুত দৌড়োতে সক্ষম হওয়ায় উট পাখির ডানার ব্যবহার হ্রাস পেতে থাকে। কিন্তু প্রজন্মের পর প্রজন্ম দীর্ঘ্য কাল ধরে ডানা ব্যবহার না হওয়ার ফলে তাদের ডানা লুপ্তপ্রায় অঙ্গে পরিণত হয়েছে। এই উদাহরণটি ল্যামার্কবাদের অঙ্গের ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্রকে সমর্থন করে।
ল্যামার্কের তত্ত্বের বিপক্ষে উদাহরণ – বিজ্ঞানি ভাইসম্যান তার একটি পরীক্ষায় এক জোড়া ইঁদুরের (যাদের একজন স্ত্রী অপর জন পুরুষ) লেজ কেটে তাদের মধ্যে প্রজনন ঘটান এবং উৎপন্ন অপত্যদের লেজ কেটে দিয়ে পুনরায় তাদের মধ্যে জনন ঘটান এইভাবে তিনি পরপর 35 জনু ধরে ইঁদুরদের লেজ কেটে দিলেও উৎপন্ন কোনো অপত্যই লেজ বিহীন হয় না। এই ঘটনা ল্যামার্কবাদের অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশানুসরন এই সূত্রকে ভুল প্রমাণিত করে।

আরো পড়ো → বৃদ্ধি ও বিকাশ অধ্যায়ের প্রশ্ন ও উত্তর

দীর্ঘভিত্তিক প্রশ্নউত্তর (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৫]

1। ডারউইন মতবাদ অনুসারে কীভাবে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি হয় উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর- ডারউইন মতবাদ অনুসারে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি-
সংগ্রামের ফলে সৃষ্ট অনুকূলপ্রকরণগুলি বংশানুক্রমে সঞ্চারিত হয়। এভাবে একের পর এক জনু থেকে পরবর্তী জনুতে প্রজননের মাধ্যমে যোগ্য বৈশিষ্ট্য সঞ্চারিত হওয়ার ফলে একটি দীর্ঘ সময় পর পূর্ব পুরুষের সাথে নবীন প্রজন্মের জীবেদের অনেক বৈসাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায় অর্থাৎ প্রতিটি প্রজন্মের এই সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম পরিবর্তনের ফলে একসময় জীবজগতের নতুন প্রজাতির জন্ম হয়।
ডারউইনের মতবাদ অনুযায়ী উদবংশীয় জিরাফ দলের মধ্যে বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের গলা যুক্ত জিরাফ ছিল। পরিবেশের পরিবর্তন ও খাদ্যের অভাবের ফলে বিভিন্ন দৈর্ঘ্যের গলা যুক্ত জিরাফদের মধ্যে সংগ্রাম হয়। নিচু গাছের পাতা খাওয়া শেষ হয়ে গেলে ক্রমে তারা উঁচু গাছের পাতা খাওার চেষ্টা করত কিন্তু উঁচু গাছের পাতার নাগাল পেত না। উঁচু ডালের পাতার নাগাল পাওয়ায় লম্বা গলা যুক্ত জিরাফদের অনুকূল প্রকরণ থাকায় তারা পাতা ভক্ষণ করতে পারে ও নিজেদের খাদ্যের চাহিদা পূরণ করে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয়ে প্রকৃতি দ্বারা নির্বাচিত হয় এবং যে সকল জিরাফদের গলার দৈর্ঘ্য কম তারা খাদ্যের অভাবে সংগ্রামে হেরে গিয়ে মারা যায় এবং ক্রমশ অবলুপ্ত হয়। দীর্ঘ্যকাল প্রাকৃতিক নির্বাচনের অনুকূলে থাকায় লম্বা গলা এই অভিযোজন মূলক বৈশিষ্ট্যটি বংশানুক্রমে এক জনু থেকে অপর জনুতে সঞ্চারিত হয় ফলে বর্তমানে সব জিরাফের গলাই লম্বা।

আরো পড়ো  → বিকল্প চিন্তা উদ্যোগ অধ্যায়ের প্রশ্ন ও উত্তর

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner