কোশবিভাজন ও কোশচক্র প্রশ্ন উত্তর | Kosh Bivajon o Kosh Chokro Question Answer

kosh bivajon o kosh chokro
শ্রেণি – দশম | বিভাগ – জীবনবিজ্ঞান| অধ্যায় – কোশচক্র ও কোশবিভাজন | Kosh Bivajon o Kosh Chokro

এই পর্বে রইল দশম শ্রেণির জীবন বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যায় – কোশবিভাজন ও কোশচক্র থেকে কয়েকটি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন – উত্তর আলোচনা।

সঠিক উত্তর নির্বাচন করো। (MCQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 1]

1। সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোজোমের যে অংশে থাকে তা হল – ক) মুখ্য খাঁজে খ) গৌণ খাঁজে গ) টেলোমিয়ারে ঘ) স্যাটেলাইটে
উত্তর- সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোজোমের –ক) মুখ্য খাঁজে থাকে।

2। সেন্ট্রোমিয়ারের উপস্থিতি অনুসারে ক্রোমোজোমের বিভিন্ন গঠন দেখা যায় যে দশায়, তা হল – ক) প্রোফেজ খ) মেটাফেজ গ) টেলোফেজ ঘ) অ্যানাফেজ
উত্তর- সেন্ট্রোমিয়ারের উপস্থিতি অনুসারে ক্রোমোজোমের বিভিন্ন গঠন – ঘ)অ্যানাফেজ দশায় দেখা যায়।

3। নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষারগুলির মধ্যে যেটি RNA-তে থাকে না, কিন্তু DNA তে থাকে সেটি হল – ক) অ্যাডেনিন খ) গুয়ানিন গ) সাইটোসিন ঘ) থাইমিন
উত্তর- নাইট্রোজেনযুক্ত ক্ষারগুলির মধ্যে যেটি RNA-তে থাকে না, কিন্তু DNA তে থাকে সেটি হল – ঘ) থাইমিন।

4। একটি প্রোক্যারিওটিক কোশের চিত্র আঁকার সময়ে তুমি তাতে নিম্নলিখিতগুলির মধ্যে কোনটির উপস্থিতি দেখাবে না? ক) মাইটোকনড্রিয়া খ) ক্রোমাটোফোর গ) মেসোজোম ঘ) নিউক্লিওয়েড
উত্তর- একটি প্রোক্যারিওটিক কোশের চিত্র আঁকার সময়ে আমি তাতে নিম্নলিখিতগুলির মধ্যে ক) মাইটোকনড্রিয়া উপস্থিতি দেখাবো না।

5। তুমি একটি কোশ বিভাজনের সময় কোনো বেম তন্তু তৈরি হতে দেখলে না। এই ধরনের কোশ বিভাজনকে বলা হয় – ক) অ্যামাইটোসিস খ) মিয়োটিক বিভাজন গ) দ্বিতীয় মিয়োটিক বিভাজন ঘ) মাইটোসিস
উত্তর-আমি একটি কোশ বিভাজনের সময় কোনো বেম তন্তু তৈরি হতে দেখলাম না। এই ধরনের কোশ বিভাজনকে বলা হয় – ক) অ্যামাইটোসিস।

6 । কোশচক্রে মাইটোটিক দশা ঘটে–ক) G1 দশার শেষে খ) G2 দশার শেষে গ) S দশার আগে ঘ) G0 দশার শেষে
উত্তর- কোশচক্রে মাইটোটিক দশা ঘটে –খ) G2 দশার শেষে।

7। নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে বলে – ক) সাইটোকাইনেসিস খ) মাইটোসিস গ) ক্যারিওকাইনেসিস ঘ) মিয়োসিস
উত্তর- নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে বলে – গ) ক্যারিওকাইনেসিস।

8 । ক্ষুদ্র ও স্পষ্ট ক্রোমোজোম দেখা যায় যে দশায়, তা হল – ক) প্রোফেজ খ) মেটাফেজ গ) অ্যানাফেজ ঘ) টেলোফেজ
উত্তর- ক্ষুদ্র ও স্পষ্ট ক্রোমোজোম দেখা যায় যে দশায়, তা হল – খ) মেটাফেজ।

9 । একটি কোশ থেকে 128টি কোশ তৈরি হতে যতবার মাইটোসিস বিভাজনের প্রয়োজন হয়, তা হল – ক) 7 বার খ) 14 বার গ) 16 বার ঘ) 32 বার
উত্তর-  একটি কোশ থেকে 128টি কোশ তৈরি হতে ক) 7 বার মাইটোসিস বিভাজনের প্রয়োজন হয়।

