অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান প্রশ্ন উত্তর | Ostrer Biruddhe Gan Class 10 Question Answer | WBBSE Class 10 Bengali

মাধ্যমিকে প্রতিটি অধ্যায়ের প্রস্তুতি নিশ্চিত করার সেরা উপায় ↓

WBP-CT-Banner_offer
ostrer-biruddhe-gan-question-answer
শ্রেণি – দশম | বিভাগ – বাংলা | অধ্যায় – অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (Ostrer Biruddhe Gan)

দশম শ্রেণির বাংলা বিভাগ থেকে কবি জয় গোস্বামী রচিত অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতা থেকে সম্পূর্ণ প্রশ্ন উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। ‘অস্ত্র রাখতে হবে’ – (ক) বুকে (খ) হাতে (গ) পায়ে (ঘ) মাথায়
উত্তর- ‘অস্ত্র রাখতে হবে’ -(গ) পায়ে।

২। কবি কী নাড়িয়ে বুলেট তাড়ান? (ক) মাথা (খ) শরীর (গ) পা (ঘ) হাত
উত্তর- কবি (ঘ) হাত নাড়িয়ে বুলেট তাড়ান।

৩। কবি গানের বর্ম পরেছেন – (ক) অস্ত্র প্রতিরোধ করতে (খ) শব্দ প্রতিরোধ করতে (গ) আঘাত থেকে বাঁচতে (ঘ) মৃত্যু থেকে বাঁচতে
উত্তর- কবি গানের বর্ম পরেছেন -(ক) অস্ত্র প্রতিরোধ করতে ।

৪। কবি গায়ে কী পরেছেন? (ক) সুরের চাদর (খ) গানের বর্ম (গ) ভাষার পিয়ান (ঘ) কথার জামা
উত্তর- কবি গায়ে (খ) গানের বর্ম পরেছেন।

৫। কী প্রতিরোধ করতে কবি গানের বর্ম পরেছেন? (ক) অস্ত্র (খ) ধ্বনি (গ) পদ (ঘ) কথা
উত্তর- (ক) অস্ত্র প্রতিরোধ করতে কবি গানের বর্ম পরেছেন।

৬। “গান তো জানি” – (ক) একটা-দুটো (খ) দুটো-তিনটে (গ) তিনটে – চারটে (ঘ) চারটে-পাঁচটা
উত্তর- “গান তো জানি” – (ক) একটা-দুটো।

৭। “আঁকড়ে ধরে সে -খড়কুটো” – ‘খড়কূটো’ বলতে বোঝানো হয়েছে (ক) প্রানের কথাকে (খ) হাতিয়ারকে (গ) একটা -দুটো গানকে (ঘ) দু-চারটে গানকে
উত্তর- “আঁকড়ে ধরে সে -খড়কুটো” – ‘খড়কূটো’ বলতে (গ) একটা -দুটো গানকে বোঝানো হয়েছে ।

৮। কবি গানের গায়ে মোছেন – (ক) অশ্রু (খ) রক্ত (গ) কান্না (ঘ) ঘাম
উত্তর- কবি গানের গায়ে মোছেন (খ) রক্ত।

৯। ধ্বংসের পৃথিবীতে সৃষ্টির কারিগর কে? (ক) চিল (খ) শকুন (গ) কোকিল (ঘ) অস্ত্র
উত্তর- ধ্বংসের পৃথিবীতে সৃষ্টির কারিগর (গ) কোকিল।

১০। ‘আমার শুধু একটা’ – (ক) তোতা (খ) কোকিল (গ) টিয়া (ঘ) ময়না
উত্তর- ‘আমার শুধু একটা’ -(খ) কোকিল।

১১। “গান বাঁধবে সহস্র উপায়ে” – কে গান বাঁধবে? (ক) চিল (খ) কোকিল (গ) শকুন (ঘ) ময়ূর (মাধ্যমিক 20)
উত্তর- “গান বাঁধবে সহস্র উপায়ে” – (খ) কোকিল গান বাঁধবে।

১২। “বর্ম খুলে দ্যাখো আদুড় গায়ে” – বর্ম খুলে আদুড় গায়ে দাঁড়িয়ে থাকে – (ক) ঋষিবালক (খ) শিশু (গ) ভিখিরি (ঘ) মুনি
উত্তর- “বর্ম খুলে দ্যাখো আদুড় গায়ে” – বর্ম খুলে আদুড় গায়ে দাঁড়িয়ে থাকে (ক) ঋষিবালক।

১৩। “বর্ম খুলে দ্যাখো আদুড় গায়ে” – কী দেখতে বলা হয়েছে? (ক) গান ধরেছে ঋষিবালক (খ) গান দাঁড়াল ঋষিবালক (গ) গাল ভরাল ঋষিবালক (ঘ) গান করাল ঋষিবালক
উত্তর- “বর্ম খুলে দ্যাখো আদুড় গায়ে” – (খ) গান দাঁড়াল ঋষিবালক দেখতে বলা হয়েছে।