10 । কোশপাত গঠনের কাজে সাহায্যে করে – ক) গলগি বডি খ) রাইবোজোম গ) মাইটোকনড্রিয়া ঘ) লাইসোজোম
উত্তর-  কোশপাত গঠনের কাজে সাহায্যে করে – ক) গলগি বডি ।

আরো পড়ো → গমন অধ্যায়ের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

একটি বাক্যে উত্তর দাও। (VSAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 1]

1। মানুষের দেহকোশে ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত।
উত্তর- মানুষের দেহকোশে ক্রোমোজোমের সংখ্যা 46।

2। একটি ডিপ্লয়েড কোশের উদাহরণ দাও?
উত্তর- একটি ডিপ্লয়েড কোশের উদাহরণ হল উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড, পাতায় উপস্থিত কোশসমূহ।

3। কোন্‌ উপাদানটি নিউক্লিওটাইডে থাকলেও নিউক্লিওসাইডে থাকে না?
উত্তর – ফসফেট উপাদানটি নিউক্লিওটাইডে থাকলেও নিউক্লিওসাইডে থাকে না।

4। কোশ বিভাজনে সাহায্যকারী একটি উপাদানের নাম লেখো।
উত্তর- কোশ বিভাজনে সাহায্যকারী একটি উপাদানের নাম হল অক্সিন (উদ্ভিদকোশে)।

5। কোন প্রকার কোশে কোশ বিভাজন দেখা যায় না?
উত্তর- স্নায়ুকোশে কোশ বিভাজন দেখা যায় না।।

6। কোন প্রকার কোশ বিভাজনে দেহকোশের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে?
উত্তর- মাইটোসিস কোশ বিভাজনে দেহকোশের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে।

7। অনিয়ন্ত্রিত কোশ বিভাজন ছাড়া কিভাবে কোশ বিভাজনে ক্যানসার সৃষ্টি হতে পারে?
উত্তর- কোনো ব্যক্তি দীর্ঘক্ষণ ধরে এক্স রশ্মি ও সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির বিকিরণের মধ্যে সময় কাটালে অনিয়ন্ত্রিত কোশ বিভাজন ছাড়াও ক্যানসার সৃষ্টি হতে পারে।

8। ক্যারিও কাইনেসিস কী
উত্তর- নিউক্লিয়াসের অপর নাম ক্যরিওন। তাই নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ক্যারিওকাইনেসিস বলে।

9। কোশ বিভাজনের কোন্‌ দশায় ডিসজাংশন ঘটে?
উত্তর- মিয়োসিস I কোশ বিভাজনের প্রোফেজের ডিপ্লোটিন উপদশায় ডিসজাংশন ঘটে।

10। উদ্ভিদকোশে সাইটোকাইনেসিস কোন্‌ বিশেষ গঠন দ্বারা সংঘটিত হয়?
উত্তর- সাইটোকাইনেসিস অর্থাৎ সাইটোপ্লাজমের বিভাজন । উদ্ভিদ কোশে ফ্রাগমোপ্লাস্ট এবং কোশপাত গঠনের দ্বারা গঠন সাইটোকাইনেসিস সংঘটিত হয়।

কোশবিভাজন অধ্যায়ের কিছু সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন – উত্তর আলোচনা

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্ন (SAQ)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 2/3]

1। মিয়োসিস কোশ বিভাজনের ফলে কিভাবে প্রজাতির সংখ্যা ধ্রুবক থাকে, জনুক্রম ঘটাতে সাহায্য করে?
উত্তর- প্রত্যেক প্রজাতিতে নির্দিষ্ট সংখ্যার ক্রোমোজোমের উপস্থিতি তার প্রধান বৈশিষ্ট্য। যেমন- বিড়ালের ক্রোমোজোম সংখ্যা 19 জোড়া, অ্যাসকারিসের ক্রোমোজোম সংখ্যা 1 জোড়া, মানুষের ক্রোমোজোম সংখ্যা 23 জোড়া। প্রত্যেকটি প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক। মিয়োসিস কোশবিভাজন শুধুমাত্র জনন মাতৃকোশে হয়। জনন মাতৃকোশ থেকে উৎপন্ন গ্যামেট অর্ধেক ক্রোমোজোম সংখ্যাবিশিষ্ট হয়। জননের সময় যখন হ্যাপ্লয়েড (n) ক্রোমোজোম বিশিষ্ট গ্যামেট একই প্রজাতির অন্য একটি জীবের হ্যাপ্লয়েড (n) ক্রোমোজোম বিশিষ্ট গ্যামেটের সঙ্গে মিলিত হবে, তখন উৎপন্ন অপত্য জীবটি ডিপ্লয়েড (2n) ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হবে। সুতরাং, এইভাবে মিয়োসিস কোশ বিভাজনের ফলে প্রজাতিতে ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক থাকে।

2। শৈবাল, মস ও ফার্ন এবং সপুষ্পক উদ্ভিদের কোথায় কোথায় মিয়োসিস কোশ বিভাজন হয় তা তালিকাভুক্ত করো।
উত্তর- শৈবাল, মস ও ফার্ন এবং সপুষ্পক উদ্ভিদের স্পোরোফাইটিক দশায় রেণু মাতৃকোশে মিয়োসিস কোশবিভাজনের ফলে হ্যাপ্লয়েড ক্রোমোজোমযুক্ত গ্যামেটোফাইট উৎপন্ন হয়।

3। কোনো গাছের পাতার কোশে ক্রোমোজোম সংখ্যা 14, তার পরাগরেণু, ডিম্বাণু ও শস্য নিউক্লিয়াসের ক্রোমোজোম সংখ্যা নির্ণয় করো।
উত্তর- পাতার কোশে ক্রোমোজোম সংখ্যা (2n) = 14
পরাগরেণু (n) এবং ডিম্বাণু (n)-এর ক্রোমোজোম সংখ্যা = 14 ÷ 2 = 7
শস্য নিউক্লিয়াসের ক্রোমোজোম সংখ্যা (3n) = (3 ✕ 7) = 21

4। সংশ্লেষিত উপাদানের নিরিখে G1 ও G2–এর তুলনা করো।
উত্তর-G1 দশায় যদি DNA এর পরিমাণ 2C হয় তবে G2 দশায় DNA এর পরিমাণ হয় 4C। যেহেতু S দশায় DNA সংশ্লেষিত হয় তাই G1 দশায় DNA সংশ্লেষকারী এনজাইম, RNA, বিভিন্ন প্রোটিন, নিউক্লিওটাইড ইত্যাদির সমাবেশ দেখতে পাওয়া যায়। G2 এর ক্ষেত্রে এগুলি অনুপস্থিত থাকে। G2 তে মাইটোকনডিয়া ও প্লাসটিড উৎপন্ন হয়। G2 থেকে কোশ মাইটোটিক দশায় প্রবেশ করার জন্য এবং মাইটোটিক দশাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য, যেসব প্রোটিন প্রয়োজন সেগুলি সংশ্লেষ ঘটে এই দশায়। G1 এরকম কিছু দেখা যায় না।

5। অ্যানাফেজীয় চলন ও মেটাফেজ প্লেট কাকে বলে?
উত্তর- এই দশার প্রথম দিকে প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার সমান দু ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, ফলে প্রতিটি ক্রোমাটিড নিজস্ব সেন্ট্রোমিয়ার পায় এবং অপত্য ক্রোমোজোমে পরিণত হয়।

পরবর্তী ধাপে অপত্য ক্রোমোজোমগুলি পরস্পরকে বিকর্ষণ করে এবং ক্রোমোজোমাল তন্তু গুলির দৈর্ঘ্য কমতে থাকায় এবং ইন্টারজোমাল তন্তুগুলি প্রসারিত হওয়ায় বেম স্টেম বডি গঠন করে। ফলে একটা টান সৃষ্টি হয়। তার ফলে অর্ধেক সংখ্যক অপত্য ক্রোমোজোম বেমের এক মেরুতে এবং বাকি অর্ধেক সংখ্যক অপত্য ক্রোমোজোম অপর মেরুর দিকে যেতে থাকে। এই ঘটনাকে অ্যানাফেজীয় চলন বলে।

মেটাফেজ দশায় ক্রোমোজোমগুলি বেমতন্তুর বিষুব অঞ্চলে সজ্জিত হয়। যদি আমরা কাল্পনিক রেখা দ্বারা ক্রোমোজোমগুলিকে যোগ করতে পারি, তবে দেখা যাবে ক্রোমোজোমগুলি একই রেখার উপরে সজ্জিত আছে। একে মেটাফেজ প্লেট বলা হয়।

আরো পড়ো → বহুরূপী গল্পের প্রশ্ন উত্তর আলোচনা

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (LA)