১৪। ‘গান দাঁড়াল’ – (ক) বীরের মতো (খ) ঋষিবালকের মতো (গ) জ্ঞানীর মতো (ঘ) ফুলের মতো
উত্তর- ‘গান দাঁড়াল’ (খ) ঋষিবালকের মতো।

১৫। “তোমায় নিয়ে বেড়াবে গান” – (ক) নদীতে, হাটে (খ) নদীতে, দেশগাঁয়ে (গ) সাগর, জলাশয়ে (ঘ) নদীতে, পুকুরে
উত্তর- “তোমায় নিয়ে বেড়াবে গান” -(খ) নদীতে, দেশগাঁয়ে।


আরো পড়ো → নদীর বিদ্রোহ প্রশ্ন উত্তর

অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ১]

১। ‘অস্ত্র ফ্যালো, অস্ত্র রাখো’ -কোথায় অস্ত্র ফেলার কথা বলা হয়েছে? (মাধ্যমিক 17)
উত্তর- যুদ্ধবিরোধী ভাবনায় উদ্‌বুদ্ধ কবি জয় গোস্বামী তাঁর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় অস্ত্রকে নামিয়ে পায়ে রাখার আবেদন জানিয়েছেন।

২। ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় ‘অস্ত্র রাখো’ বলার অর্থ কী?
উত্তর- ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় ‘অস্ত্র রাখো’-র অর্থ হল অস্ত্র পরিহার করো বা পরিত্যাগ করো। অর্থাৎ হানাহানি মারামারি থেকে বিরত থাকার কথাই বলেছেন কবি জয় গোস্বামী।

৩। ‘কবি জয় গোস্বামী কোন প্রেক্ষিতে অস্ত্র ফেলার আবেদন জানান?
উত্তর- অস্ত্রের অবাধ ব্যবহারে পৃথিবী আজ বিপন্ন, হিংসা-হানাহানি দাঙ্গায় বিপর্যস্ত। এই বারুদের স্তূপে শান্তির আবহ সৃষ্টি করতেই কবির অস্ত্র সংবরণের আবেদন।

৪। ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় কবি হাত নাড়িয়ে কী তাড়ান?
উত্তর- ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় কবি হাত নাড়িয়ে বুলেট তাড়ান।

৫। “গানের বর্ম আজ পরেছি গায়ে” – এ কথা বলার কারণ কী?
উত্তর- ‘গানের বর্ম’ আসলে যুদ্ধবিরোধী রক্ষাকবচ। কবি আশাবাদী যে, গানই মানুষের মনের সুকুমার বৃত্তির জাগরণ ও পাশব বৃত্তির অপসারণ ঘটাবে এবং বিশ্বজনীন যুদ্ধভাবনার অবসান ঘটাবে।

৬। “গান তো জানি একটা দুটো” – ‘একটা দুটো’ বলতে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর- কবি প্রশ্নোক্ত অংশে ‘একটা দুটো’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে তাঁর সীমিত ক্ষমতার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি আশাবাদী, এই সীমিত ক্ষমতাই সকলের মিলিত প্রচেষ্টায় ফলপ্রসূ হবে।

৭। “আঁকড়ে ধরে সে -খড়কূটো” – কবি ‘খড়কূটো’ বলতে কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর- ‘খড়কূটো’ শব্দের সাধারণ অর্থ শুকনো ঘাস, বিচালি ও ডালপালার টুকরো। তবে কবিতায় কবি শেষ ও সামান্য অবলম্বন অর্থে শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

৮। “রক্ত মুছি শুধু গানের গায়ে” – কথাটির অর্থ কী?
উত্তর- হিংসা, আগ্রাসনের অস্ত্রের আঘাতে মানবতা আজ রকাক্ত। মনুষ্যত্বের এই রক্তক্ষয়ী অপচয়কে গানের মতো সৃষ্টিশীলতা দিয়েই প্রতিরোধ বা প্রশমিত করা সম্ভব।

৯। “আমার শুধু একটা কোকিল” -কোকিল কী করবে?
উত্তর- কোকিল এখানে শুভবুদ্ধি তথা শুদ্ধ বাতাবরণের প্রতীক। তার গানের সুমধুর সুর সহস্র উপায়ে শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেবে ও যুদ্ধভাবনার অবসান ঘটাবে।