[প্রতিটি প্রশ্নের প্রশ্নমান 5]

1। মাইটোসিস ও মিয়োসিসের মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের সাপেক্ষে পার্থক্যগুলি উল্লেখ করো— সম্পাদনের স্থান, অপত্য কোশের ক্রোমোজোম সংখ্যা, উৎপন্ন কোশের সংখ্যা। কোশচক্র S দশার গুরুত্ব লেখ।
উত্তর-

মাইটোসিস ও মিয়োসিসের মধ্যে পার্থক্য

G1 ও G2 দশার মধ্যবর্তী সময়কালকে S দশা বলে। এই দশায় DNA এর পরিমাণ দ্বিগুণ হয়। যদি G1 দশায় DNA এর পরিমাণ 2C হয়, তাহলে S দশায় তা 4C হয়। এই দশায় হিস্টোন প্রোটিনও সংশ্লেষিত হয়। কারণ ইউক্যারিওটিক কোশের আটটি হিস্টোন প্রোটিন, নিউক্লিওজোমের কোর অঞ্চল গঠন করে, যা চারদিকে DNA ফিতে জড়ানো থাকে। এই নিউক্লিওজোমই হল ক্রোমোজমের একক।

2। ক্রোমোজোমের ভৌত গঠন বর্ণনা কর।
উত্তর- ক্রোমোজোমের ভৌত গঠন–
ক্রোমাটিড – ক্রোমোজোমের দৈর্ঘ্য বরাবর কুণ্ডলীকৃত, সূত্রাকার, লম্বা দুটি অংশ থাকে, এদের প্রত্যেকটিকে ক্রোমাটিড বলে। একই ক্রোমোজোমের দুটি ক্রোমাটিডকে সিস্টার ক্রোমাটিড বলে।
প্রাথমিক খাঁজ বা সেন্ট্রোমিয়ার – ক্রোমোজোমের মাঝখানে যে খাঁজযুক্ত অংশে সিস্টার ক্রোমাটিডগুলি পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাকে সেন্ট্রোমিয়ার বলে। সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে ক্রোমোজোম চার রকমের হয়, যথা-

মেটাসেন্ট্রিক – সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোজোমের মাঝখানে থাকে।
সাবমেটাসেন্ট্রিক – সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোজোমের মধ্য অংশের খুব কাছে ওপরে বা নীচে থাকে।
অ্যাক্রোসেন্ট্রিক – ক্রোমোজোমের শেষ প্রান্তের কাছে সেন্ট্রোমিয়ার থাকে।
টেলোসেন্ট্রিক – সেন্ট্রোমিয়ার ক্রোমোজোমের শেষপ্রান্তে থাকে।

কাইনেটোকোর– সেন্ট্রোমিয়ারকে ঘিরে প্রোটিনের তৈরি তিনটি স্তর যুক্ত চাকতির মতো এক প্রকার গঠন থাকে, যাকে কাইনেটোকোর বলে।
গৌণ খাঁজ – ক্রোমোজোমে সেন্ট্রোমিয়ার বা মুখ্য খাঁজ ছাড়া অপর কোনো খাঁজ থাকলে, সেটিকে গৌণ খাঁজ বলে। ক্রোমোজোমের এই গৌণ খাঁজ অংশ থেকেই নিউক্লিয়াসে যে নিক্লিওলাস থাকে, তার সংশ্লেষ হয়। তাই গৌণ খাঁজকে নিউক্লিওলাস গঠনকারী অঞ্চল বা Nucleolar Organizer Region বা সংক্ষেপে NOR বলা হয়।
স্যাটালাইট – গৌণ খাঁজ যুক্ত ক্রোমোজোমের গৌণ খাঁজের পরবর্তী অংশ বা দুটি গৌণ খাঁজের মধ্যবর্তী অংশ ক্ষুদ্র ফোলা বাল্বের মতো থাকে, এই অংশকে স্যাটালাইট বলে। স্যাটালাইট যুক্ত ক্রোমোজোমকে SAT (Sine Acido Thymonucleonico) ক্রোমোজোম বলে।
টেলোমিয়ার – ক্রোমোজোমের দুটি শেষ প্রান্তকে টেলোমিয়ার বলে।

আরো পড়ো → অনুপাত ও সমানুপাত অধ্যায়ের গাণিতিক সমস্যার সমাধান

WBPorashona.com-এর পোস্ট আপডেট নিয়মিত পাবার জন্য –


আমাদের কাজ থেকে উপকৃত হলে এই লেখাটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

WBP-YT-Banner