১০। “বর্ম খুলে দ্যাখো আদুড় গায়ে” – ‘আদুড় গায়ে’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?
উত্তর- ‘আদুড়’ কথার অর্থ হল আবরণহীন অর্থাৎ ‘আদুড় গায়ে’ মানে খালি গায়ে। আর এই আদুড় গায়ে থাকা এক ঋষিবালকের অবয়ব বর্ণনা করেছেন কবি। তাই ‘অদুড় গায়ে’ কথাটির মধ্য দিয়ে তিনি ঋষিবালকের অপাপবিদ্ধ প্রতিমূর্তিটিকে বোঝাতে চেয়েছেন।

১১। ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় ‘ঋষিবালক’ কীসের প্রতীক?
উত্তর- ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় ‘ঋষিবালক’ গানের তথা শান্তির বার্তার প্রতীক।


২০২৩ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ আপডেট

Buy Now – মাধ্যমিক ২০২৩ চ্যাপ্টার টেস্ট ই-বুক সিরিজ

ব্যাখ্যাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত উত্তর ভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান ৩]

১। “রক্ত মুছি শুধু গানের গায়ে” -পঙক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।
উত্তর – কবি জয় গোস্বামী তাঁর যুদ্ধ বিরোধী কবিতা অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতায় মানবতার কথা বলেছেন। মানব সভ্যাতায় ‘গান’ হল সৃজনশীলতার প্রতীক। তাই ‘গান’ শব্দটি তিনি মানবতার অর্থে ব্যবহার করেছেন। তিনি চেয়েছেন গানের মাধ্যমে সকল সাম্রাজ্যবাদী এবং যুদ্ধবাদী শক্তির মনে শুভবুদ্ধির উদয় হোক তারা তাদের হিংস্রতা ও বর্বরতা গানের মুছে ফেলুক।

২। “গান দাঁড়াল ঋষিবালক/মাথায় গোঁজা ময়ূরপালক” – কোন কবিতার অংশ? তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। (১+২)
উত্তর – আলোচ্য পংক্তিটি কবি জয় গোস্বামী রচিত ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতার অন্তর্গত।

অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান কবিতাটি একটি যুদ্ধবিরোধী কবিতা, কবি এখানে মানবতার গানের মধ্যে দিয়ে যুদ্ধবাদী ভাবনার সমর্পণের কথা বলেছেন। কবি এখানে ‘ঋষিবালক’ রূপক অর্থে তিনি ব্যবহার করছেন, ঋষি – বালক কথার মধ্যে দিয়ে আমরা একই সঙ্গে তেজদীপ্ত অথচ সরল চেহারার কল্পনা করতে পারি। কবি মনে করেছেন মানুষের মনের সন্মিলিত মানবতা বোধ একদিন তার সর্বশ্রেষ্ঠ রূপ (যা কবি ঋষিবালক রূপে কল্পনা করেছেন) নেবে যা সাম্রাজ্যবাদী ভাবনাকে মানবতার কাছে আত্মসমর্পণে বাধ্য করবে।


মাধ্যমিক পরীক্ষার ভীতি কাটাবার সেরা উপায় ↓


৩। “…অস্ত্র ফ্যালো, অস্ত্র রাখো গানের দুটি পায়ে” – কবি অস্ত্রকে গানের পায়ে রাখার কথা বলেছেন কেন?
উত্তর – আলোচ্য পংক্তিটি কবি জয় গোস্বামী রচিত ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতার অন্তর্গত। এই কবিতাটি একটি যুদ্ধ বিরোধী কবিতা। এই কবিতার মধ্যে দিয়ে কবি সকল সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধবাজ শক্তিকে অস্ত্র ত্যাগ করতে বলেছেন। কবি অস্ত্রের বিপরীতে গানকে তুলে ধরেছেন, এই গান আসলে মানবতার গান। কবি আশা করেছেন যে সকল সাম্রাজ্যবাদী শক্তির মনে একদিন শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তারা মানবতার খাতিরে অস্ত্র ত্যাগ করবে। তাই কবি এখানে গানের কাছে অস্ত্র ত্যাগ করার কথা বলেছেন।

৪।কবিতায় কবি ‘হাত নাড়িয়ে বুলেট তাড়াই’ বলতে কি বুঝিয়েছেন?
উত্তর – আলোচ্য অংশটি কবি জয় গোস্বামী রচিত ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

এই যুদ্ধবিরোধী কবিতার মূল বক্তব্য হল মানবতার কাছে সাম্রাজ্যবাদের আত্মসমর্পণ। সম্ভবত কবি জয় গোস্বামী হাত নাড়ানোকে রূপক অর্থে লেখার সাথে তুলনা করেছেন। কবি মনে করেছেন গানের মধ্য দিয়ে মানুষের মধ্যে মানবতার জাগরণ হবে এবং তা দিয়ে যুদ্ধের প্রতীক ‘বুলেট’ থামিয়ে দেওয়া বা কবির ভাষায় তাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে।

আরো পড়ো → বংশগতি অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner